কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল আসনে প্রার্থী মনোয়নের চিন্তাভাবনা : তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দের বন্যা

October 30, 2013, এই সংবাদটি ৩৬২ বার পঠিত

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের হাই কমান্ড ৩০০ আসনের মধ্যে ১০০ আসনে নতুন প্রার্থী মনোনয়নের চিন্তা ভাবনায় মৌলভীবাজার-৪ আসনে নতুন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে তালিকা প্রস্তুত করেছে। মৌলভীবাজার-৪ আসন শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের একাংশে চার বারের নির্বাচিত সাংসদ বর্তমান চিফ হুইপকে বাদ দিয়ে নতুন প্রার্থী মনোয়ন সম্প্রর্কিত সংবাদ প্রকাশে তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের ও এ আসনের ভোট ব্যাংক চা বাগান শ্রমিকদের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে। গতকাল ৩০ অক্টোবর একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় লীড নিউজে এ সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশ হয়।
প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় দলীয় সভানেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মত বিনিময় ও লিখিত বক্তব্যের জের ধরে এবং দলীয় ও দু’টি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে মৌলভীবাজার- ৪ আসনে বর্তমান সাংসদ সংসদের চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদের স্থলে দলীয় নতুন প্রার্থী মনোনয়ন করা হচ্ছে। শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও হিন্দু,বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্ঠা রনধীর দেবকে এ আসনে নতুন প্রার্থী হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হয়। বুধবার একটি জাতীয় দৈনিকে এ সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশের পর শ্রীমঙ্গলে রনধীন দেবের অফিসে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী, সুভাকাঙ্খী, সংবাদকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ ভীড় করে তাঁকে শুভেচ্ছা জানায়। এ সম্পর্কে ফোনে আলাপকালে রনধীর দেব এ প্রতিনিধিকে বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী যাদের নিয়ে কাজ করতে হবে তারা চাইলে ও দলীয় হাই কমান্ড মনোনিত করলে তিনি সংসদ সদস্য হিসাবে প্রার্থী হবেন।
চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদের সমর্থিত প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের হামলার আশঙ্কায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূল পর্যায়ের অনেক নেতাকর্মীরা বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে বিগত তিন বার উপাধ্যক্ষ এম শহীদ সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর দেশ ও জনগনের স্বার্থে কাজ করেছিলেন। দলীয় তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরে সাথে সু-সম্পর্ক ছিল। কিন্তু ৯ম জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর উপাধ্যক্ষ শহীদ দলকে পরিবার কেন্দ্রীক করেছিলেন। উন্নয়ন মূলক সকল কাজ ভাগ ভাটোয়ারা করে নেন তাঁর ছোট ভাই কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মোসাদ্দেক আহমদ, আরেক ছোট ভাই বিআরডিবির চেয়ারম্যান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ঠিকাদার কমিটির সভাপতি ইমতিয়াজ আহমদ ও ঘনিষ্টজনরা।
শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলায় আইন শৃঙ্খলায় চরম অবনতির কারণও ছিল উপাধ্যক্ষ শহীদের ভাইদের কারণে। কমলগঞ্জ উপজেলার নন্দরানী চা বাগান হামলা,অগ্নি সংযোগ লুটপাট ও দুই ব্যক্তি হত্যা ঘটনায় উপাধ্যক্ষ শহীদের ঘনিষ্টজনদের সরাসরি অংশ গ্রহন, শিক্ষক রবীন্দ্র হত্যাকান্ড ও কমলগঞ্জে চিফ হুইপের ভাইয়ের মদদে সন্ত্রাসী ইব্রাহীমের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড আওয়ামী তৃণমূল পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ভাবিয়ে তুলেছে। তাছাড়া সরকারী অর্থায়নে নির্মিত ও নির্মাণাধীন অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনটির নাম করণ করা হয় চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদ ভবন। যাহা তৃণমূল পর্যায়ের ত্রাগী নেতাকর্মী ও সাধারন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

মৌলভীবাজার- ৪ আসনের আওয়ামীলীগের ভোট ব্যাংক চা শ্রমিকরা। আর চা শ্রমিকদের সংগঠন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কার্যালয় লেবার হাউজ ২০০৯ সনে জবর দখল করে নেয় চিফ হুইপ শহীদের ঘনিষ্টজন শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় প্রসাদ বুনার্জি। ২০০৯ থেকে এখন পর্যন্ত চা শ্রমিকরা আন্দোলনে আছে। এ ঘটনায় আগামী নির্বাচনে চা শ্রমিকরা দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিপরীতে ভোট প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক রাম ভজন কৈরী এ প্রতিনিধিকে বলেন, বুধবার একটি জাতীয় দৈনিকে মৌলভীবাজার-৪ আসনে আওয়ামীলীগের নতুন মুখের তথ্য প্রকাশ হওয়ায় চা শ্রমিক ভোটাররা আনন্দিত। এ তথ্য অনুযায়ী যদি এ আসনে নতুন প্রার্থী দেওয়া হয় তা হলে চা শ্রমিকরা তাদরে প্রিয় প্রতীক নৌকায় ভোট প্রদান করবে। বুধবার আওয়ামীলীগের ১০০ আসনে নতুন মুকেল সংবাদ প্রকাশ হলে সর্বত্র এ প্রতিবেদনের ফটো কপি বিলি হতে দেখা যায়।
তবে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে চিফ হুইপ সমর্থিত ও ঘনিষ্টজন কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুর রহমান বলেন, এটি প্রাথমিক একটি তালিকা হতে পারে। মৌলভীবাজার-৪ আসনে উপাধ্যক্ষ এম শহীদের বিকল্প কোন প্রার্থী মনোনয়ন হতে পারে না। শেষ পর্যায়ে উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদকেই আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দেওয়া হবে।
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের হাই কমান্ড ৩০০ আসনের মধ্যে ১০০ আসনে নতুন প্রার্থী মনোনয়নের চিন্তা ভাবনায় মৌলভীবাজার-৪ আসনে নতুন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে তালিকা প্রস্তুত করেছে। মৌলভীবাজার-৪ আসন শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের একাংশে চার বারের নির্বাচিত সাংসদ বর্তমান চিফ হুইপকে বাদ দিয়ে নতুন প্রার্থী মনোয়ন সম্প্রর্কিত সংবাদ প্রকাশে তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের ও এ আসনের ভোট ব্যাংক চা বাগান শ্রমিকদের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে। গতকাল ৩০ অক্টোবর একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় লীড নিউজে এ সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশ হয়।
প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে জানা যায়, ঢাকায় দলীয় সভানেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মত বিনিময় ও লিখিত বক্তব্যের জের ধরে এবং দলীয় ও দু’টি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে মৌলভীবাজার- ৪ আসনে বর্তমান সাংসদ সংসদের চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদের স্থলে দলীয় নতুন প্রার্থী মনোনয়ন করা হচ্ছে। শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও হিন্দু,বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্ঠা রনধীর দেবকে এ আসনে নতুন প্রার্থী হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হয়। বুধবার একটি জাতীয় দৈনিকে এ সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশের পর শ্রীমঙ্গলে রনধীন দেবের অফিসে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী, সুভাকাঙ্খী, সংবাদকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ ভীড় করে তাঁকে শুভেচ্ছা জানায়। এ সম্পর্কে ফোনে আলাপকালে রনধীর দেব এ প্রতিনিধিকে বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী যাদের নিয়ে কাজ করতে হবে তারা চাইলে ও দলীয় হাই কমান্ড মনোনিত করলে তিনি সংসদ সদস্য হিসাবে প্রার্থী হবেন।
চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদের সমর্থিত প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের হামলার আশঙ্কায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূল পর্যায়ের অনেক নেতাকর্মীরা বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে বিগত তিন বার উপাধ্যক্ষ এম শহীদ সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর দেশ ও জনগনের স্বার্থে কাজ করেছিলেন। দলীয় তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরে সাথে সু-সম্পর্ক ছিল। কিন্তু ৯ম জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর উপাধ্যক্ষ শহীদ দলকে পরিবার কেন্দ্রীক করেছিলেন। উন্নয়ন মূলক সকল কাজ ভাগ ভাটোয়ারা করে নেন তাঁর ছোট ভাই কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মোসাদ্দেক আহমদ, আরেক ছোট ভাই বিআরডিবির চেয়ারম্যান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ঠিকাদার কমিটির সভাপতি ইমতিয়াজ আহমদ ও ঘনিষ্টজনরা।
শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলায় আইন শৃঙ্খলায় চরম অবনতির কারণও ছিল উপাধ্যক্ষ শহীদের ভাইদের কারণে। কমলগঞ্জ উপজেলার নন্দরানী চা বাগান হামলা,অগ্নি সংযোগ লুটপাট ও দুই ব্যক্তি হত্যা ঘটনায় উপাধ্যক্ষ শহীদের ঘনিষ্টজনদের সরাসরি অংশ গ্রহন, শিক্ষক রবীন্দ্র হত্যাকান্ড ও কমলগঞ্জে চিফ হুইপের ভাইয়ের মদদে সন্ত্রাসী ইব্রাহীমের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড আওয়ামী তৃণমূল পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ভাবিয়ে তুলেছে। তাছাড়া সরকারী অর্থায়নে নির্মিত ও নির্মাণাধীন অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনটির নাম করণ করা হয় চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদ ভবন। যাহা তৃণমূল পর্যায়ের ত্রাগী নেতাকর্মী ও সাধারন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

মৌলভীবাজার- ৪ আসনের আওয়ামীলীগের ভোট ব্যাংক চা শ্রমিকরা। আর চা শ্রমিকদের সংগঠন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কার্যালয় লেবার হাউজ ২০০৯ সনে জবর দখল করে নেয় চিফ হুইপ শহীদের ঘনিষ্টজন শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় প্রসাদ বুনার্জি। ২০০৯ থেকে এখন পর্যন্ত চা শ্রমিকরা আন্দোলনে আছে। এ ঘটনায় আগামী নির্বাচনে চা শ্রমিকরা দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিপরীতে ভোট প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক রাম ভজন কৈরী এ প্রতিনিধিকে বলেন, বুধবার একটি জাতীয় দৈনিকে মৌলভীবাজার-৪ আসনে আওয়ামীলীগের নতুন মুখের তথ্য প্রকাশ হওয়ায় চা শ্রমিক ভোটাররা আনন্দিত। এ তথ্য অনুযায়ী যদি এ আসনে নতুন প্রার্থী দেওয়া হয় তা হলে চা শ্রমিকরা তাদরে প্রিয় প্রতীক নৌকায় ভোট প্রদান করবে। বুধবার আওয়ামীলীগের ১০০ আসনে নতুন মুকেল সংবাদ প্রকাশ হলে সর্বত্র এ প্রতিবেদনের ফটো কপি বিলি হতে দেখা যায়।
তবে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে চিফ হুইপ সমর্থিত ও ঘনিষ্টজন কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুর রহমান বলেন, এটি প্রাথমিক একটি তালিকা হতে পারে। মৌলভীবাজার-৪ আসনে উপাধ্যক্ষ এম শহীদের বিকল্প কোন প্রার্থী মনোনয়ন হতে পারে না। শেষ পর্যায়ে উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদকেই আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দেওয়া হবে। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •