জেলা ছাত্রদলের আহবায়ককে মিথ্যা মামলা জড়ানোর কারনে ফুসে উঠেছে সারা জেলার নেতাকর্মীরা

August 22, 2013, এই সংবাদটি ২৭১ বার পঠিত

জেলা বি.এন.পির গ্রুপিং-এর সূত্র ধরে অঙ্গ-সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলেও গ্রুপিং-এর বাষ্প ঘনীভূত হচ্ছে। ছাত্র দলের গ্রুপিং-এর জের ধরে গত এক মাসে পক্ষ-প্রতিপক্ষের মধ্যে ৫টি ছোট বড় সংঘর্ষ হয়েছে। এ সমস্থ সংঘর্ষে আহত হয়েছেন আনোয়ার হোসেন কামাল, শামিম, মোবেদ আহমদ এবং ইসহাক সহ কয়েকজন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এম.পি নাসের রহমান এবং কেন্দ্রীয় বি.এন.পির মহিলা বিষয় সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক বেগম খালেদা রব্বানীর নেতৃত্বে দু’গ্রুপে বিভক্ত জেলা বি.এন.পির প্রতি সংহতি প্রকাশ নিয়ে ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে গত এক মাস পূর্ব থেকেই। শহরের চৌমুহনাস্থ ভেলী টাওয়ার এলাকা কলেজ গেট ও পুরনো হাসপাতাল সড়ক এবং সর্বশেষ গত ১৯ আগষ্ট বড়হাট এলাকায় দু’টি সংঘর্ষ হয়েছে। সর্বশেষ সংঘর্ষ ঘটে দুই ছিনতাইকারীকে আটক নিয়ে। ধৃত দুই ছিনতাইকারী ছাত্রদলের সদস্য কি না এ বিষয়ে পৌর কাউন্সিলর মাসুদ আহমদ জানতে চাইলে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সরওয়ার মজুমদার ইমন জানান, আটককৃত ছিনতাইকারী ছাত্রদলের কোন সদস্য নয়। তাদেরকে পুলিশের সপোর্দ করার জন্য বলেন। এছাড়াও ছাত্রদলের মধ্যে কিছু কিছু মতবিরোধ সৃষ্টি হলেও তা অবিলম্বে সমাধান হয়ে যাবে। বিষয়গুলো অন্যদিকে ছাত্রদলের অপরপক্ষ ধৃতদেরকে ছাত্রদলের সদস্য দাবী করায় সংঘর্ষ বাঁধে। সেই সংঘর্ষে এলাকাবাসীর হামালায় আহত হন আনোয়ার হোসেন কামাল বলে জানা যায়। সংঘর্ষের জের ধরে থানায় ৪টি মামলা হয়েছে। মামলায় ছাত্রদলের জেলা আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জ্বলকেও আসামী করা হয়েছে। এ নিয়ে শহরে থম থমে অবস্থা বিরাজ করছে। বিরোধের জের ধরে আরও বড় মাপের সংঘর্ষের আশংকা করছেন সচেতন মহল। একটি সূত্রে জানা গেছে, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জ্বল যুগ্ম আহবায়ক গাজী মারুফ সহ ১৬ জন যুগ্ম আহবায়ক একই অবস্থানে রয়েছেন। অপরদিকে অন্যতম যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসেন কামালসহ গোটা কয়েক নেতৃবৃন্দ জেলা বিএনপির সভাপতি নাসের রহমানের পক্ষবলম্বন করেছেন। এই দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্যের প্রশ্নে সংঘর্ষ এবং সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে মামলা হচ্ছে। তাঁর সাথে রয়েছে পরস্পর বিরোধী প্রচারণা। এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জ্বল-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছাত্রদলে কোন গ্রুপিং নেই। তবে ছাত্রদলের নাম ভাঙিয়ে একটি মহল আধিপত্য বিস্তারের তৎপর রয়েছে। আনোয়ার হোসেন কামাল-কে স্বেচ্ছা-সেবক দলের নেতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্রদলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ক্ষেত্রে তিনি অপচেষ্টা করছেন। এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসেন কামাল বলেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের নিয়ন্ত্রিত ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলায় আহত হয়ে আমি হাসপাতালে। এদিকে আগামী ২৬ আগষ্ট বি.এন.পির কেন্দ্রীয় নেতারা এক সাংগঠনিক সফরে মৌলভীবাজার আসছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিবদমান জেলা বি.এন.পির দুই গ্রুপ এ উপলক্ষে একই স্থানে পৃথক পৃথক ভেনু বেছে নিয়েছেন বলে দলীয় সুত্রে জানা যায়। এদিকে জেলা ছাত্রদলের আহবায়ককে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা করায় সারা জেলার ৭টি উপজেলা ও কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করছে। তারা অভিলম্বে আটক নেতাকর্মীর মুক্তি এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান।
