বড়লেখা ঈদগাহ বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় গোপনে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পায়তারা চালানোর অভিযোগ

আব্দুর রব॥ বড়লেখার ঈদগাহ বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গোপনে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পায়তারা চালানোর অভিযোগ করছেন স্কুল পরিচালনা কমিটির ২ সদস্য, ২২ জন অভিভাবক ও আগ্রহী প্রধান শিক্ষক পদপ্রার্থীরা। গোপনে চালানো এ নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের দাবীতে তারা ইউএনও বরাবরে পৃথক অভিযোগ দিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে স্কুল কমিটিতে দ্বিধা-বিভক্তি দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুহিবুর রহমান পছন্দের ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে সরকারী ছুটি থাকা কালিন গত ঈদুল আজহার আগের দিন পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেন। ওইদিন বাজার থেকে পত্রিকাগুলো গায়েব করা হয়। এতে প্রধান শিক্ষক পদের আগ্রহী অনেক প্রার্থীই আবেদন করতে পারেননি।
গ্রামতলা দাখিল মাদ্রাসার সহ-সুপার আব্দুল করিম ও ইউনাটেড উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পলি মালাকার জানান, ঈদগাহ বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে আবেদন করার জন্য তারা প্রতীক্ষায় ছিলেন। কিন্তু লম্বা ছুটির দিনে অতি গোপনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পত্রিকাগুলো বাজার থেকে তুলে নেয়ায় সার্কুলারের পত্রিকা না পেয়ে তারা আবেদন করতে পারেননি। এ সমস্যায় আরো অনেকেই আবেদন করতে পারেননি বলে তারা জানান।
স্কুল কমিটির সদস্য ফখরুল ইসলাম ও হাবিবুর রহমান জানান, ঈদের ছুটিতে মানুষজন যখন ঈদের ব্যস্ততায় অন্যমনস্ক আর তখনই ১১ আগস্ট স্কুল কমিটির সভাপতি তার পছন্দের ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে গোপনে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পত্রিকাগুলো বাজার থেকে উধাও করে দেন। এতে এলাকার যোগ্যতা সম্পন্ন আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করা থেকে বঞ্চিত হন। গোপন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বাতিলের জন্য তারা ইউএনও বরাবরে অভিযোগ দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুহিবুর রহমান জানান, স্কুল বন্ধ থাকলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে না এমন বিধি বিধান রয়েছে বলে তার জানা নেই। বহুল প্রচলিত জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন। কোন প্রার্থীর পত্রিকা সংগ্রহ করতে না পারার দায় স্কুল কর্তৃপক্ষের নয়।
ইউএনও মো. শামীম আল ইমরান জানান, পৃথক অভিযোগ দু’টি পেয়েছেন। তদন্ত করতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নিবেন।



মন্তব্য করুন