গণশুনানীতে কুলাউড়ার ৩ ইউনিয়নবাসী- প্রয়োজনে মামলা ও আন্দোলন তবুও শমসেরনগর থানায় নয়

বিশেষ প্রতিনিধি॥ মৌলভীবাজারের শমসেরনগরকে প্রশাসনিক থানা হিসেবে ঘোষণার আগে গণশুনানীতে হাজীপুর ইউনিয়নবাসী দ্বিমত পোষণ করেছে। যদি মধ্যবর্তী স্থান হাজীপুরকে থানায় রূপান্তর করা হলে সেট্া মেনে নেবে। হাজীপুরের সাথে কুলাউড়ার শরীফপুর ও টিলাগাঁও ইউনিয়নবাসী শমসেরনগর থানায় সম্পৃক্ত হতে অস্বীকৃতি জানিয়ে প্রয়োজনে মামলা ও আন্দোলনে রাজপথে নামার হুমকি দিয়েছে।
১৩ জুন হাজীপুর ইউনিয়নে শমসেরনগরকে প্রশাসনিক থানা করার লক্ষ্যে গণশুনানী অুনষ্ঠিত হয়। কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) তানভীর হাসান। শুনানীতে হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার, গণ্যমান্যব্যক্তিবর্গসহ শতাধিক লোকজন উপস্থিত ছিলেন। সবার একটাই বক্তব্য, শমসেরনগর একপাশে। হাজীপুর মধ্যবর্তী স্থান। হাজীপুর থানা হলে তাদের কোন আপত্তি নাই। কিন্তু শমসেরনগরে সম্পৃক্ত হতে চায় না কেউ। হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চু জানান, কোনভাবেই হাজীপুরবাসী শমসেরনগরের সাথে সম্পৃক্ত হবে না। প্রয়োজনে কুলাউড়া থানায় থাকবে। যদি থানাই করতে হয় তাহলে হাজীপুরকে করা হোক। এখানে জায়গা জমিসহ সকল অবকাঠামোগত সুবিধা রয়েছে।
এদিকে টিলাগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালিক জানান, কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌঃ গোলাম রাব্বির সমস্যা থাকায় তিনি গণশুনানীতে আসতে না পারায় টিলাগাঁও ইউনিয়নে গুণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়নি। হাজীপুর হোক আর শমসেরনগর হোক আমাদের কোন আপত্তি নেই। আমরা নতুন কোথাও যেতে চাই না। টিলাগাঁওবাসী কুলাউড়া থানায় থাকতে চায়। এতে আন্দোলন মামলা যা করার প্রয়োজন ইউনিয়নের মানুষ করতে প্রস্তুত।
এব্যাপার কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) তানভীর হাসান জানান, হাজীপুরের বেশিরভাগ মানুষের মতামত হাজীপুরকে থানা করার। গৃহিত মতামত যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।



মন্তব্য করুন