গণপূর্ত ও স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃক ব্যক্তিগত বাংলোসহ ভূমি জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

July 21, 2013, এই সংবাদটি ৪৪৩ বার পঠিত

মৌলভীবাজারে গণপূর্ত ও স্বাস্থ্য বিভাগের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ভূমি জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খোঁজ নিয়ে, কাগজাত পর্যবেক্ষনে এবং সদর উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের উপদেষ্টা শেখ মোছাদ্দির হোসেন (আন্টু) এর অভিযোগে জানা গেছে- পাকিস্থান আমলে আপাতঃ জনসাধারণের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পরিচালনার্থে মৌলভীবাজার মহকুমা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য এবং ভবিষ্যতে হাসপাতাল অন্যত্র স্থানান্তর/স্থাপিত হলে মালিক বরাবর দখল হস্তান্তর করার আশ্বাসে শহরের শান্তিবাগ এলাকার শেখ বাড়ী’র বাসিন্দা ও সদর উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের উপদেষ্টা শেখ মোছাদ্দির হোসেন (আন্টু) এর পূর্বপুরুষ ১০৬ নং জেএলস্থিত মৌলভীবাজার মিউনিসিপ্যারিটি মৌজার ১৭৬০ নং দাগের ৩৯৫/৩ নং হোল্ডিংযুক্ত বাংলোসমেত ১.২৭ একর ভূমি বিনা ভাড়ায় ব্যবহারের জন্য মৌখিকভাবে মৌলভীবাজার মহকুমা হাসপাতালকে প্রদান করেছিলেন। কিন্তু, পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের ৬৩০৩ নং এবং গণপূর্ত বিভাগের ২৫২৩/২৫২২ নং খতিয়ানে রেকর্ড করানোর মাধ্যমে উক্ত ভূমিটুকু সরকারীকরণের চেষ্টা চালানো হয় এবং একপর্যায়ে তা মৌলভীবাজার গণপূর্ত বিভাগ তাদের নামে রেকর্ড করিয়ে নেয়। অপরদিকে, পরবর্তীতে বর্তমান সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্থানে মহকুমা হাসপাতাল স্থানান্তর করা হলেও, বাংলোসমেত উক্ত ভূমিটুকু মালিক বরাবর হস্তান্তর না করে সার্জনের বাসভবন হিসাবে ব্যবহার অব্যাহত থাকে। সেই থেকে বিষয়টি নিয়ে ভূমি মালিকের উত্তরাধিকার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে দেন দরবার করে আসলেও স্বাস্থ্য বিভাগ নির্বিকার ভূমিকা পালন করতে থাকলে বাধ্য হয়ে ভূমি মালিক ঢাকাস্থ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক, মৌলভীবাজার সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও মৌলভীবাজার মডেল থানায় এ ব্যাপারে অভিযোগ করেন। এদিকে, বর্তমান সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্থান থেকে জেলা হাসপাতালটি শহরের শ্রীমঙ্গল রোডস্থ নিজস্ব ভূমিতে স্থানান্তর হবার পর, বাংলোসমেত উক্ত ভ’মিটুকু পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা সত্তেও নানা অজুহাতে ভূমি মালিকের উত্তরাধীকারীর অনুকুলে এর দখল হস্তান্তর করা হয়নি। একপর্যায়ে, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ভূমি মালিকের উত্তরাধীকার ভূমিটুকু তার নিজ দখলে নেয়ার কার্যক্রম শুরু করলে মৌলভীবাজার গণপূর্ত বিভাগ তড়িঘড়ি করে টিনের বেড়া দিয়ে ভ’মিটুকু জবরদখল প্রক্রিয়া শুরু করায় তা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে ২০১১ সালে উক্ত ভুমির উত্তরাধীকার মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভূমিটুকুর ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে গণপূর্ত বিভাগের কাছে উক্ত ভ’মির ব্যাপারে তথ্য চাওয়া হয়। কিন্তু, গণপূর্ত বিভাগ তাদের অনুকুলে কাগজাত প্রদর্শনে ব্যর্থ হয় এবং ভূমি মালিকের উত্তরাধিকারীর পক্ষে রেকর্ড প্রদানসহ সকল কার্য সম্পাদনের জন্য বিগত ২২/০৭/২০১২ইং তারিখে সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অনুরোধ করে। এর প্রেক্ষিতে ভূমি মালিকের উত্তরাধিকারী সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়ে যোগাযোগের মাধ্যমে গত ৩০/১১/২০১১ইং তারিখে সেটেলমেন্ট অফিসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদন (ডকেট নং ৩৪/৩৫) করেন। সেটেলমেন্ট অফিসে প্রক্রিয়াধীন থাকাবস্থায় বিষয়টি জানতে পেরে মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন গোলাম রাজ্জাক চৌধুরী তড়িঘড়ি করে সদর হাসপাতালের হেডক্লার্ক বেপারীকে বসবাসের জন্য উক্ত ভূমিস্থিত বাংলোটি ভাড়া দিয়ে দেন এবং অদ্যাবধি প্রতিমাসে প্রাপ্ত ভাড়ার অর্থ আতœসাৎ করে চলেছেন। ভূমি মালিকের উত্তরাধীকার শেখ মোছাদ্দির হোসেন (আন্টু) এ ব্যাপারে সিভিল সার্জনের সাথে যোগাযোগ করলে, সিভিল সার্জন অচিরেই বাংলোসমেত উক্ত ভূমিটুকু তার অনুকুলে দখল হস্তান্তর করার আশ্বাস দিলেও, এর মাত্র ৩ দিনের মধ্যেই রাতের অন্ধকারে উক্ত বাংলোয় “প্রস্তাবিত সিভিল সার্জনের বাসভবন, মৌলভীবাজার” লিখা সাইনবোর্ড স্থাপন করে সিভিল সার্জন ডাঃ গোলাম রাজ্জাক চৌধুরী তা জবরদখল প্রক্রিয়া শুরু করে দেন। সিভিল সার্জন ডাঃ গোলাম রাজ্জাক চৌধুরী কর্তৃক রাতের অন্ধকারে উক্ত বাংলোয় “প্রস্তাবিত সিভিল সার্জনের বাসভবন, মৌলভীবাজার” লিখা সাইনবোর্ড স্থাপনের ঘটনায় উক্ত ভূমি মালিকের উত্তরাধিকার ও সদর উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের উপদেষ্টা শেখ মোছাদ্দির হোসেন (আন্টু) ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জানান- জেলার স্বাস্থ্য বিভাগীয় প্রধানের মত একজন দায়িত্বশীল এবং ধার্মিক ব্যক্তির এহেন কর্মকান্ড নিঃসন্দেহে দুঃখজনক। তবে, এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাঃ গোলাম রাজ্জাক চৌধুরীর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
মৌলভীবাজারে গণপূর্ত ও স্বাস্থ্য বিভাগের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ভূমি জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খোঁজ নিয়ে, কাগজাত পর্যবেক্ষনে এবং সদর উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের উপদেষ্টা শেখ মোছাদ্দির হোসেন (আন্টু) এর অভিযোগে জানা গেছে- পাকিস্থান আমলে আপাতঃ জনসাধারণের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পরিচালনার্থে মৌলভীবাজার মহকুমা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য এবং ভবিষ্যতে হাসপাতাল অন্যত্র স্থানান্তর/স্থাপিত হলে মালিক বরাবর দখল হস্তান্তর করার আশ্বাসে শহরের শান্তিবাগ এলাকার শেখ বাড়ী’র বাসিন্দা ও সদর উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের উপদেষ্টা শেখ মোছাদ্দির হোসেন (আন্টু) এর পূর্বপুরুষ ১০৬ নং জেএলস্থিত মৌলভীবাজার মিউনিসিপ্যারিটি মৌজার ১৭৬০ নং দাগের ৩৯৫/৩ নং হোল্ডিংযুক্ত বাংলোসমেত ১.২৭ একর ভূমি বিনা ভাড়ায় ব্যবহারের জন্য মৌখিকভাবে মৌলভীবাজার মহকুমা হাসপাতালকে প্রদান করেছিলেন। কিন্তু, পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের ৬৩০৩ নং এবং গণপূর্ত বিভাগের ২৫২৩/২৫২২ নং খতিয়ানে রেকর্ড করানোর মাধ্যমে উক্ত ভূমিটুকু সরকারীকরণের চেষ্টা চালানো হয় এবং একপর্যায়ে তা মৌলভীবাজার গণপূর্ত বিভাগ তাদের নামে রেকর্ড করিয়ে নেয়। অপরদিকে, পরবর্তীতে বর্তমান সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্থানে মহকুমা হাসপাতাল স্থানান্তর করা হলেও, বাংলোসমেত উক্ত ভূমিটুকু মালিক বরাবর হস্তান্তর না করে সার্জনের বাসভবন হিসাবে ব্যবহার অব্যাহত থাকে। সেই থেকে বিষয়টি নিয়ে ভূমি মালিকের উত্তরাধিকার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে দেন দরবার করে আসলেও স্বাস্থ্য বিভাগ নির্বিকার ভূমিকা পালন করতে থাকলে বাধ্য হয়ে ভূমি মালিক ঢাকাস্থ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক, মৌলভীবাজার সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও মৌলভীবাজার মডেল থানায় এ ব্যাপারে অভিযোগ করেন। এদিকে, বর্তমান সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্থান থেকে জেলা হাসপাতালটি শহরের শ্রীমঙ্গল রোডস্থ নিজস্ব ভূমিতে স্থানান্তর হবার পর, বাংলোসমেত উক্ত ভ’মিটুকু পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা সত্তেও নানা অজুহাতে ভূমি মালিকের উত্তরাধীকারীর অনুকুলে এর দখল হস্তান্তর করা হয়নি। একপর্যায়ে, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ভূমি মালিকের উত্তরাধীকার ভূমিটুকু তার নিজ দখলে নেয়ার কার্যক্রম শুরু করলে মৌলভীবাজার গণপূর্ত বিভাগ তড়িঘড়ি করে টিনের বেড়া দিয়ে ভ’মিটুকু জবরদখল প্রক্রিয়া শুরু করায় তা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে ২০১১ সালে উক্ত ভুমির উত্তরাধীকার মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভূমিটুকুর ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে গণপূর্ত বিভাগের কাছে উক্ত ভ’মির ব্যাপারে তথ্য চাওয়া হয়। কিন্তু, গণপূর্ত বিভাগ তাদের অনুকুলে কাগজাত প্রদর্শনে ব্যর্থ হয় এবং ভূমি মালিকের উত্তরাধিকারীর পক্ষে রেকর্ড প্রদানসহ সকল কার্য সম্পাদনের জন্য বিগত ২২/০৭/২০১২ইং তারিখে সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অনুরোধ করে। এর প্রেক্ষিতে ভূমি মালিকের উত্তরাধিকারী সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়ে যোগাযোগের মাধ্যমে গত ৩০/১১/২০১১ইং তারিখে সেটেলমেন্ট অফিসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদন (ডকেট নং ৩৪/৩৫) করেন। সেটেলমেন্ট অফিসে প্রক্রিয়াধীন থাকাবস্থায় বিষয়টি জানতে পেরে মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন গোলাম রাজ্জাক চৌধুরী তড়িঘড়ি করে সদর হাসপাতালের হেডক্লার্ক বেপারীকে বসবাসের জন্য উক্ত ভূমিস্থিত বাংলোটি ভাড়া দিয়ে দেন এবং অদ্যাবধি প্রতিমাসে প্রাপ্ত ভাড়ার অর্থ আতœসাৎ করে চলেছেন। ভূমি মালিকের উত্তরাধীকার শেখ মোছাদ্দির হোসেন (আন্টু) এ ব্যাপারে সিভিল সার্জনের সাথে যোগাযোগ করলে, সিভিল সার্জন অচিরেই বাংলোসমেত উক্ত ভূমিটুকু তার অনুকুলে দখল হস্তান্তর করার আশ্বাস দিলেও, এর মাত্র ৩ দিনের মধ্যেই রাতের অন্ধকারে উক্ত বাংলোয় “প্রস্তাবিত সিভিল সার্জনের বাসভবন, মৌলভীবাজার” লিখা সাইনবোর্ড স্থাপন করে সিভিল সার্জন ডাঃ গোলাম রাজ্জাক চৌধুরী তা জবরদখল প্রক্রিয়া শুরু করে দেন। সিভিল সার্জন ডাঃ গোলাম রাজ্জাক চৌধুরী কর্তৃক রাতের অন্ধকারে উক্ত বাংলোয় “প্রস্তাবিত সিভিল সার্জনের বাসভবন, মৌলভীবাজার” লিখা সাইনবোর্ড স্থাপনের ঘটনায় উক্ত ভূমি মালিকের উত্তরাধিকার ও সদর উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের উপদেষ্টা শেখ মোছাদ্দির হোসেন (আন্টু) ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জানান- জেলার স্বাস্থ্য বিভাগীয় প্রধানের মত একজন দায়িত্বশীল এবং ধার্মিক ব্যক্তির এহেন কর্মকান্ড নিঃসন্দেহে দুঃখজনক। তবে, এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাঃ গোলাম রাজ্জাক চৌধুরীর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •