টানা বর্ষণে মৌলভীবাজার শহরের বিভিন্ন পাড়া ও মহল্লায় জলাবদ্ধতা ॥ জনসাধারনের চরম দূর্ভোগ

September 9, 2013, এই সংবাদটি ৩৭৩ বার পঠিত

টানা বর্ষণে মৌলভীবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে অসহনীয় অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকার বাসাবাড়িতে পানি ওঠে মালপত্র নষ্ট হচ্ছে এবং অফিসগামী লোকজনসহ স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা অসহনীয় দূর্ভোগে পড়েছেন। অন্যদিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভেতর বৃষ্টির পানি উপচে ওঠে ব্যবসার চরম ক্ষতি হচ্ছে। আর এজন্য সবাই পানি নিষ্কাষনের মাধ্যম ড্রেন পরিষ্কার না করাকে দায়ী করে এই দূর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে পৌর মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে দুই দিনের টানা বর্ষণে শহরের গীর্জাপাড়া, পূর্ব গীর্জাপাড়া, সার্কিট হাউস এলাকা, টিবি হাসপাতাল রোড, পাহাড় বর্ষিজুরা, পুরাতন হাসপাতাল সড়ক, পশ্চিমবাজার, দ্বারক, দরকাপন শেখেরগাও ও মোস্তফাপুর এলাকার রাস্তাঘাটে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকার সব শ্রেণি-পেশার লোকজনকে দুইদিন ধরে এক থেকে দুই ফুট পানি মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। কিছু কিছু স্থানে দুই ফুট থেকে শুরু করে হাটু জল এবং একটু নিম্নাঞ্চলে কোমর অবদিও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। তাদের এই দূর্ভোগের সময় জনপ্রতিনিধিদের কাউকেও এ্লাকায় দেখা যায়নি। এলাকাবাসী কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, প্রতি বছর বর্ষা মওসুমে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী কাউন্সিলর ও মেয়রের কাছে বারবার যোগাযোগ করেও কোন সুফল পাচ্ছেন না তারা। রান্না ঘরে পানি ঈস্খবেশ করায় খাওয়া দাওয়া বাহির থেকে এনে করতে হয়। বয়স্ক অনেকেই ঘরে থাকা খাঠের উপর বসে থাকতে হয়েছে। এই জলাবদ্ধতার জন্য অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা ও শহরের পানি নিষ্কাষনের একমাত্র মাধ্যম কোদালী ছড়ার খনন কাজ না হওয়া ও মৎস্য ব্যবসার জন্য শহরের অভ্যন্তরের বেরি লেকের মুখে কৃত্রিম বাঁধ নির্মাণ করাকে দায়ী করছেন। এসব কারণে বৃষ্টি দিলেই পানি নিষ্কাষণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে এই এলাকার বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে মূল্যবান আসবাবপত্র নষ্টসহ শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে চরম দূর্ভোগে পড়েন। গত ১০ বছর ধরে এই বর্ষা মওসুমে এই দূর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের। অন্যদিকে শহরের ব্যবসা কেন্দ্র পশ্চিমবাজারের মুদি ও পোল্ট্রির দোকানে বৃষ্টির পানি উপচে ওঠে জমে তাদের ব্যবসার ক্ষতি করছে। ব্যবসায়ীরা জানান, পানি জমে স্যাঁতস্যাতে অবস্থার সৃষ্টি হয়ে ঠান্ডায় মুরগী মারা যাচ্ছে। কয়েক বছর ধরে পৌর কর্তৃপক্ষ এলাকার ড্রেন পরিষ্কার না করার কারণে এই জলাবদ্ধতায় পড়ে ক্ষতির সম্মূখীন হতে হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানান। এদিকে ব্যাপারে পৌর মেয়র ফয়জুল করিম ময়ূন জানান, শহরের এই জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষে জাইকার ব্যবস্থাপনায় এলজিইডি কোদালী ছড়ার কাজ হাতে নিয়েছে। কিন্তু বর্ষা মওসুম শুরু হওয়ায় কাজটি শেষ করতে না পারায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি জানান। এছাড়া বর্ষা মওসুম শেষ হলেই শহরের ড্রেন পরিষ্কার করা হবে বলেও তিনি জানান।
