প্রবাসী ভাইয়ের পরিকল্পনা ও অর্থায়নে খুন হন কুলাউড়ার আব্দুল আজিজ

November 3, 2013, এই সংবাদটি ৪৪০ বার পঠিত

কুলাউড়ার ভাটেরার ইউনিয়নের মাইজগাঁও গ্রামের হাজী আব্দুল হক এর পূত্র আব্দুল আজিজ (২৪) কে তারই আপন ভাই বাহরাইন প্রবাসী আব্দুল খালিক ভাড়াটিয়া খুনী দিয়ে হত্যা করে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪ টায় কুখ্যাত অপরাধী কুলাউড়ার বেড়কুড়ি গ্রামের মৃত আসিদ আলীর পুত্র কাসেম মিয়া ও তার সহযোগিরা মোবাইল ফোনে ভিকটিম আব্দুল আজিজ (২৪) কে তার নিজ বাড়ী থেকে ডেকে এনে ভাটেরার একটি বাড়ীতে প্রথমে হত্যা করে। পরবর্তীতে তার মৃতদেহ ইট বেঁধে হাকালুকি হাওড়ে ফেলে দেয়। ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আব্দুল আজিজের মোবাইল বন্ধ থাকায় এবং বাড়ীতে ফেরত না আসায় নিহতের পরিবার তাহাকে বিভিন্ন স্থানে খুজাখোজি করে তাকে না পেয়ে কুলাউড়া থানায় জিডি নং-১২৭৯ তাং-২৮/৯/১৩ দায়ের করে। পরবর্তীতে আব্দুল আজিজের কোন সন্ধান না পেয়ে আব্দুল আজিজের ভগ্নীপতি আব্দুল আউয়াল চৌধুরী কাসেম মিয়া সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামী করে আব্দুল আজিজকে অপহরনের অভিযোগে কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে। উক্ত জিডি ও মামলার সূত্র ধরে কুলাউড়া সার্কেলের সিনিয়র এএসপি মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন পিপিএম এর নেতৃত্বে কুলাউড়া থানা পুলিশ ব্যাপক তদন্ত শুরু করে। ঐ ঘটনায় পুলিশ প্রথমে রহমত মিয়া ও কয়েছ বক্সকে গ্রেফতার করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর ভিকটিম আব্দুলর আজিজের বড় ভাই বাহরাইন প্রবাসী আব্দুল খালিক এর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৩৪) কে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল আজিজ হত্যাকান্ডের কারন ও এর সাথে জড়িতদের সম্পর্কে তথ্য উদঘাটন করে। পুলিশী জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল আজিজের ভাবী জাহানারা বেগম (৩৪) আব্দুল আজিজ হত্যা কান্ডে তাহার স্বামীর ও নিজের সংশ্লি¬ষ্টতা সম্পর্কে অকপটে সবকিছু স্বীকার করে জানায় ভিকটিম আব্দুল আজিজ তার বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে সিলেট নিয়ে চিকিৎসার কথা বলে কুলাউড়া এনে জোরপূর্বক পিতা-মাতার সম্পত্তি নিজ নামে রেজিষ্ট্রী করে নেন। বিষয়টি জাহানারা বেগম ও পরিবারের অন্যান্যরা তার স্বামী আব্দুল খালিক এর মোবাইল নং-৯৭৩৩৩৫৬৩৭৭১ জানালে আব্দুল খালিক তার ভাই আজিজকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিবেন মর্মে জাহানারা বেগমকে জানায়। এক পর্যায়ে প্রবাসী আব্দুল খালিক এর নির্দেশে তার স্ত্রী জাহানারা বেগম ভাটেরা বাজার সংলগ্ন প্রাচীর ঘেরা এক প্রবাসী বাড়ীতে গিয়ে হত্যাকারী কাসেমের সাথে দেখা করে। হত্যাকারী কাসেমের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে তাকে দেওয়ার জন্য বলে। স্বামীর কথামত জাহানারা বেগম উক্ত প্রবাসীর বাড়ীতে ২ দিন গিয়ে বিষয়টি নিয়ে হত্যাকারী কাসেমের সাথে আজিজকে হত্যা করার কৌশল ও কাসেম ভিকটিম আব্দুল আজিজের জমির ক্রেতা সেজে কথা বলা ও মেলামেশার পরিকল্পনা করে। হত্যাকারী কাসেম জমি কেনার অজুহাতে ২ দিন ভিকটিম আব্দুল আজিজের বাড়ীতে গিয়ে জমি ক্রয়ের বিষয়ে কথাবার্তা বলে। পরিকল্পনার বাস্তবায়নে আব্দুল খালিক বাহরাইন থেকে এবং তার স্ত্রী জাহানারা বেগমের নিজের ব্যবহৃত মোবাইলে হত্যাকারী কাসেমের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪ টায় হত্যাকারী কাসেম জমি ক্রয়ের আলাপের কথাবলে ভিকটিম আব্দুল আজিজকে ভাটেরার বাজার সংলগ্ন প্রাচীর ঘেরা এক প্রবাসীর বাড়ীতে তার সহযোগিদের নিয়ে আজিজকে হত্যা করে গভীর রাতে হাকালুকি হাওড়ে নিয়ে ইট দিয়ে বেঁধে আজিজের লাশ পুতে রাখে। গত ১০ অক্টোবর আজিজের লাশ পানিতে ভেসে উঠলে স্থানীয় লোকজন সংবাদ দিলে পুলিশ আব্দুল আজিজের গলিত লাশ উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত জাহানারা বেগম এই হত্যাকান্ডের বিষয়ে তার স্বামী ও নিজের সংশ্লি¬ষ্টতার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। পুলিশ জানায় হত্যাকারী কাসেমকে গ্রেফতার করা গেলে জড়িত অন্যান্য হত্যাকারীদের নাম ঠিকানা পাওয়া যাবে।
কুলাউড়ার ভাটেরার ইউনিয়নের মাইজগাঁও গ্রামের হাজী আব্দুল হক এর পূত্র আব্দুল আজিজ (২৪) কে তারই আপন ভাই বাহরাইন প্রবাসী আব্দুল খালিক ভাড়াটিয়া খুনী দিয়ে হত্যা করে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪ টায় কুখ্যাত অপরাধী কুলাউড়ার বেড়কুড়ি গ্রামের মৃত আসিদ আলীর পুত্র কাসেম মিয়া ও তার সহযোগিরা মোবাইল ফোনে ভিকটিম আব্দুল আজিজ (২৪) কে তার নিজ বাড়ী থেকে ডেকে এনে ভাটেরার একটি বাড়ীতে প্রথমে হত্যা করে। পরবর্তীতে তার মৃতদেহ ইট বেঁধে হাকালুকি হাওড়ে ফেলে দেয়। ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আব্দুল আজিজের মোবাইল বন্ধ থাকায় এবং বাড়ীতে ফেরত না আসায় নিহতের পরিবার তাহাকে বিভিন্ন স্থানে খুজাখোজি করে তাকে না পেয়ে কুলাউড়া থানায় জিডি নং-১২৭৯ তাং-২৮/৯/১৩ দায়ের করে। পরবর্তীতে আব্দুল আজিজের কোন সন্ধান না পেয়ে আব্দুল আজিজের ভগ্নীপতি আব্দুল আউয়াল চৌধুরী কাসেম মিয়া সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামী করে আব্দুল আজিজকে অপহরনের অভিযোগে কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে। উক্ত জিডি ও মামলার সূত্র ধরে কুলাউড়া সার্কেলের সিনিয়র এএসপি মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন পিপিএম এর নেতৃত্বে কুলাউড়া থানা পুলিশ ব্যাপক তদন্ত শুরু করে। ঐ ঘটনায় পুলিশ প্রথমে রহমত মিয়া ও কয়েছ বক্সকে গ্রেফতার করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর ভিকটিম আব্দুলর আজিজের বড় ভাই বাহরাইন প্রবাসী আব্দুল খালিক এর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৩৪) কে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল আজিজ হত্যাকান্ডের কারন ও এর সাথে জড়িতদের সম্পর্কে তথ্য উদঘাটন করে। পুলিশী জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল আজিজের ভাবী জাহানারা বেগম (৩৪) আব্দুল আজিজ হত্যা কান্ডে তাহার স্বামীর ও নিজের সংশ্লি¬ষ্টতা সম্পর্কে অকপটে সবকিছু স্বীকার করে জানায় ভিকটিম আব্দুল আজিজ তার বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে সিলেট নিয়ে চিকিৎসার কথা বলে কুলাউড়া এনে জোরপূর্বক পিতা-মাতার সম্পত্তি নিজ নামে রেজিষ্ট্রী করে নেন। বিষয়টি জাহানারা বেগম ও পরিবারের অন্যান্যরা তার স্বামী আব্দুল খালিক এর মোবাইল নং-৯৭৩৩৩৫৬৩৭৭১ জানালে আব্দুল খালিক তার ভাই আজিজকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিবেন মর্মে জাহানারা বেগমকে জানায়। এক পর্যায়ে প্রবাসী আব্দুল খালিক এর নির্দেশে তার স্ত্রী জাহানারা বেগম ভাটেরা বাজার সংলগ্ন প্রাচীর ঘেরা এক প্রবাসী বাড়ীতে গিয়ে হত্যাকারী কাসেমের সাথে দেখা করে। হত্যাকারী কাসেমের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে তাকে দেওয়ার জন্য বলে। স্বামীর কথামত জাহানারা বেগম উক্ত প্রবাসীর বাড়ীতে ২ দিন গিয়ে বিষয়টি নিয়ে হত্যাকারী কাসেমের সাথে আজিজকে হত্যা করার কৌশল ও কাসেম ভিকটিম আব্দুল আজিজের জমির ক্রেতা সেজে কথা বলা ও মেলামেশার পরিকল্পনা করে। হত্যাকারী কাসেম জমি কেনার অজুহাতে ২ দিন ভিকটিম আব্দুল আজিজের বাড়ীতে গিয়ে জমি ক্রয়ের বিষয়ে কথাবার্তা বলে। পরিকল্পনার বাস্তবায়নে আব্দুল খালিক বাহরাইন থেকে এবং তার স্ত্রী জাহানারা বেগমের নিজের ব্যবহৃত মোবাইলে হত্যাকারী কাসেমের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪ টায় হত্যাকারী কাসেম জমি ক্রয়ের আলাপের কথাবলে ভিকটিম আব্দুল আজিজকে ভাটেরার বাজার সংলগ্ন প্রাচীর ঘেরা এক প্রবাসীর বাড়ীতে তার সহযোগিদের নিয়ে আজিজকে হত্যা করে গভীর রাতে হাকালুকি হাওড়ে নিয়ে ইট দিয়ে বেঁধে আজিজের লাশ পুতে রাখে। গত ১০ অক্টোবর আজিজের লাশ পানিতে ভেসে উঠলে স্থানীয় লোকজন সংবাদ দিলে পুলিশ আব্দুল আজিজের গলিত লাশ উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত জাহানারা বেগম এই হত্যাকান্ডের বিষয়ে তার স্বামী ও নিজের সংশ্লি¬ষ্টতার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। পুলিশ জানায় হত্যাকারী কাসেমকে গ্রেফতার করা গেলে জড়িত অন্যান্য হত্যাকারীদের নাম ঠিকানা পাওয়া যাবে। এম. মছব্বির আলী/এইচ ডি রুবেল :

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •