(ভিডিওসহ) মানা হচ্ছে না লকডাউন : নির্দেশনা অমান্য করে জনসমাগম বাড়ছে

April 20, 2020,

স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজারে করোনা প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকে আইন মানাতে কিংবা ঘরে ফেরাতে প্রশাসনের তদারকি নাই বললেই চলে। ব্যাংক ও বিভিন্ন বাজারে লোকজন জড়ো হয়ে গাদাগাদি করে কোনও আইন না মেনে কেনাবেচা করছে সেদিকে লক্ষ নেই প্রশাসনের। সোনালী ব্যাংকে ভাতা নিতে জড়ো হয়েছেন হাজার খানেক পুরুষ-মহিলা। প্রশাসন বলছে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী থাকাতে জোর করা যাচ্ছেনা। বিভিন্ন গ্রামে সেনাবাহিনী দিচ্ছে ত্রাণ।

২০ এপ্রিল সোমবার সকাল থেকে শহরের প্রতিটি জায়গায় লোকসমাগম হয়েছে চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে শহরের সোনালী ব্যাংকে হাজার খানেক পুরুষ-মহিলা ভাতা নেয়ার জন্য জড়ো হয়েছেন। ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন তারা পুলিশের সহায়তায় যতটুকু সম্ভব সরকারী আইন মেনে কাজ করার চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু জনগণ সেটা না মানাতে অনেকটাই হতাশ। ব্যাংক কর্মকর্তা নিজেই হতাশা প্রকাশ করে বলেন প্রতিটি শাখায় এ দূরত্ব পালন করে কাজ করা সম্ভব হচ্ছেনা। দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা বলছেন বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী হওয়াতে বাধ্য করা যাচ্ছেনা, তবুও চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে শহরের কাচা বাজার সহ সর্বত্র লোক সমাগম বেড়েছে। শহরের বিভিন্ন রাস্তায় রিক্সা নিয়ে অবাধে ঘুরাফেরা করছেন জন সাধারন। শহরের প্রবেশমুখে পুলিশের পাহারা চৌকি থাকলেও শহরের মধ্যে নেই কোনও কার্যকারিতা। সাধারন দিনের মতো অনেকটাই সবকিছু স্বাভাবিক। কিছু কিছু দোকানদার অর্ধেক সার্টার খুলে করছেন বেচাকেনা। ভাতা নিতে আসা সুবিধাভোগিরা বলছেন তারা দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে এর কোনও মিল নেই। আবার একে অন্যকেও দোষারোপ করছেন।

এদিকে সেনাবাহিনী বিভিন্ন গ্রামে তাদের নিজস্ব অর্থায়নে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ত্রাণ সামগ্রী দিচ্ছেন গরীব ও অসহায় লোকদেরকে।

সিভিল সার্জন সূত্র জানায়, এ পর্যন্ত জেলায় হোম কোয়রেন্টাইনের আওতায় আনা ১৪ শত ১৫ জনের মধ্যে ৯ শত ৩৭ জনের হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হয়েছে যাদের মধ্যে কোন প্রকার করোনা  লক্ষন পাওয়া যায়নি। ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ৩ জন প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। করোনা রিপোর্ট সংগ্রহের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে ২১৫ টি, রিপোর্ট এসেছে ৫৯টি। একটি পরে সবগুলো নিগেটিভ। নতুন করে কেহ আক্রান্ত হবার খবর পাওয়া যায়নি।

ওমর ফারুক, অফিসার জেনারেল, সোনালী ব্যাংক, মৌলভীবাজার শাখা বলেন, তারা পুলিশের সহায়তায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করছেন। ব্যাংকের সময়সূচী ১০ টা থেকে ১টা পর্যন্ত হওয়াতে চেষ্ঠার পরও তা পারা যাচ্ছেনা।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com