মৌলভীবাজারে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত : আদিবাসী সম্পর্কিত চুক্তির বাস্তবায়ন দাবী

August 16, 2013, এই সংবাদটি ৪১৩ বার পঠিত

সংবিধানে আদিবাসীদের উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আদিবাসী জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে যেসব আন্তর্জাতিক চুক্তিতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছে, সেসব বাস্তবায়নে সরকারগুলো আন্তরিকতা দেখায়নি, এখনো দেখাচ্ছে না। নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে তা সহজেই ভুলে যান শাসকেরা। ১৬ আগস্ট শুক্রবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আদিবাসী দিবস উদযাপন কমিটি-২০১৩, কুলাউড়া কতৃক আয়োজিত অনুষ্টানে এসব কথা বলেন দেশের আদিবাসী নেতা, মানবাধিকার কর্মী, এবং মহাজোট সরকারের সাংসদ।দিবসটি উদযাপন হয় কুলাউড়ার লক্ষীপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত হয় ৯ আগস্ট। তবে এ বছর সেদিন ঈদের ছুটি থাকায় গতকাল দিবসটি নানা আয়োজনে পালিত হলো। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘আদিবাসীদের অধিকারসংক্রান্ত সকল চুক্তি ও অঙ্গীকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ও আদিবাসী ফোরামের ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং বলেন, ৪২ বছরে যেসব সরকার ও শাসক এসেছেন, তাঁরা আদিবাসীদের প্রতি সব সময় বৈরী মনোভাব দেখিয়েছেন। এর ফলে সমতল ও পাহাড়ের আদিবাসীরা তাদের জীবনধারা হারাতে বসেছে। তিনি অভিযোগ করেন, ১৫-২০ বছর ধরে আদিবাসী দিবস পালন করা হলেও আদিবাসীরা তাদের ভুমির অধিকারসহ কোন অধিকারই পাইনি। তাহলে আদিবাসী দিবস করে কি লাভ । দেশের সংবিধান তৈরির প্রথম দিন থেকেই আদিবাসীদের স্বীকৃতির বিষয়টি চরমভাবে অবহেলিত হয়ে আসছে। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মনিকা খংলা ও লিসি সুমের। স্বাগত বক্তব্য দেন আদিবাসী দিবস উদযাপন কমিটির আহব্বায়ক বাবলী তালাং বলেন, আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংসদ নওয়াব আলী আব্বাস খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভাটিকানের রাষ্টদুত মনসিনিয়র মাসিমো, সিলেট ধর্ম প্রদেশের প্রদেশপাল বিজয় এন ডি ক্রজ ও এম আই,কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুল ইসলাম, কমর্ধা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সহিদ বাবুল, কারিতাস সিলেটের কর্মসূচী কর্মকর্তা বনিফাস খংলা, খাসি আদিবাসী লেখক ও গবেষক রুশ পঃতাম, কুবরাজ আন্তঃ পুঞ্জি উন্নয়ন সংগঠনের উপদেষ্ঠা পাস্টার পাইরিন সুটিং,কবি সাহিত্যিক আকমল হোসেন নিপু, লক্ষ্যীপুর মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফা ঃ সুধীর গমেজ,ওএমআই, আইনজীবি সমিতি মৌলভীবাজার জেলার সাবেক সাধারন সম্পাদক, এডঃ ডাডলি প্রেন্টিস । অন্যান্যের মধ্যে সংহতি বক্তব্য রাখেন মনিপুরী জনগোষ্ঠীর পক্ষে বীরেন্দ্র কুমার সিংহ, চা জনগোষ্ঠীর পক্ষে মোহন রবিদাশ ,আই.পি.ডি.এস অফিস ইনচাজ অরিজেন খংলা, আদিবাসী নারী নেত্রী মনিকা খংলা, খাসি ও গারো জনগোষ্ঠীর পক্ষ সিলভেষ্টার পাঠাং, বাগাছাস, কুলাউড়া শাখার সভাপতি তমাল আজিম প্রমূখ।
সংবিধানে আদিবাসীদের উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আদিবাসী জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে যেসব আন্তর্জাতিক চুক্তিতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছে, সেসব বাস্তবায়নে সরকারগুলো আন্তরিকতা দেখায়নি, এখনো দেখাচ্ছে না। নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে তা সহজেই ভুলে যান শাসকেরা। ১৬ আগস্ট শুক্রবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আদিবাসী দিবস উদযাপন কমিটি-২০১৩, কুলাউড়া কতৃক আয়োজিত অনুষ্টানে এসব কথা বলেন দেশের আদিবাসী নেতা, মানবাধিকার কর্মী, এবং মহাজোট সরকারের সাংসদ।দিবসটি উদযাপন হয় কুলাউড়ার লক্ষীপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত হয় ৯ আগস্ট। তবে এ বছর সেদিন ঈদের ছুটি থাকায় গতকাল দিবসটি নানা আয়োজনে পালিত হলো। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘আদিবাসীদের অধিকারসংক্রান্ত সকল চুক্তি ও অঙ্গীকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ও আদিবাসী ফোরামের ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং বলেন, ৪২ বছরে যেসব সরকার ও শাসক এসেছেন, তাঁরা আদিবাসীদের প্রতি সব সময় বৈরী মনোভাব দেখিয়েছেন। এর ফলে সমতল ও পাহাড়ের আদিবাসীরা তাদের জীবনধারা হারাতে বসেছে। তিনি অভিযোগ করেন, ১৫-২০ বছর ধরে আদিবাসী দিবস পালন করা হলেও আদিবাসীরা তাদের ভুমির অধিকারসহ কোন অধিকারই পাইনি। তাহলে আদিবাসী দিবস করে কি লাভ । দেশের সংবিধান তৈরির প্রথম দিন থেকেই আদিবাসীদের স্বীকৃতির বিষয়টি চরমভাবে অবহেলিত হয়ে আসছে। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মনিকা খংলা ও লিসি সুমের। স্বাগত বক্তব্য দেন আদিবাসী দিবস উদযাপন কমিটির আহব্বায়ক বাবলী তালাং বলেন, আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংসদ নওয়াব আলী আব্বাস খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভাটিকানের রাষ্টদুত মনসিনিয়র মাসিমো, সিলেট ধর্ম প্রদেশের প্রদেশপাল বিজয় এন ডি ক্রজ ও এম আই,কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুল ইসলাম, কমর্ধা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সহিদ বাবুল, কারিতাস সিলেটের কর্মসূচী কর্মকর্তা বনিফাস খংলা, খাসি আদিবাসী লেখক ও গবেষক রুশ পঃতাম, কুবরাজ আন্তঃ পুঞ্জি উন্নয়ন সংগঠনের উপদেষ্ঠা পাস্টার পাইরিন সুটিং,কবি সাহিত্যিক আকমল হোসেন নিপু, লক্ষ্যীপুর মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফা ঃ সুধীর গমেজ,ওএমআই, আইনজীবি সমিতি মৌলভীবাজার জেলার সাবেক সাধারন সম্পাদক, এডঃ ডাডলি প্রেন্টিস । অন্যান্যের মধ্যে সংহতি বক্তব্য রাখেন মনিপুরী জনগোষ্ঠীর পক্ষে বীরেন্দ্র কুমার সিংহ, চা জনগোষ্ঠীর পক্ষে মোহন রবিদাশ ,আই.পি.ডি.এস অফিস ইনচাজ অরিজেন খংলা, আদিবাসী নারী নেত্রী মনিকা খংলা, খাসি ও গারো জনগোষ্ঠীর পক্ষ সিলভেষ্টার পাঠাং, বাগাছাস, কুলাউড়া শাখার সভাপতি তমাল আজিম প্রমূখ। সংবাদদাতা॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •