তথ্য অধিকার আইন ভালোভাবে ব্যবহার করা গেলে কোন প্রতিষ্ঠানে দূর্নীতি করার সুযোগ থাকবে না-তথ্য কমিশনের পরিচালক

সাইফুল ইসলাম॥ তথ্য কমিশনের পরিচালক মোঃ আব্দুল হাকিম বলেছেন, ‘তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ যদি ভালোভাবে ব্যবহার করা যায় তাহলে দেশের যে কোন প্রতিষ্ঠানে দূর্নীতি করার আর সেই সুযোগ থাকবে না। তথ্য অধিকার আইনটি একটি জনবান্ধব আইন এবং খুবই শক্তিশালী। এর মাধ্যমে জনগনের কাছে প্রচুর ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘এই দেশে সাংবিধানিক যতো প্রতিষ্ঠান আছে -যেমন বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও আইন বিভাগ। এই তিনটি বিভাগের সকল অফিসগুলোতে তথ্য প্রদানকারী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে বিকল্প কর্মকর্তা নিয়োগ করতে হবে। এটি মন্ত্রনালয় থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যতো সরকারী অফিস আছে সকল অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে নিয়োগ করতে হবে।
তিনি ১৮ ডিসেম্বর সোমবার সকালে স্থানীয় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন। এতে উপজেলার সকল সরকারী, আধা সরকারী, বেসরকারী স্কুল-কলেজ, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান ও এনজিও প্রধানগণ অংশ নেন।
এসময় তিনি কালকের (মঙ্গলবার) মধ্যে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সকল সরকারী অফিসে দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা ও বিকল্প কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য সরকারী কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মোবাশশেরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রণধীর কুমার দেব, ভাইস চেয়ারম্যান প্রেমসাগর হাজরা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হেলেনা চৌধুরী।
এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম ইদ্রিস আলী, উন্নয়ন কর্মী এসএ হামিদ, সাংবাদিক কাওছার ইকবাল, রজত শুভ্র চক্রবর্তীসহ আরো অনেকে।
সভায় তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আবেদনকারীদেরএকটি নির্দেশিকা বিতরণ করা হয়।



মন্তব্য করুন