মৌলভীবাজারের তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন এসপি পদে পদোন্নতি

November 12, 2018,

স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজারের তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন পুলিশ সুপার (এসপি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।

৭ নভেম্বর বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়। ২০০৬ সালে ২৫ তম বিসিএস’এ উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। তাঁর নিজ জেলা ভোলার এই কৃতি সন্তান। দীর্ঘ চাকরী জীবনে অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে অপরাধ দমনে দায়িত্ব পালন করেন।

আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রন ও অপরাধ দমনের জন্য আলমগীর হোসেন রাষ্ট্রিয় দু’টি পুরস্কার রাষ্ট্রপ্রতি পুলিশ পদক ২০১২ এবং আইজিপি ব্যাজ পদক ১১ পেয়েছেন। সিনিয়র এএসপি থাকাকালিন সময়ে রাষ্ট্রপ্রতি পুলিশ পদক ২০১২ প্রধানমন্ত্রী তার হাতে তোলে দেন এবং আইজিপি ব্যাজ পদক পরিয়ে দেন তৎকালিন আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার।

২০০৬ সালে ২৫ তম বিসিএস’এ উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। দায়িত্বের প্রতি অবিচল থেকে তিনি যেখানেই কর্মরত ছিলেন সেখানেই সাহসিক ভূমিকা রাখেন। মৌলভীবাজার সদর সার্কেলে ২০১০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যোগ দেন। পরে জেলার কুলাউড়া সার্কেলে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি যোগ দেন। ওই সময়ে মৌলভীবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব পালন করেন।

মৌলভীবাজারে দায়িত্ব পালনকালে একাধিক আলোচিত মামলার ক্লু উদঘাটন করে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেন। কর্মক্ষেত্রে নিজেকে দক্ষ ও সাহসি পুলিশ অফিসার হিসেবে প্রমাণ করলেও পরে মৌলভীবাজার জেলায় সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) হিসেবে ৪ বছরেরও বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেন। সেখানেও তিনি দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে ডাকাতও দস্যুদের বিরুদ্ধে দুঃসাহসিক অভিযান পরিচালনা করে কৃতিত্ব দেখান। এ সফলতা থেকে তিনি রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পিপিএম এবং আইজিপি ব্যাজ পদক লাভ করেন। পরে তিনি ঢাকা মেট্রোতে টানা ৪ বছর দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া এন্টিটেররিজম ইউনিটেও ৫ মাস দায়িত্ব পালন করেন। পুলিশের নানা কৌশল প্রশিক্ষণ গ্রহনে মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামে পুলিশ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ প্রশিক্ষণ নেন। সর্বশেষ তিনি ব্রাম্মনবাড়িয়া জেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে তিনি চরমপন্থী সন্ত্রাসে ভরপুর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা কুষ্টিয়ার শান্তি ফেরানোর নেপথ্য নায়ক কুষ্টিয়ার সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালন কালে তিনি একে ৪৭ এর মতো অস্ত্রো সহ আন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করেন।

এই নিষ্ঠাবান সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের জানান আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে দেশ ও জাতির স্বার্থে অবিচল থেকে দায়িত্ব পালন করতে চান। অত্যন্ত সাদামাটা জীবন-যাপনকারী পুলিশের এই কর্মকর্তার জন্ম ভোলা জেলার সদর উপজেলার ধনিয়া এলাকায়।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com