বড়লেখা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে সওজের জবর দখলীয় ভুমি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু

বড়লেখা প্রতিনিধি॥ বড়লেখা পৌরশহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের স্থায়ী সমাধানের লক্ষে পৌরমেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী এবার সড়ক ও জনপথ বিভাগের ভরাট করা জবর দখলীয় খাল ও নালা পুনরুদ্ধার কাজ শুরু করেছেন। এতে বৃষ্ঠির পানি দ্রুত নিষ্কাষিত হবে এবং শহরের ব্যবসায়ী ও কলোনিবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। তার এ সাহসী কার্যক্রমে সংশি¬ষ্টরা বেশ উচ্ছ্বশিত।
জানা গেছে, প্রভাবশালী মহল নিজেদের মার্কেট, বাসা-বাড়ির সামনের সড়ক ও জনপথ বিভাগের রাস্তার পাশের খাল ভরাট করায় বৃষ্ঠির পানি নিষ্কাষনে প্রতিবন্ধতকার সৃষ্টি হয়। ভারি ও অল্প বৃষ্ঠিতে তীব্র জলাবদ্ধতার কারণে পৌরসভার ব্যবসায়ী ও কলোনীবাসীকে বছরে ৩-৪ বার মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
বছর ৪ দফা জলাবদ্ধতায় শত কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষ শহরের প্রধান এ সমস্যা নিরসনের উদ্যোগ স্বরূপ ২৬ ফেব্রুয়ারী সোমবার মেয়রের তত্ত্বাবধানে পৌরশহরের গাজিটেকা হতে উত্তর চৌমুহনী পর্যন্ত সিএন্ডবি রাস্তার উভয় পাশের অবৈধ জবর দখলীয় ভুমি পুনরুদ্ধার কাজের উদ্বোধন করেন ইউএনও মোহাম্মদ সোহেল মাহমুদ। এসময় সিএন্ডবি’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাশেদুল হক, জেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলার জোবেদা খানম ইকবাল, বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলাউদ্দিন, পৌর কাউন্সিলার আব্দুল মতিন, আব্দুল মালিক ঝুনু প্রমূখ।
পৌর মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী জানান, বছরের পর বছর ধরে সিএন্ডবি’র খাল ও নালা ভরাট করে রাখায় শহরের বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাষিত না হওয়ায় মারাত্মক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তিনি শতভাগ ভরাট হওয়া এসব খাল উদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছেন। পৌরসভার এক্সেভেটর দিয়ে তিনি ভরাট করা মাটি খনন করছেন। এতে এলকাবাসীও তাকে সহযোগিতা করছেন।
বড়লেখা পৌরসভার বাসিন্দা ইসমাইল হোসনে, নজরুল ইসলাম, হাজী ময়না মিয়া, আব্দুল করিম, আব্দুল খালিক সোনাম উদ্দিন প্রমূখ জানান, মেয়র কামরান দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের স্থায়ী সমাধানের লক্ষে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কাজটি অত্যন্ত যুগপযোগী।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের সেকশন অফিসার আবদুল মান্নান জানান, মেয়রের তত্ত্বাবধানে সিএন্ডবির ভরাট করা খাল ও নির্মিত অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হচ্ছে। এতে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে পৌরবাসীর মুক্তি হবে বলে তিনি মনে করেন।



মন্তব্য করুন