টানা বর্ষণে মৌলভীবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে অসহনীয় অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকার বাসাবাড়িতে পানি ওঠে মালপত্র নষ্ট হচ্ছে এবং অফিসগামী লোকজনসহ স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা অসহনীয় দূর্ভোগে পড়েছেন। অন্যদিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভেতর বৃষ্টির পানি উপচে ওঠে ব্যবসার চরম ক্ষতি হচ্ছে। আর এজন্য সবাই পানি নিষ্কাষনের মাধ্যম ড্রেন পরিষ্কার না করাকে দায়ী করে এই দূর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে পৌর মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে দুই দিনের টানা বর্ষণে শহরের গীর্জাপাড়া, পূর্ব গীর্জাপাড়া, সার্কিট হাউস এলাকা, টিবি হাসপাতাল রোড, পাহাড় বর্ষিজুরা, পুরাতন হাসপাতাল সড়ক, পশ্চিমবাজার, দ্বারক, দরকাপন শেখেরগাও ও মোস্তফাপুর এলাকার রাস্তাঘাটে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকার সব শ্রেণি-পেশার লোকজনকে দুইদিন ধরে এক থেকে দুই ফুট পানি মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। কিছু কিছু স্থানে দুই ফুট থেকে শুরু করে হাটু জল এবং একটু নিম্নাঞ্চলে কোমর অবদিও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। তাদের এই দূর্ভোগের সময় জনপ্রতিনিধিদের কাউকেও এ্লাকায় দেখা যায়নি। এলাকাবাসী কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, প্রতি বছর বর্ষা মওসুমে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী কাউন্সিলর ও মেয়রের কাছে বারবার যোগাযোগ করেও কোন সুফল পাচ্ছেন না তারা। রান্না ঘরে পানি ঈস্খবেশ করায় খাওয়া দাওয়া বাহির থেকে এনে করতে হয়। বয়স্ক অনেকেই ঘরে থাকা খাঠের উপর বসে থাকতে হয়েছে। এই জলাবদ্ধতার জন্য অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা ও শহরের পানি নিষ্কাষনের একমাত্র মাধ্যম কোদালী ছড়ার খনন কাজ না হওয়া ও মৎস্য ব্যবসার জন্য শহরের অভ্যন্তরের বেরি লেকের মুখে কৃত্রিম বাঁধ নির্মাণ করাকে দায়ী করছেন। এসব কারণে বৃষ্টি দিলেই পানি নিষ্কাষণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে এই এলাকার বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে মূল্যবান আসবাবপত্র নষ্টসহ শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে চরম দূর্ভোগে পড়েন। গত ১০ বছর ধরে এই বর্ষা মওসুমে এই দূর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের। অন্যদিকে শহরের ব্যবসা কেন্দ্র পশ্চিমবাজারের মুদি ও পোল্ট্রির দোকানে বৃষ্টির পানি উপচে ওঠে জমে তাদের ব্যবসার ক্ষতি করছে। ব্যবসায়ীরা জানান, পানি জমে স্যাঁতস্যাতে অবস্থার সৃষ্টি হয়ে ঠান্ডায় মুরগী মারা যাচ্ছে। কয়েক বছর ধরে পৌর কর্তৃপক্ষ এলাকার ড্রেন পরিষ্কার না করার কারণে এই জলাবদ্ধতায় পড়ে ক্ষতির সম্মূখীন হতে হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানান। এদিকে ব্যাপারে পৌর মেয়র ফয়জুল করিম ময়ূন জানান, শহরের এই জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষে জাইকার ব্যবস্থাপনায় এলজিইডি কোদালী ছড়ার কাজ হাতে নিয়েছে। কিন্তু বর্ষা মওসুম শুরু হওয়ায় কাজটি শেষ করতে না পারায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি জানান। এছাড়া বর্ষা মওসুম শেষ হলেই শহরের ড্রেন পরিষ্কার করা হবে বলেও তিনি জানান। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •