ইউপি চেয়ারম্যান রানু বেগমের বসত ঘর কুশিয়ারা নদীতে ফেলে দিয়েছেন : সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

October 11, 2017,

স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অরবিন্দু পোদ্দার বাচ্চু ও তাঁর বাহিনী’র বিরুদ্ধে বসত ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে নদী গর্ভে ফেলে দেয়া, বিদ্যুৎতের মিটার খুলে নেয়া এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণা লংকার লুটের অভিযোগ এনে মঙ্গলবার ১০ অক্টোবর দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম গ্রামের মরহুম দিলাওর মিয়া’র স্ত্রী মোছাঃ রানু বেগম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছর থেকে সদর উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম মৌজার ১১৬ খতিয়ানের সাড়ে ৬ শতক জায়গা ক্রয় করে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছি। গত ২১ এপ্রিল স্বামী মারা যাওয়ার পর ১৩ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যান অরবিন্দু পোদ্দার বাচ্চু ও তার ৩০/৩৫ জনের বাহিনী নিয়ে বসত ঘরে লুটপাট করেন। এসময় তিনি বাড়িতে না থাকায় স্কুল কলেজ পড়–য়া সন্তানরা প্রাণের ভয়ে ঘর থেকে বাহির হয়ে যায়। এই সুযোগে চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী বাহিনী ঘরের চেয়ার, টেবিল, স্টিলের আলমারীসহ আসবাবপত্র ভাংচুর করে ও বাড়ির পূর্ব পাশের একটি টিনশেড ঘর ভেঙ্গে কুশিয়ারা নদীতে ফেলে দেয়। যাওয়ার সময়  আলমারীতে থাকা নগদ ৪৩ হাজার টাকা ও ৭ভরি স্বর্ণলংকার নিয়ে যায়। লুটপাটের সময় খলিলপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সাথে পার্শ্ববর্তী মনুমুখ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেফুল মিয়াও তার ১৫ বছরের মেয়ে’র সাথে অশালীন আচরণ করার অভিযোগ করেন রানু বেগম।
বর্তমানে রানু বেগম স্কুল কলেজ পড়–য়া ছেলে-মেয়েদের নিয়ে নিরাপত্তাহীনতা ও মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয়ে দিনকাল অতিক্রম করছেন বলে জানান।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com