জেলা বি.এন.পির গ্রুপিং-এর সূত্র ধরে অঙ্গ-সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলেও গ্রুপিং-এর বাষ্প ঘনীভূত হচ্ছে। ছাত্র দলের গ্রুপিং-এর জের ধরে গত এক মাসে পক্ষ-প্রতিপক্ষের মধ্যে ৫টি ছোট বড় সংঘর্ষ হয়েছে। এ সমস্থ সংঘর্ষে আহত হয়েছেন আনোয়ার হোসেন কামাল, শামিম, মোবেদ আহমদ এবং ইসহাক সহ কয়েকজন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এম.পি নাসের রহমান এবং কেন্দ্রীয় বি.এন.পির মহিলা বিষয় সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক বেগম খালেদা রব্বানীর নেতৃত্বে দু’গ্রুপে বিভক্ত জেলা বি.এন.পির প্রতি সংহতি প্রকাশ নিয়ে ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে গত এক মাস পূর্ব থেকেই। শহরের চৌমুহনাস্থ ভেলী টাওয়ার এলাকা কলেজ গেট ও পুরনো হাসপাতাল সড়ক এবং সর্বশেষ গত ১৯ আগষ্ট বড়হাট এলাকায় দু’টি সংঘর্ষ হয়েছে। সর্বশেষ সংঘর্ষ ঘটে দুই ছিনতাইকারীকে আটক নিয়ে। ধৃত দুই ছিনতাইকারী ছাত্রদলের সদস্য কি না এ বিষয়ে পৌর কাউন্সিলর মাসুদ আহমদ জানতে চাইলে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সরওয়ার মজুমদার ইমন জানান, আটককৃত ছিনতাইকারী ছাত্রদলের কোন সদস্য নয়। তাদেরকে পুলিশের সপোর্দ করার জন্য বলেন। এছাড়াও ছাত্রদলের মধ্যে কিছু কিছু মতবিরোধ সৃষ্টি হলেও তা অবিলম্বে সমাধান হয়ে যাবে। বিষয়গুলো অন্যদিকে ছাত্রদলের অপরপক্ষ ধৃতদেরকে ছাত্রদলের সদস্য দাবী করায় সংঘর্ষ বাঁধে। সেই সংঘর্ষে এলাকাবাসীর হামালায় আহত হন আনোয়ার হোসেন কামাল বলে জানা যায়। সংঘর্ষের জের ধরে থানায় ৪টি মামলা হয়েছে। মামলায় ছাত্রদলের জেলা আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জ্বলকেও আসামী করা হয়েছে। এ নিয়ে শহরে থম থমে অবস্থা বিরাজ করছে। বিরোধের জের ধরে আরও বড় মাপের সংঘর্ষের আশংকা করছেন সচেতন মহল। একটি সূত্রে জানা গেছে, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জ্বল যুগ্ম আহবায়ক গাজী মারুফ সহ ১৬ জন যুগ্ম আহবায়ক একই অবস্থানে রয়েছেন। অপরদিকে অন্যতম যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসেন কামালসহ গোটা কয়েক নেতৃবৃন্দ জেলা বিএনপির সভাপতি নাসের রহমানের পক্ষবলম্বন করেছেন। এই দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্যের প্রশ্নে সংঘর্ষ এবং সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে মামলা হচ্ছে। তাঁর সাথে রয়েছে পরস্পর বিরোধী প্রচারণা। এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক জাকির হোসেন উজ্জ্বল-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছাত্রদলে কোন গ্রুপিং নেই। তবে ছাত্রদলের নাম ভাঙিয়ে একটি মহল আধিপত্য বিস্তারের তৎপর রয়েছে। আনোয়ার হোসেন কামাল-কে স্বেচ্ছা-সেবক দলের নেতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্রদলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ক্ষেত্রে তিনি অপচেষ্টা করছেন। এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসেন কামাল বলেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের নিয়ন্ত্রিত ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলায় আহত হয়ে আমি হাসপাতালে। এদিকে আগামী ২৬ আগষ্ট বি.এন.পির কেন্দ্রীয় নেতারা এক সাংগঠনিক সফরে মৌলভীবাজার আসছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিবদমান জেলা বি.এন.পির দুই গ্রুপ এ উপলক্ষে একই স্থানে পৃথক পৃথক ভেনু বেছে নিয়েছেন বলে দলীয় সুত্রে জানা যায়। এদিকে জেলা ছাত্রদলের আহবায়ককে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা করায় সারা জেলার ৭টি উপজেলা ও কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করছে। তারা অভিলম্বে আটক নেতাকর্মীর মুক্তি এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •