৬ শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারী তোপের মুখে গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে ভিডিএন’র চেয়ারম্যান ও এমডিসহ শীর্ষকর্তারা উধাও

November 23, 2017,

আবদুর রব॥ ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক (ভিডিএন) নামক একটি বেসরকারি সংস্থা ১৪ বছরে বিভিন্ন প্যাকেজের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে আমানত হিসেবে হাতিয়ে নিয়েছে ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা। সেই আমানতের মেয়াদপূর্তিতে লভ্যাংশসহ গ্রাহকদের প্রায় ৫০ কোটি টাকারও বেশি পরিশোধের কথা। কিন্তু গ্রাহকদের লাভতো দুরের কথা, মুলধনসহ উধাও হয়েছে প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম, এমডি আয়াজ আলীসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা।
হঠাৎ করে ভিডিএনের সিলেটের প্রধান কার্যালয়সহ মাঠ পর্যায়ের ৬ উপজেলা অফিসে তালা ঝুলতে দেখা গেছে। সরিয়ে ফেলা হয়েছে অফিসের সাইনবোর্ডসহ সবধরণের আলামত। এতে ভিডিএনের ১০ সহস্রাধিক গ্রাহক তাদের আমানতের টাকা ফেরৎ পাওয়া নিয়ে রয়েছেন অনিশ্চয়তায়। আর গ্রাহকদের তোপের মুখে রয়েছেন অফিসে স্থানীয় কোটায় নিয়োগ পাওয়া ৬ শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারি। অনেকে গ্রাহকদের হামলা মামলার ভয়ে আত্মগোপনেও রয়েছেন। কেউ কেউ ব্যক্তিগত গরু-মহিষ এমনকি জমি-জমা বিক্রি করেও কিছু গ্রাহকের আমানত ফেরৎ দিতে বাধ্য হয়েছেন।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের পশ্চিম হাতলিয়া গ্রামের মৃত রস্তুম আলীর ছেলে আব্দুল হাকিম ও জুড়ী উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের বড়ধামাই গ্রামের মৃত আরজদ আলীর ছেলে আয়াজ আলী মিলে ২০০৩ সালে পশ্চিম হাতলিয়া গ্রামে ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক (ভিডিএন) নামক বেসরকারি সংস্থার সাইনবোর্ড টানিয়ে গ্রাহকের বিনিয়োগ ও সঞ্চয় সংগ্রহের ব্যবসা শুরু করেন। আব্দুল হাকিম সংস্থার চেয়ারম্যান ও আয়াজ আলী ব্যবস্থাপনা পরিচালক

হিসেবে দায়িত্ব নেন। ৮০ ভাগ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে অতি অল্পসময়ে সংস্থার প্রসার ঘটে মৌলভীবাজারের বড়লেখা, জুড়ী, কুলাউড়া, রাজনগর, কমলগঞ্জ এবং সিলেট জেলার সদর, গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলায়। ২০১০ সালে চট্রগ্রামেও অফিস খোলে ভিডিএন। এসব উপজেলায় বড় বড় অফিস ভাড়া নেয়া হয়। মোটা অংকের বেতনে অফিসে ও মাঠ পর্যায়ে কর্মী নিয়োগ দেয়া হয়। ব্যবসা বিস্তৃতি লাভের পর জুড়ী থেকে সিলেট মহানগরের সুরমা টাওয়ারে স্থানান্তর করা হয় ভিডিএনের প্রধান কার্যালয়। ২০১০ সালে চট্রগ্রামেও অফিস খোলে ভিডিএন নামক সংস্থাটি। অভাবী মানুষকে স্বাবলম্বী করার মন্ত্রে মুগ্ধ হয়ে সাধারণ মানুষ ভিডিএনের প্রতি আকৃষ্ট হতে থাকে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক (ভিডিএন) সংস্থাটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জয়েনস্টক কোম্পানী হতে নিবন্ধন নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত ও প্রবাসীদের টার্গেট করে প্রথমে ৮০ ভাগ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষান্মাসিক, বার্ষিক ও এককালীন ভিত্তিতে বিনিয়োগ ও সঞ্চয় আমানত সংগ্রহ শুরু করে। পরবর্তীতে ভিডিএন সোস্যাল বিজনেস লিমিটেড নামে মেয়াদান্তে আড়াইগুণ মুনাফা প্রদানের শর্তে আয়বর্ধক প্রকল্প হিসেবে বনায়ন প্রকল্প, আবাসন প্রকল্প, পর্যটন প্রকল্প, শিল্পজাত প্রকল্প, সেচ প্রকল্প, ন্যায্যমুল্যে মার্কেট, কৃষি, মৎস্য, ছাগল ও গরুর খামার, পেশাভিত্তিক উপকরণ সরবরাহ, কারিগরি শিল্প বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও উপকরণ সরবরাহ ছাড়াও নানা সমাজকল্যাণমুলক প্রকল্প চালু করে।
ইতোমধ্যে ১০ ও ১২ বছর মেয়াদী প্রকল্পের ২০১৩ ও ২০১৫ সালে মেয়াদপূর্ণ হয়। এতে আমানতকারীরা লাভসহ তাদের আমানত প্রাপ্তির জন্য স্থানীয় অফিসের মাধ্যমে আবেদন করেন। ভিডিএনের প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী ৩ মাসের মধ্যে গ্রাহকের দাবিপূরণে কোম্পানী অঙ্গিকারাবদ্ধ। কিন্তু গ্রাহকদের আমানত ফেরতের আবেদনের পর শুরু হয় নানা টালবাহানা। ভিডিএনের ১০ সহ¯্রাধিক গ্রাহকের মধ্যে কোন গ্রাহক তাদের আমানতের মেয়াদপূর্তিতে লাভের মুখ দেখেছেন বলে কোন তথ্য দিতে পারেননি সংশি¬ষ্টরা।
ভিডিএনের গ্রাহক বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউপির বারহালি গ্রামের ভুমিহীন হতদরিদ্র আঙ্গুর বেগম। পার্শ্ববর্তী বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে জীবিকা চালান। ২০০৫ সালে ভিডিএনের চেয়ারম্যান ও এমডি উদ্বুদ্ধকরণ সভায় মুনাফার প্রলোভন দেখালে ভাগ্যবদলের আশায় মাসিক ১০০ টাকা হারে সঞ্চয় জমা করা শুরু করেন। ১০ বছর মেয়াদি সঞ্চয় আমানতের ৩১ কিস্তি প্রদানের পর তিনি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন। ফলে তার পক্ষে আর কিস্তি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। ২০১৫ সালের ডিসেস্বর মাসে জমানো আমানতের মেয়াদপুর্ণ হয়। সঞ্চয়কৃত মুলধনের লভ্যাংশসহ টাকা ফেরতের জন্য পঙ্গু আঙ্গুর বেগম ভিডিএনের হাকালুকি, বড়লেখা এমনকি সিলেট প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে লাভতো দূরের কথা নিজের সঞ্চয়কৃত টাকা আজও ফেরৎ পাননি।
একই উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের খদানগর গ্রামের প্রবাসীর স্ত্রী ছেলে মাহমুদুর রহমানের নামে মাসিক ১ হাজার টাকা কিস্তিতে ১০ বছর মেয়াদী প্রকল্পে ৫১ কিস্তিতে ৫১ হাজার টাকা সঞ্চয় জমা করেন। পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে তার আমানত হিসাব বন্ধ হয়ে যায়। শর্তানুযায়ী মেয়াদ পুর্তিতে তিনি প্রায় দেড় লাখ টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু আমানত পরিশোধের কাগজপত্র জমা দেয়ার ১ বছর অতিবাহিত হলেও কোন টাকা পাননি। এতে প্রবাসী স্বামী তার স্ত্রীকে তালাক দেয়ার হুমকি দিচ্ছেন। কান্নাজড়িত কন্ঠে প্রবাসীর স্ত্রী জানান, আলিম-উলামা ও সমাজের ভাল ভাল লোক জড়িত দেখে তাদের বিশ্বাস করে ভিডিএনকে টাকা দিয়েছিলাম। এখন টাকাতো দুরের কথা, আমার সংসার ভাঙ্গার উপক্রম।
২০০৪ সালে হাকালুকি হাওরপারের মুর্শিবাদকুরা গ্রামের হতদরিদ্র ফয়জুন বেগম (সদস্য নম্বর ৪৮১৮/৩৫) ১০ বছরের জন্য মাসিক ১০০ টাকা সঞ্চয় আমানত জমা শুরু করেন। ২১ মাস কিস্তি প্রদানের পর তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। ফলে কিস্তি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। ২০১৫ সালে চিকিৎসার জন্য আমানত ফেরতের আবেদন করেন। চুক্তিমোতাবেক মধ্যখানে কিস্তি বন্ধ হলেও মেয়াদান্তে ওই টাকার আড়াইগুন লভ্যাংশ দেয়ার কথা। কিন্তু বিভিন্ন অফিসে টাকা পেতে ধর্না দিয়ে কোন সুফল পাননি। শেষতক ২০১৬ সালের প্রথম দিকে তিনি মারা যান। ভিডিএন তার জমা আমানত ফেরৎ দেয়নি। অদ্যাবধি একটি টাকাও পায়নি স্বামী ও সন্তান। মৃত্যু পথযাত্রী গ্রাহকের প্রতি মানবিক আচরণটুকুও দেখায়নি ভিডিএন।
ভিডিএন গ্রাহক কাতার প্রবাসী আনোয়ার হোসেন সাজু জানান, ৫০ হাজার টাকায় ১০ বছর পর ২লাখ ৫০হাজার টাকা প্রদানের শর্তে বনায়ন প্রকল্পে ২০১১ সালে তিনি এককালিন আমানত জমা দেন। কিন্তু এখন ভিডিএনের অফিস খুজেই পাচ্ছেন না। বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না, তিনি যে প্রতারিত হয়েছেন।
সংশি¬ষ্ট সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে ৫ বছর, ১০ বছর ও ১২ বছর মেয়াদি ৪ সহস্রাধিক গ্রাহকের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। স্থানীয় ভিডিএন অফিসে অনেকে রশিদ ও পাস বই জমা দেন। এর বিপরীতে অফিস ইনচার্জ ও ব্রাঞ্চ ম্যানেজার গ্রাহকদের রিসিভিং কপি বা চেয়ারম্যান ও এমডি স্বাক্ষরিত প্রাপ্ত অংকের চেক প্রদান করেন। টাকা উত্তোলনের নির্দিষ্ট তারিখ অতিবাহিত হলেও ব্যাংকে গিয়ে অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে গ্রাহকরা কোন টাকা পাননি। এতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের উপর গ্রাহকরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। অফিস ইনচার্জ ও মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা পড়েছেন মহাবিপাকে।
বিয়ানীবাজার অফিস ইনচার্জ মোঃ আক্তারুজ্জামান জানান, তার অফিসের গ্রাহক সংখ্যা আনুমানিক ৫শত। মেয়াদ পুর্ন হয়েছে ৩শ জনের মতো। মোট দেনা ৬১ ল্খা টাকা। ভিডিএনের চেয়ারম্যান, এমডি উধাও ও প্রধান কার্যালয় গুটিয়ে ফেলায় গ্রাহকদের চাপ সামলাতে তিনি হিমশিম খাচ্ছেন।
বড়লেখা অফিস ইনচার্জ মো. শামসুজ্জামান জানান, তার অফিসের সহস্রাধিক গ্রাহকের প্রাপ্ত মুলধন কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। লভ্যাংশসহ এ পরিমান ৩ কোটি টাকারও বেশি। এ অফিসের আওতাধীন গ্রামতলা গ্রামের প্রবাসী আব্দুল কাদির ২০০৬ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে এককালিন ২ লাখ টাকা আমানত জমা দেন। ১০ বছর পর মেয়াদান্তে তাকে ৬ লাখ টাকা প্রদানের শর্ত ছিল। গত বছর (২০১৬) মেয়াদ পুর্ণ হলে তার আমানত ফেরতের কাগজপত্র নিয়ে অফিসে গিয়ে দেখেন তা বন্ধ। সরিয়ে নেয়া হয়েছে সাইনবোর্ড। অনেক কষ্টের রোজগারের টাকা জমা দিয়ে প্রতারিত হওয়ার ঘটনায় তিনি চোখে অন্ধকার দেখছেন।
ভিডিএনের রাজনগর অফিস ইনচার্জ মো. ইদ্রিছ আলী জানান, তার অফিসের অধীনে ৬ শতাধিক গ্রাহক। ২০১৬ সালের জুন মাসে ৩৮ জন গ্রাহকের মেয়াদ পুর্ণ হয়েছে। গ্রাহকরা তাদের কাজগপত্র রাজনগর অফিসের মাধ্যমে হেড অফিসে জমা দিয়েছেন। ৩ মাসের মধ্যে গ্রাহকের আমানত লভ্যাংশসহ পরিশোধের কথা। কিন্তু ৫ মাস পর এই ৩৮ জন গ্রাহককে ভিডিএনের চেয়ারম্যান ও এমডি যৌথ স্বাক্ষরে ইসালামী ব্যাংক আম্বরখানা শাখার উপর মোট ৬ লাখ ৬ হাজার ৩৬৫ টাকার চেক প্রদান করেন। গ্রাহকরা ব্যাংকে গিয়ে দেখতে পান একাউন্টে কোন টাকা নেই। কয়েকবার ব্যাংকে যোগাযোগ করেও তারা টাকা উত্তোলন করতে পারেনি।
এরপর আরও ৩০১ জন সদস্যের আমানতের প্রায় অর্ধকোটি টাকা পরিশোধের সমুদয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করেন। কিন্তু এগুলোর আর কোন সুরাহা হয়নি। এরমধ্যে অফিস গুটিয়ে নেয়ার খবরে গ্রাহকরা তার বাড়ি ঘেরাও করেন। কয়েকজন গ্রাহক স্থানীয় অফিস ইনচার্জ হিসেবে আমার ব্যক্তিগত ভুমিতে ভুমি বিক্রির সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়েছে। গ্রাহকদের এমন চাপের মুখে তিনি এলাকাছাড়া। এভাবে ভিডিএন এর ৯ অফিসের ইনচার্জসহ মাঠকর্মীরা আতংকে রয়েছেন। রাজনগর অফিসের মোট দেনা (মুলধন) ১ কোটি ৭৯ লাখ ৮ হাজার ৬৬৮ টাকা। লভ্যাংশসহ সে হিসেব ৫ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।
বড়লেখা ব্রাঞ্চ ম্যানেজার (গ্রামতলা, মোহাম্মদনগর, বোবারথল) আব্দুল জব্বার জানান, ইতিমধ্যে শতাধিক গ্রাহকের মেয়াদ পুর্ণ হয়েছে। তাদের পাওনা (শুধু মুলধন) প্রায় ২২ লাখ টাকা। এসব গ্রাহকরা প্রতিদিন বাড়িঘরে, রাস্তাঘাটে চাপ দিচ্ছে। অনেকে নানা হুমকি-ধমকিও দিচ্ছে। যে কোন সময় হামলা-মামলার আশংকা রয়েছে।
সিলেটের প্রধান কার্যালয়ের কো-অর্ডিনেটর আব্দুল ওয়াহিদ জানান, প্রায় ৬ মাস আগে হঠাৎ কোম্পানীর চেয়ারম্যান ও এমডি সিলেট অফিসে গিয়ে বলেন, এ অফিস বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। তারা আমাকে জুড়ি অফিসে যোগদানের নির্দেশ দেন। এরমধ্যেই তারা আত্মগোপন করেন। গ্রাহক ও মাঠকর্মীরা তাদের পাওনা পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছেন। আমার নিজেরও প্রায় ৪ লাখ টাকা বেতন আটকা। বর্তমানে কোম্পানীর ৫-৬ কোটি টাকার মত ঋণ রয়েছে। তবে ভিডিএনের যে ভু-সম্পত্তি রয়েছে তা বিক্রি করলে কিছু গ্রাহকের পাওনা পরিশোধ করা যাবে। তবে সংশি¬ষ্ট সুত্রমতে বাস্তবে ভিডিএনের দেনার হিসাব ৫০ কোটি টাকার কম নয়।
এব্যাপারে ভিডিএনের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম ও এমডি আয়াজ আলীর ব্যবহৃত ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। গ্রামের বাড়ী বড়লেখার পশ্চিম হাতলিয়া ও জুড়ীর বড়ধামাই গ্রামে গিয়েও তাদের সন্ধান মিলেনি। স্বজন ও প্রতিবেশিরা জানান গত ৬ মাস ধরে তাদেরকে এলাকায় দেখা যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com