ম্যানেজার কর্তৃক চা-পাতা আত্মসাতের ঘটনায় মৌলভীবাজারের ৯২টি চা-বাগানের মালিকরা উৎকণ্ঠায়

September 19, 2013, এই সংবাদটি ৩৭৬ বার পঠিত

কুলাউড়ার একটি চা-বাগানের ৫৩ লাখ টাকার চা-পাতা দুই ম্যানেজার কর্তৃক আত্মসাতের ঘটনায় চায়ের রাজধানী খ্যাত মৌলভীবাজারের ৯২টি চা-বাগানের মালিকরা রয়েছেন চরম উৎকণ্ঠায়। বাগানের ম্যানেজারদের ওপর মালিকপক্ষের এত দিন অগাধ বিশ্বাস থাকলেও বর্তমানে আগের মতো বিশ্বাস রাখতে পারছে না। জেলার প্রায় বাগানের মালিক এখন ঘন ঘন বাগানগুলো পরিদর্শন করছেন এবং নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন। অনেক বাগানের মালিক মোবাইলের মেসেজের মাধ্যমে চা উৎপাদনের হিসাব, আয়-ব্যয়ের হিসাবসহ সার্বিক হিসাব-নিকাশ প্রতিদিন ম্যানেজারের কাছ থেকে নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন কালিটি চা-বাগানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মুনিম কয়ছর। তিনি জানান, আমরা মালিকপক্ষ বাগানের সম্পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে থাকি ম্যানেজারদের ওপর। মাসিক একবার স্টেটমেন্ট তারা হেড অফিসে পাঠিয়ে থাকেন। আমরা তাদের ওপর পুরো মাত্রায় বিশ্বাসী হয়ে বাগান পরিচালনা করি। কিন্তু লুয়াইউনি-হলিছড়ার ঘটনায় বর্তমানে আমরা সিস্টেম পরিবর্তন করেছি। এদিকে লুয়াইউনি-হলিছড়া চা-বাগানের ৫৩ লাখ টাকার চা-পাতা আত্মসাতের দায়ে গ্রেপ্তারকৃত ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম ও সহকারী ম্যানেজার মেহেদী হাসানের দ্বিতীয় দফা রিমান্ডে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়ে চা-পাতা কেলেঙ্কারিতে জড়িত অন্যদের আটক করতে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
কুলাউড়ার একটি চা-বাগানের ৫৩ লাখ টাকার চা-পাতা দুই ম্যানেজার কর্তৃক আত্মসাতের ঘটনায় চায়ের রাজধানী খ্যাত মৌলভীবাজারের ৯২টি চা-বাগানের মালিকরা রয়েছেন চরম উৎকণ্ঠায়। বাগানের ম্যানেজারদের ওপর মালিকপক্ষের এত দিন অগাধ বিশ্বাস থাকলেও বর্তমানে আগের মতো বিশ্বাস রাখতে পারছে না। জেলার প্রায় বাগানের মালিক এখন ঘন ঘন বাগানগুলো পরিদর্শন করছেন এবং নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন। অনেক বাগানের মালিক মোবাইলের মেসেজের মাধ্যমে চা উৎপাদনের হিসাব, আয়-ব্যয়ের হিসাবসহ সার্বিক হিসাব-নিকাশ প্রতিদিন ম্যানেজারের কাছ থেকে নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন কালিটি চা-বাগানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মুনিম কয়ছর। তিনি জানান, আমরা মালিকপক্ষ বাগানের সম্পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে থাকি ম্যানেজারদের ওপর। মাসিক একবার স্টেটমেন্ট তারা হেড অফিসে পাঠিয়ে থাকেন। আমরা তাদের ওপর পুরো মাত্রায় বিশ্বাসী হয়ে বাগান পরিচালনা করি। কিন্তু লুয়াইউনি-হলিছড়ার ঘটনায় বর্তমানে আমরা সিস্টেম পরিবর্তন করেছি। এদিকে লুয়াইউনি-হলিছড়া চা-বাগানের ৫৩ লাখ টাকার চা-পাতা আত্মসাতের দায়ে গ্রেপ্তারকৃত ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম ও সহকারী ম্যানেজার মেহেদী হাসানের দ্বিতীয় দফা রিমান্ডে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়ে চা-পাতা কেলেঙ্কারিতে জড়িত অন্যদের আটক করতে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। কুলাউড়া অফিস॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •