পুলিশিং সেবায় অনন্য একজন শ্যামল বণিক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

স্টাফ রিপোর্টার॥ পুলিশিং সেবায় শ্যামল বণিক এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন চিরদিন। শ্যামল বণিক আমাদের প্রশাসনের গর্ব, প্রশসানের অহংকার। শ্যামল বণিককে নিয়ে মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক মনুকূলের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক, লেখক, গবেষক মোস্তাক চৌধুরীর সম্পাদনায় সততার পথিকিৎ শ্যামল বণিককে নিয়ে প্রকাশনা ‘পুলিশিং সেবায় অনন্য একজন শ্যামল বণিক’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আনোয়ার চৌধুরী। তিনি বলেন শ্যামল বণিক আমাদের প্রশাসনের মুখ উজ্জ্বল করেছে, সে রাজনগরে ওসি থাকাবস্থায় ভালো কাজ করেছিল বলে আজ এ গুণীজন ও সুধীজনের ব্যতিক্রমী প্রকাশনা। এ অনুষ্ঠানে এসে আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি, জীবনে অনেক অনুষ্ঠানে আমি গিয়েছি কিন্তু এ রকম ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান আমি আর দেখিনি। এ প্রকাশনা শ্যামল বণিকের চলার পথে সাহস ও শক্তি যোগাবে। সে অনেক পথ অতিক্রম করবে, সেটা আমার বিশ্বাস, তার চলার পথ অনুস্মরণ ও অনুকরণ করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের সকল ওসিদের প্রতি আমি আহবান করছি। মোস্তাক চৌধুরীর সভাপতিত্বে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে শ্যামল বণিক নিয়ে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন সিলেট জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান, সততার মুর্ত প্রতীক মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম। জনাব পুলিশ সুপার বলেন আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে এ বিজয়ের মাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কথা উল্লেখ করে বলেন তিনির জন্ম না হলে এ দেশটা হয়তো এতো সহজে স্বাধীন হত না, তাই তিনির কাছে আমরা এ জাতি চির ঋণী, চির কৃতজ্ঞ।
তিনি বলেন; শ্যামল বণিক ভালো কাজ করেছিল বলে আজ তাহাকে মৌলভীবাজার জেলার রাজনগরের গুণীজন এ মহতি অনুষ্ঠানের ভেতর দিয়ে পুরস্কৃত করল। আপনাদের এ ব্যতিক্রমী প্রকাশনা দেখে আমি সত্যিই অভিভূত। তার জন্য এ ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান তাকে অনেক দূর নিয়ে যাবে। শ্যামল বণিক ভালো
কাজ করেছে বলে রাজনগরের মানুষজন আজকের এ প্রকাশনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাকে অলংকারে রূপায়িত করলেন। শ্যামল বণিকের জন্য এটা বেইসলাইন, মাইল ফলক, এটাকে ফলো করে এগিয়ে যাওয়ার আহবান ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন
উপস্থিত পুলিশ অফিসাররা শ্যামল বণিকের এ পথকে অনুস্মরণ করার আহবান ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন আজকাল পুলিশ যতই ভালো কাজ করুক না কেন! তার পক্ষের চেয়ে বিপক্ষের সমালোচনাই আমি বেশি শুনতে পাই। আজকের এ অনুষ্ঠান একটি ভিন্নধর্মী, তাই আয়োজকদের অভিনন্দন জানিয়ে এ প্রকাশনার জন্য সিলেট জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উপস্থিত পুলিশ অফিসারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন; ভালো কাজ করলে অবশ্যই ভালো ফল পাবে, তাই ভালো কাজগুলো অনুস্মরণ করুন। তিনি জনতার
উদ্দেশ্যে বলেন- আপনারা মিথ্যা মামলা নিয়ে আসবেন আবার পুলিশের কাছ থেকে শতভাগ সততার আশা করবেন এটা কতটুকু সঠিক? ভুক্তভোগিরা বেশিরভাগ থানায় মামলা করতে আসেন মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে। বেশিরভাগ মামলা হয় নারী নির্যাতন ও রাস্তায় তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা নিয়ে। দেখা গেছে সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে মারামারি করেছেন দুই জনে অথচ থানায় এসে বলবে ৫/৭জন ডাকাত ডাকাতী কওে আমাকে মারধর করে আমার কাছ থেকে ৫/৭ লক্ষ টাকা নিয়ে গেছে। স্বামীর সাথে বনিবনা হচ্ছে না, স্বামী খারাপ লোক তাই থানায় এসে নারী নির্যাতন মামলা করে শ্বশুর-শাশুড়ি, দেবর-ননদ সবাইকে আসামী করে মামলা দায়ের করতে চাইবে, দারগার পেছনে দর্ণা দেবে মিথ্যা মামলা রের্কড কওে দিতে, তাকে নানাভাবে বায়েস্ট করার চেষ্টা করবে, আসামীদেরকে গ্রেফতার করতে চাইবেন। পুলিশ যদি এ মিথ্যা মামলা রেকর্ড না করে, আসামী ধরতে
চেষ্টা না করে তাহলে পুলিশ খারাপ। আর আসামী ধরে নিয়ে আসলে আসামীর মা-বাবা বলবে পুলিশের উপর আল্লাহর গজব পড়ুক। তিনি বলেন আপনারাই বলেন পুলিশ কোন দিকে যাবে। জনগণই পুলিশকে খারাপের দিকে দাবিত করার চেষ্টা করে। তিনি আরও বলেন আপনারা মিথ্যা মামলা দেওয়া বন্ধ করুন, সত্যের উপর দাড়িয়ে মামলা করেন, ন্যায় বিচার অবশ্যই পাবেন, মামলা বিনা টাকায় ওসি রেকর্ড করতে হবে, যদি না করে আমার কাছে আসুন, আমি মামলা সাথে সাথে রেকর্ড করাব, পুলিশের বিরুদ্ধে যদি পুলিশ কোন মিথ্যার আশ্রয় নেয় তাহলে ব্যবস্থা অবশ্যই নেব। আপনারা দালালদের কাছে যাবেন না, তদবির বাণিজ্য বন্ধ করুন। পুলিশকে সহযোগিতা করুন, পুলিশের পাশে দাড়ান। জনবান্ধব প্রশাসন প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার হাত প্রসারিত করুন। তিনি সিলেটের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে অনেক কথা বলেন। পুলিশকে সৎ পথে চলতে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেন, জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তোলার জন্য আমরা কাজ করছি, আমাদের সকলের সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন। প্রধান অতিথির উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার বলেন; এক পুলিশ অফিসারের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি সময় দিয়ে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সেটা আমাদের অনুস্মরণীয় ও অনুকরণীয় থাকবে। অনুষ্ঠানকে সফল করতে তিনি সময় দেওয়ার জন্য আমরা সিলেটের পুলিশ প্রশাসন তিনির কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি আরও বলেন অতীতের চেয়ে বর্তমানে দেশের পুলিশ প্রশাসনের অনেক উন্নতি হয়েছে। যদি পুলিশ এ রকম ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান গুণীজন ও সাধারণ জনগণ কর্তৃক অনুষ্ঠিত হয় তবে পুলিশ প্রশাসন অনুপ্রানিত হবে। অনুষ্ঠানে যাকে ঘিরে এ অনুষ্ঠানমালা সেই শ্যামল বণিক তার বক্তব্যে বলেন জানিনা না আমি কি করতে পেরেছি সাধারণ মানুষের জন্য, তবে আমি যতটুকু ভালো কাজ করেছি তা আমি আমার পুলিশ সুপার স্যারের কাছ থেকেই শিখেছি। তিনি বলেন আমার অভিভাবক আমার স্যার, আমার স্যার, আমার পিতৃসমতূল্য। আমি স্যারের কাছ থেকেই ভালো কাজ করতে
অনুপ্রাণিত হয়েছি। আমি রাজনগর থাকাবস্থায় জনগণকে সাথে নিয়ে
কাজ করার চেষ্টা করেছি, জনগণ পাশে থাকলে ভালো কাজ করা যায়। তিনি বলেন ভালো কাজ করতে হলে সাধারণ মানুষ আপনার পাশে থাকতে হবে, এস.পি স্যারের সার্বিক সহযোগিতা থাকতে হবে। আমি রাজনগর থাকাবস্থায় মৌলভীবাজারের এস.পি শাহজালাল স্যার আমাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছিলেন বলে আপনাদের পাশে থাকতে পেরেছি। আমি জৈন্তাপুর মডেল থানায় আজ ৫ মাস হয়। সিলেটের এসপি স্যার আমাকে সার্বিক সহযোগিতা করছেন বলে জৈন্তাপুর মডেল থানায় আমি অনেকটা অপরাধমুক্ত থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি এই ৫ মাসে। তিনি বলেন এস.পি স্যার ভালো থাকলে ওসি ভালো কাজ করতে পারে, আমি এসপি স্যার মহোদয়ের কাছ থেকে ভালো কাজ করতে শিখেছি, যখন তিনি গোয়াইনঘাট থানায় ছিলেন তখন আমি সেই থানায় সেকেন্ড অফিসার ছিলাম। স্যারের কাছ থেকে আমি ভালো কাজের শিক্ষা নিয়েছি বলেই আমার পথ চলা এবং ভালো কাজ করার শিক্ষা পেয়েছি। আমার সকল ভালো কাজ আমার স্যারের অবদান। স্যারকে অনুস্মরণ করেই আমি পথ চলতে শিখেছি এবং আগামীতে চলব। তিনি বলেন জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে জনবান্ধব পুলিশ প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছি, আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ২৮ ডিসেম্বর শনিবার মৌলানা সাইদুল ইসলামের কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরুতে গীতা পাঠ করেন কবি এস.কে দাশ। অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করেন ফিউচার ব্রাইট একাডেমির শিক্ষিকা বিথি আক্তার, সায়লা আক্তার, সাহানারা আক্তার,
খোদেজা আক্তার মিনু ও কলেজ ছাত্র রাহিমা আক্তার, স্কুল ছাত্র জিসান মাহমুদ চৌধুরী, মাদ্বীপ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন রাজনগর মৌলানা মুফজ্জল হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইকবাল, যাকে ঘিরে এ অনুষ্ঠান সেই কাঙ্খিত ব্যক্তি ওসি শ্যামল বণিক। বাংলাদেশ মিডিয়া অনলাইস এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক কবি সৌমিত্র দেব, রাজনগর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তি চক্রবর্ত্তী, জৈন্তাপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদের মৌলভীবাজার জেলার সভাপতি কবি অসিত দেব, লংলা টি-স্টাপ এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রাজা বেলাল। স্বাধীনতা স্যানিটারিয়ান পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক এএফ জুনায়েদ আহমদ, স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন মনুকুলের কাগজ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক খছরু চৌধুরী, অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশিং সেবায় অনন্য শ্যামল বণিক বইয়ের সম্পাদনা পরিষদের সদস্য চৌধুরী মোহাম্মদ মেরাজ, আবুল কালাম আজাদ ও তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজ, জুড়ী’র প্রফেসর হিরন্ময় দেব, সাংবাদিক মীর হোসাইন সোয়েব, সোহেল আহমেদ, আব্দুল হাই আল হাদি প্রমুখ। অতিথিদের গ্রন্থ তুলে দেন কবি ইন্দ্রজিৎ দেব, আহমেদ ফয়ছল আজাদ ও জুনাইদ আহমদ সভায় প্রধান অতিথি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার চৌধুরীকে জনপ্রশাসনে বিশেষ অবদানে স্বীকৃতি স্বরূপ তিনিকে ক্রেস্ট তুলে দেন সাপ্তাহিক মনুকূলের কাগজ পত্রিকার মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও মোস্তাক চৌধুরী সহধর্মীনি লতিফা রাজা (মণি), গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচক সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিনকে পুলিশিং সেবায় বিশেষ অবদানে স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেস্ট তুলে দেন মৌলানা মুফজ্জল হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইকবাল। পুলিশিং সেবায় অনন্য একজন শ্যামল বণিক বইটি যাকে ঘিরে সেই শ্যামল বণিককে বিশেষ সম্মাননা পদক তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আনোয়ার চৌধুরী। পুলিশিং সেবায় অনন্য একজন শ্যামল বণিক বইয়ের সম্পাদক, সাপ্তাহিক মনুকূলের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তাক চৌধুরীকে মৌলভীবাজারের রাজনীতি, সংস্কৃতি, সাংবাদিকতা ও সাহিত্যাঙ্গনে বিশেষ অবদানে স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেস্ট তুলে দেন সিলেট জেলার সুযোগ্য জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম। মৌলানা মুফজ্জল হোসেন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইকবালকে মৌলভীবাজারের শিক্ষা ও কবিতায় বিশেষ অবদানে স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেস্ট প্রদান করেন সৈয়দ মুজতবা আলী পাঠাগার মৌলভীবাজারের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সাহিত্যকর্মে ও সাংবাদিকতায় মনশীলতায় বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র দেবকে ক্রেস্ট তুলে দেন চৌধুরী মোহাম্মদ মেরাজ, রাজনগর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তি চক্রবর্ত্তীকে জনসেবায় বিশেষ অবদানে স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেস্ট তুলে দেন সাপ্তাহিক মনুকূলের কাগজ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক জাকির আহমেদ। শিল্প, সংস্কৃতিতে ও কাব্যকর্মে মননশীলনায় বিশেষ অবদানে স্বীকৃতি স্বরূপ বঙ্গবন্ধু লেখক পরিষদ মৌলভীবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক কবি অসিত দেবকে ক্রেস্ট তুলে দেন রাজনগর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তি চক্রবর্ত্তী। জনগোষ্ঠী খাদ্য ও স্বাস্থ্য উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বাধীনতা স্যানিটারিয়ান পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক এএফ জুনায়েদ আহমদকে ক্রেস্ট তুলে চৌধুরী মোহাম্মদ মেরাজ।



মন্তব্য করুন