রাজনগরে অভিনব পন্তায় লটারীর মাধ্যমে কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়

আউয়াল কালাম বেগ॥ মৌলভীবাজারের রাজনগরে সরকারী ভাবে ধান ক্রয় করতে লটারীরর মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষককে নির্বাচিত করা হয়েছে ১১ জুলাই বৃহস্পতিবার জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর লটারীরর মাধ্যমে ১হাজার ৫১জন কৃষককে নির্বাচিত করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী (ভুমি) মাহমুদুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহাদুল ইসলাম, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি মাহমুদুর রহমান, সাধারন সম্পাদক আকলু মিয়া চৌধুরী, প্রেসক্লাব সভাপতি আউয়াল কালাম বেগ, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা মলয় চন্দ্র দেবনাথ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিজয় কুমার দেব। জানাযায় প্রথম ধাপে ধান ক্রয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে অনিয়মের খবর প্রচারের পর সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার জন্য এমন প্রদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয় থেকে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে মাইকিং করে কৃষকদের কার্ড জমা দিতে বলা হয়। রবিবার সকাল থেকে ধান বিক্রি করতে ইচ্ছুক কৃষকদের কাছ থেকে কৃষিকার্ড সংগ্রহ করা হয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান এতে প্রায় ১ হাজার তিনশ জন কৃষক সরকারের কাছে ধান বিক্রয় করতে কাড জমা দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন উপজেলা অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালার আলোকে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন থেকে মোট ৫৮৪ মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহের জন্য প্রান্তিক কৃষক ও মহিলা কৃষকদের অগ্রাধিকার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই লক্ষ্যে কৃষকদের কাছ থেকে কৃষি কার্ড সংগ্রহের জন্য মাইকিং করা হয়েছে। যাদের নিজস্ব জমি আছে এমন কৃষকদের কার্ড যাচাই-বাছাই করে কার্ডের ফটোকপিতে জমির পরিমাণ বিবেচনা করে বিক্রয়যোগ্য ধানের পরিমাণ উল্ল্যেখ করে দিচ্ছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। এসব ফটোকপি ৮টি ইউনিয়নের কৃষকদের জন্য স্থাপিত আলাদা আলাদা অস্থায়ী বাক্সে (ড্রাম) ফেলছেন কৃষকরা। মঙ্গলবার পর্যন্ত এভাবে কার্ড সংগ্রহ চলে। পরে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মুখে লটারীর মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকরা ধান বিক্রি করতে পারবেন। নির্বাচিতদের তালিকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস, কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় ও উপজেলা খাদ্য গুদামের নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে দেয়া হয়। অধিক সংখ্যক কৃষককে সুযোগ দেয়ার জন্য এবার একজন কৃষক ১২০ কেজি থেকে শুরু করে ১ মেট্রিক টন পর্যন্ত ধান বিক্রি করতে পারবেন।



মন্তব্য করুন