প্রধানমন্ত্রীর বড়লেখা সফর বক্তব্য নিয়ে তোলপাড়-কাংখিত উন্নয়ন পায়নি

November 13, 2013, এই সংবাদটি ১০৪ বার পঠিত

বড়লেখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভার বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় চলছে জেলা জুড়ে। তাছাড়া বড়লেখা ও জুড়ীবাসী কাংখিত উন্নয়ন পায়নি বলে মন্তব্য করেছে মহাজোট ও ১৮ দলীয় জোট। নেতাদের অভিযোগ শেখ হাসিনা জনসভার ভাষনে চরম মিথ্যাচার করেছেন। এটি মূলত তার নির্বাচনী ভিত্তি প্রস্থরের সফর। স্থানীয় সমস্যা সম্পর্কে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যের ধারনা না থাকায় প্রধান সমস্যাগুলো প্রধানমন্ত্রীর নিকট তুলে ধরাই হয়নি। বড়লেখায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধোঁকা দেয়া হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী বলেন, বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার শতাধিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার সমস্যা তুলে না ধরে মাত্র একটি স্কুল আর কলেজকে সরকারী করনের দাবী উত্থাপন শিক্ষার সার্বিক সম উন্নয়নকে পাশ কাটানো। প্রধানমন্ত্রীর নিকট শিক্ষার উন্নয়নে সার্বিক কোন দাবী উত্থাপন করা হয়নি। অথচ সে সভায় শিক্ষামন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। দাবী উঠলেই প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীকে নির্দেশ দিলেই তা বাস্তবায়ন হত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৫৬ সালে মন্ত্রী থাকাকালীন তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান চা শ্রমিকদের ভোটাধিকার দেন বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা ঐতিহাসিক মিথ্যাচার দাবী করে এবাদুর রহমান চৌধুরী জানান, ১৯৫৬ সালে তিনি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। সে সময় চা শ্রমিকদের ভোটাধিকার ছিল না। তাদের নাগরিকত্ব দেয়ার দায়িত্বেও তিনি ছিলেন না। ১৯৭০ সালে এলএফও (লিগ্যাল ফ্রেইম অর্ডিনেন্স) অনুযায়ী তৎকালীন সামরিক শাসক (ইয়াহিয়া খান) চা শ্রমিকদের নাগরিকত্ব প্রদান করে। এ অর্ডিনেন্স অনুযায়ী ১৯৪৭ সাল থেকে পুর্ববঙ্গে বসবাসকারী সকল শ্রেণীর বাসিন্দা নাগরিকত্ব লাভ করে। চা শ্রমিকদের নাগরিকত্ব শেখ মুজিব দিয়েছেন এটা ঐতিহাসিক মিথ্যাচার। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী বড়লেখা সফর করে প্রায় ষাট কোটি টাকার ১২ উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেছেন দেখালেও বড়লেখা ও জুড়ীতে দুইটি হাইস্কুল আর দুইটি মাদ্রাসার ভবন ব্যতিত অন্যগুলো আগামী নির্বাচনে ভোট পাওয়ার জন্য। এটি বাকীতে পন্য ক্রয়কারী যেভাবে বলে টাকা পেলে দিয়ে দিব। তেমনী তাকে নির্বাচিত করলে তা বাস্তবায়ন করার প্রতিশ্রুতি স্বরূপ। উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ বলেন, বিগত সাড়ে চার বছরে বড়লেখার রাস্তা ঘাটের বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। প্রধান রাস্তা ছাড়াও গ্রামীন রাস্তাগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। অথচ প্রধানমন্ত্রীকে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কোন দাবীই তুলে ধরা হয়নি। তিনি বলেন, চারদলীয় জোট ক্ষমতায় থাকতে ২০০৬ সালের ১৭ অক্টোবর বড়লেখায় অডিটোরিয়ামের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করা হয়। ২০০১ সালে বড়লেখা পৌরসভাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিগত সরকারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর পৌরসভা ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। কিন্তু আমাদের সংসদ সদস্য ভবনটি নির্মানের কোন উদ্যোগ নেননি। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসায় এ প্রকল্পটি আলোর মূখ দেখেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে মিথ্যাচার করায় জনসভা শেষ হওয়ার পরই আমরা তার বক্তব্যের প্রতিবাদে মশাল মিছিল করেছি। তিনি কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেললাইনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। মাধবকু- রাস্তার কাজ সম্পন্ন হয়েছে বললেন। বড়লেখাবাসী জানতে চায় সেগুলো কোথায়। আমার দেখামতে ক্ষমতাসীন দলের ছেলেরা রেলাইনের রেল, স্লিপার, নাটবল্টু ভাঙ্গারীর কাছে বিক্রি করছে এসব দেখার কেউ নেই। তিনি সুন্দর সুন্দর কথা বলে জনগনকে ধোকা দিয়েছেন। জুড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য জামাল উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন জুড়ী শহর রক্ষা বাঁধ, জুড়ী নদী খনন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, পশু হাসপাতাল, সাবরেজিষ্টার অফিসের স্থায়ী ভবন নির্মানসহ বিভিন্ন যৌক্তিক দাবী ছিল। ২০১১ সালের দেশ শ্রেষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যান জুড়ী উপজেলার মাটি ও মানুষের নেতা মুক্তিযোদ্ধা এমএ মোমিত আশুক বক্তব্যে এসব দাবী দাওয়া তুলে ধরবেন এই আশায় আমরা জনসভায় গিয়েছিলাম। কিন্তু জুড়ীর উন্নয়নের রূপকার জেলা আ’লীগ সহসভাপতি এমএ মোমিত আশুককে বক্তব্য পর্যন্ত দিতে দেয়া হয়নি। এ নিয়ে জুড়ী উপজেলা আ’লীগের অর্ন্তকলহ দেখা দিয়েছে। উপজেলা ১৮ দলীয় সদস্য সচিব ফয়সল আহমদ জানান, ৫০ হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী আর দুই লক্ষাধিক মুসলমানের মসজিদ মন্দিরের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নিকট কোন দাবীই তুলে ধরা হয়নি। বৃহত্তর সিলেট বিভাগের অন্যতম প্রাকৃতিক পরিবেশে পরিচালতি নারী শিক্ষা একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর নিকট দাবী উত্থাপন করা হয়নি। কলেজটি বিগত সরকারের আমলে দেশ সেরা কলেজের শ্রেষ্টত্ব অর্জন করে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভার সৌন্দর্য বর্ধনে যদিও এ কলেজের সহস্রাধিক নারী শিক্ষার্থী সভামঞ্চের সামনে দাঁড়িয়েছিল। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা নেত্রী রাহেনা বেগম হাসনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী আগমনে বড়লেখা জুড়ীবাসী কিছুই পায়নি। দুই উপজেলার হাকালুকি হাওর পারের প্রায় ৩৫ হাজার মৎস্যজীবির উন্নয়নে কোন দাবী উত্থাপন করা হয়নি। মহাজোটের প্রধান শরীক দল জুড়ী উপজেলা জাপা আহবায়ক ও সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম শামীম জানান ভোট এলে মহাজোট। প্রধানমন্ত্রী বড়লেখায় আসলেন। আমাদের আমন্ত্রন পর্যন্ত করা হয়নি। জাপা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মোহম্মদ এরশাদ স্থাপিত বড়লেখা ডিগ্রী কলেজ মাঠে জনসভা ও উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করলেন। অথচ একটি বারের জন্যও তিনি পল্লীবন্ধু এরশাদের নাম মূখে না নেয়ায় স্থানীয় জাতীয় পার্টি চরম ক্ষুব্দ।
বড়লেখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভার বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় চলছে জেলা জুড়ে। তাছাড়া বড়লেখা ও জুড়ীবাসী কাংখিত উন্নয়ন পায়নি বলে মন্তব্য করেছে মহাজোট ও ১৮ দলীয় জোট। নেতাদের অভিযোগ শেখ হাসিনা জনসভার ভাষনে চরম মিথ্যাচার করেছেন। এটি মূলত তার নির্বাচনী ভিত্তি প্রস্থরের সফর। স্থানীয় সমস্যা সম্পর্কে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যের ধারনা না থাকায় প্রধান সমস্যাগুলো প্রধানমন্ত্রীর নিকট তুলে ধরাই হয়নি। বড়লেখায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধোঁকা দেয়া হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী বলেন, বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার শতাধিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার সমস্যা তুলে না ধরে মাত্র একটি স্কুল আর কলেজকে সরকারী করনের দাবী উত্থাপন শিক্ষার সার্বিক সম উন্নয়নকে পাশ কাটানো। প্রধানমন্ত্রীর নিকট শিক্ষার উন্নয়নে সার্বিক কোন দাবী উত্থাপন করা হয়নি। অথচ সে সভায় শিক্ষামন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। দাবী উঠলেই প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীকে নির্দেশ দিলেই তা বাস্তবায়ন হত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৫৬ সালে মন্ত্রী থাকাকালীন তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান চা শ্রমিকদের ভোটাধিকার দেন বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা ঐতিহাসিক মিথ্যাচার দাবী করে এবাদুর রহমান চৌধুরী জানান, ১৯৫৬ সালে তিনি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। সে সময় চা শ্রমিকদের ভোটাধিকার ছিল না। তাদের নাগরিকত্ব দেয়ার দায়িত্বেও তিনি ছিলেন না। ১৯৭০ সালে এলএফও (লিগ্যাল ফ্রেইম অর্ডিনেন্স) অনুযায়ী তৎকালীন সামরিক শাসক (ইয়াহিয়া খান) চা শ্রমিকদের নাগরিকত্ব প্রদান করে। এ অর্ডিনেন্স অনুযায়ী ১৯৪৭ সাল থেকে পুর্ববঙ্গে বসবাসকারী সকল শ্রেণীর বাসিন্দা নাগরিকত্ব লাভ করে। চা শ্রমিকদের নাগরিকত্ব শেখ মুজিব দিয়েছেন এটা ঐতিহাসিক মিথ্যাচার। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী বড়লেখা সফর করে প্রায় ষাট কোটি টাকার ১২ উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেছেন দেখালেও বড়লেখা ও জুড়ীতে দুইটি হাইস্কুল আর দুইটি মাদ্রাসার ভবন ব্যতিত অন্যগুলো আগামী নির্বাচনে ভোট পাওয়ার জন্য। এটি বাকীতে পন্য ক্রয়কারী যেভাবে বলে টাকা পেলে দিয়ে দিব। তেমনী তাকে নির্বাচিত করলে তা বাস্তবায়ন করার প্রতিশ্রুতি স্বরূপ। উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ বলেন, বিগত সাড়ে চার বছরে বড়লেখার রাস্তা ঘাটের বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। প্রধান রাস্তা ছাড়াও গ্রামীন রাস্তাগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। অথচ প্রধানমন্ত্রীকে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কোন দাবীই তুলে ধরা হয়নি। তিনি বলেন, চারদলীয় জোট ক্ষমতায় থাকতে ২০০৬ সালের ১৭ অক্টোবর বড়লেখায় অডিটোরিয়ামের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করা হয়। ২০০১ সালে বড়লেখা পৌরসভাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিগত সরকারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর পৌরসভা ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। কিন্তু আমাদের সংসদ সদস্য ভবনটি নির্মানের কোন উদ্যোগ নেননি। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসায় এ প্রকল্পটি আলোর মূখ দেখেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে মিথ্যাচার করায় জনসভা শেষ হওয়ার পরই আমরা তার বক্তব্যের প্রতিবাদে মশাল মিছিল করেছি। তিনি কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেললাইনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। মাধবকু- রাস্তার কাজ সম্পন্ন হয়েছে বললেন। বড়লেখাবাসী জানতে চায় সেগুলো কোথায়। আমার দেখামতে ক্ষমতাসীন দলের ছেলেরা রেলাইনের রেল, স্লিপার, নাটবল্টু ভাঙ্গারীর কাছে বিক্রি করছে এসব দেখার কেউ নেই। তিনি সুন্দর সুন্দর কথা বলে জনগনকে ধোকা দিয়েছেন। জুড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য জামাল উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন জুড়ী শহর রক্ষা বাঁধ, জুড়ী নদী খনন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, পশু হাসপাতাল, সাবরেজিষ্টার অফিসের স্থায়ী ভবন নির্মানসহ বিভিন্ন যৌক্তিক দাবী ছিল। ২০১১ সালের দেশ শ্রেষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যান জুড়ী উপজেলার মাটি ও মানুষের নেতা মুক্তিযোদ্ধা এমএ মোমিত আশুক বক্তব্যে এসব দাবী দাওয়া তুলে ধরবেন এই আশায় আমরা জনসভায় গিয়েছিলাম। কিন্তু জুড়ীর উন্নয়নের রূপকার জেলা আ’লীগ সহসভাপতি এমএ মোমিত আশুককে বক্তব্য পর্যন্ত দিতে দেয়া হয়নি। এ নিয়ে জুড়ী উপজেলা আ’লীগের অর্ন্তকলহ দেখা দিয়েছে। উপজেলা ১৮ দলীয় সদস্য সচিব ফয়সল আহমদ জানান, ৫০ হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী আর দুই লক্ষাধিক মুসলমানের মসজিদ মন্দিরের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নিকট কোন দাবীই তুলে ধরা হয়নি। বৃহত্তর সিলেট বিভাগের অন্যতম প্রাকৃতিক পরিবেশে পরিচালতি নারী শিক্ষা একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর নিকট দাবী উত্থাপন করা হয়নি। কলেজটি বিগত সরকারের আমলে দেশ সেরা কলেজের শ্রেষ্টত্ব অর্জন করে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভার সৌন্দর্য বর্ধনে যদিও এ কলেজের সহস্রাধিক নারী শিক্ষার্থী সভামঞ্চের সামনে দাঁড়িয়েছিল। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা নেত্রী রাহেনা বেগম হাসনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী আগমনে বড়লেখা জুড়ীবাসী কিছুই পায়নি। দুই উপজেলার হাকালুকি হাওর পারের প্রায় ৩৫ হাজার মৎস্যজীবির উন্নয়নে কোন দাবী উত্থাপন করা হয়নি। মহাজোটের প্রধান শরীক দল জুড়ী উপজেলা জাপা আহবায়ক ও সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম শামীম জানান ভোট এলে মহাজোট। প্রধানমন্ত্রী বড়লেখায় আসলেন। আমাদের আমন্ত্রন পর্যন্ত করা হয়নি। জাপা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মোহম্মদ এরশাদ স্থাপিত বড়লেখা ডিগ্রী কলেজ মাঠে জনসভা ও উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করলেন। অথচ একটি বারের জন্যও তিনি পল্লীবন্ধু এরশাদের নাম মূখে না নেয়ায় স্থানীয় জাতীয় পার্টি চরম ক্ষুব্দ। এম. মছব্বির আলী॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •