রাজনগরে রমজান শুরুর রাতেই দীর্ঘ লোডশেডিং

রাজনগর প্রতিনিধি॥ রাজনগরে পবিত্র মাহে রমজানের প্রথম রাতেই দীর্ঘ লোডশেডিং। সেহরি সময় বিদ্যুতের দেখা নেই। অনেক কষ্ট করে তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুতবিহীন ছিল পুরো রাজনগর উপজেলাবাসী। রাত বারোটার দিকে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর সকাল ছয়টার দিকে আসে। যে সময় আর গ্রাহকের প্রয়োজন নয়। কয়েকদিন থেকে দিন-রাতে ৫ থেকে ৬ বার লোডশেডিং হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন গ্রাহকরা। জানা গেছে, রাজনগর উপজেলা সদর সহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে ব্যাপক লোডশেডিং। এতে মানুষকে তীব্র গরমের মধ্যে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। উপজেলা সদর সহ এলাকার ভুক্তভোগীরা বলছেন, দিন ও রাত মিলে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এতে করে রাতের বেলায় বেশি ভোগান্তিতে পড়ছি আমরা। রমজানের প্রথম সেহরি অন্ধকারের মধ্যে ছিল। এই ভাবে রমজান মাসে লোডশেডিং হলে অনেক কষ্ট হবে আমাদের। দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি এতে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার কাজও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রতিবেদকের সাথে আলাপে অনেক গ্রাহক জানান, সোমবার দিবাগত রাতে সেহরির প্রথম রাত ছিল। কিন্তু শুরু তে সারা রাত বিদ্যুৎ ছিলনা। সকাল ছয়টার দিকে এসেছে, যে সময় আর প্রয়োজন নয়। কয়েকদিন ধরে দিনে অন্তত পাচঁ থেকে ছয় বার লোডশেডিং হচ্ছে। রাতে আবারও দুই একবার। এসময় চরম অশান্তিতে ভুগতে হয়। শুধু মুখে শুনি, বিদ্যুতে রেকর্ড, লক্ষ্য ছাড়িয়ে যাচ্ছে । কিন্তু সেই বিদ্যুৎ কোথায়? গ্রাহকরা আরো বলেন, আসলে বিদ্যুৎ না থাকলে শিশু বাচ্চা নিয়ে এই গরমে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এখানে মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন নাকি বিতরণে শুভঙ্করের ফাঁকি তা খতিয়ে দেখতে হবে। আমরা তো টাকা দেবো, তাহলে কেন এই ভোগান্তি নেব? এটা সহ্য করার মতো না। ইফতার, তারাবির নামাজ ও সেহরিতে বিদ্যুৎ না থাকলে অনেক কষ্ট হয়। তবে রাজনগরের বিদ্যুৎ অফিস বলছে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির রাজনগর সাব-জোনাল অফিসের এজিএম গোলাম ফারুক মীর বলেন, সোমবার দিবাগত রাতে বিদ্যুৎ না থাকার কারণ হল সোমবার বিকেলে মুন্সিবাজার, গয়াসপুর ও ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকায় ঝড়বৃষ্টি হয়। সে জন্য ৭ মে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত লাইন বন্ধ ছিলো। বর্তমানে ঝড়বৃষ্টির জন্য লোডশেডিং সমস্যা হচ্ছে।



মন্তব্য করুন