কমলগঞ্জ পৌর আল ইসলাহ’র উদ্যোগে জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশকের ফজিলত ও আমল শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : পবিত্র জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশকের ফজিলত, গুরুত্ব ও করণীয় আমল সম্পর্কে মানুষের হৃদয়ে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আনজুমানে আল ইসলাহ’র কমলগঞ্জ পৌর শাখার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও আমল ও ফজিলত শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৭ মে রবিাবর কমলগঞ্জ উপজেলা মডেল জামে মসজিদের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এ সেমিনারে পৌর শাখার সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম আজমীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ আবদুল জলিলের পরিচালনায় শুরুতে পবিত্র কুরাআনুল কারিম তেলাওয়াতের মাধ্যমে সেমিনার শুরু হয়।
সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আনজুমানে আল ইসলাহ শমসেরনগর ইউনিটের জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওলানা হুসাম উদ্দীন সাহেব।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি মূফতী মাওলানা শামছুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন মৌলভীবাজার জেলা আল ইসলাহ সদস্য কাজী মাওলানা আলম চৌধুরী, বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ চুনারুঘাট মাধ্যমিক অফিসার মুহাম্মদ কাওছার শুকরানা, লতিফিয়া ক্বারী সোসাইটির কমলগঞ্জ উপজেলার সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল জলিল, বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামীয়া কমলগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি ছাত্রনেতা মোহাম্মদ শামিম আহমদ, কমলগঞ্জ উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ মশহুদুর রহমান, পৌর শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা আবদুল আহাদ, পৌর ইউনিটের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ মাওলানা মাহমুদুর রহমান চৌধুরী, মুহাম্মদ আবদুল বাছিত প্রমুখ।
সেমিনারে আনজুমানে আল ইসলাহ পৌর শাখার বিভিন্ন ওয়ার্ড শাখার নেতা-কর্মী বৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, আলেম-উলামা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, পবিত্র বরকতময় জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন আল্লাহ তাআলার নিকট অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতময়। এ সময় বেশি বেশি নফল ইবাদত, তওবা-ইস্তিগফার, তাকবির, তাসবিহ তাহলিল, কুরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ও রোজা পালনের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়। যদি সুযোগ হয় তাহলে জিলহজ্জ মাসেই ৯ রোজা পালন করা, বিশেষ করে আরাফার দিনের রোজার গুরুত্ব ও কুরবানির তাৎপর্য নিয়েও আলোচনা করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, শবে বরাত ও শবে কদরের যে আমরা গুরুত্বপূর্ণ মনে করি ঠিক তেমনি জিলহজ্জ মাসে ও আমরা আমলের গুরুত্ব দুলতে হবে কারণ এটা বরকতময় হজ্জের মাস। মুসলিম উম্মাহর উচিত এই বরকতময় দিনগুলোকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি দেশ-জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।



মন্তব্য করুন