খুনের বিচার চাওয়ায় সরকার দলীয়দের ভয়ে গৃহহীন : মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে নিহতের পরিবারের অভিযোগ

November 14, 2013,

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নাদামপুর গ্রামের আব্দুল গফফার দয়ালকে দাড়ালো অস্ত্রের আঘাতে প্রতিপক্ষ খুন করেছে। খুনের বিচার চেয়ে মামলা করে তার পরিবার সরকারদলীয় আসামীদের ভয়ে গৃহহীন। এ ঘটনার পর আসামী না ধরে পুলিশ নীরব ভুমিকা পালন করছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ছোট ভাই মোঃ শামীম আহমদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, একই এলাকার মোঃ মনির হোসেন, মীর হোসেন, আব্দুল মুকিদ, নুর হোসেন, সেলাই মিয়া, সাবাজ মিয়া, কুদ্দুছ মিয়া, আকুল মিয়া, বাদশা মিয়া, আবাছ মিয়া, শাহীন মিয়া, মোঃ আশরাফ খান, গোলাম রব্বানী, কাছন মিয়া, নুরুল ইসলাম, শাহাব উদ্দিন, ফখর উদ্দিন, মোঃ গিয়াস মিয়া সহ অরো কয়েকজন জন। উপরে উল্লেখিত ব্যক্তিগণ প্রতি নিয়ত এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সবাই পরস্পর একদলীয় ও এলাকার ত্রাস সৃষ্টিকারী প্রকৃতির লোক। তাদের সাথে পারিবারিক জায়গাজমি নিয়া বিরোধ চলছিল। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগকারী শামীম আহমদ জানান তার ভাই আব্দুল গফ্ফার দয়াল গত ২ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন, যার নং-৭৮। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা থাকার কারণে মৌলভীবাজার মডেল থানা কর্তৃপক্ষ নন এফআইআর মামলা নং- ৭৫/১৩ইং তাং- ২ সেপ্টেম্বর ফৌ.কা.বি. ১০৭/১১৭ (সি) ধারায় কতেক তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন রিপোর্ট দাখিল করিলে, মামলা জানিতে পারিয়া তাদের প্রতি আক্রোশ্বানিত হইয়া উঠে এবং উল্লেখিত ব্যক্তিগণ তাদের ক্ষতি করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হইয়া পড়ে। এই অবস্থায় উপরে উল্লেখিত ব্যক্তিগণ তার ভাই আব্দুল গফ্ফার দয়ালকে গত ২১ সেপ্টেম্বর মারপিট করে মারাত্মক জখম করলে চিকিৎসাধী অবস্থায় মৃত্যুর সাথে ২দিন পাঞ্জালরে গত ২৩ সেপ্টেম্বর সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে নিহতের স্ত্রী ঝরনা বেগম বাদী হইয়া উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জি,আর ২৭৩/১৩ইং মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় আশরাফ গং সহ ৬ জন মহামান্য হাইকোর্ট আদালত হইতে ৪ সপ্তাহের জামিন নেন। উল্লেখিত আসামীরা তার ভাইকে খুন করিয়া ক্রান্ত হয় নাই। তারা তাদের আরও লোকজনকে খুন অথবা গুম করার পায়তারা করিতেছে। এমনকি লোক মূখে প্রচার করিয়া বেড়াইতেছে তাদের পরিবারের লোকজনকে মিথ্যা মামলা মোকদ্দমা দিয়া হয়রানি করিবে ও এলাকা ছাড়াবে। বর্তমানে নিহতের পরিবারের লোকজন আসামীদের ভয়ে গৃহহীন অবস্থায় রয়েছে। হত্যার বিচার চাওয়ার কারণে আসামীগণ পরিবারের লোকজনকে আরো হত্যার হুমকি দিচ্ছেন ও তার স্ত্রী অর্থাৎ হত্যার মামলার বাদীনিকে মামলা উঠাইয়া নেওয়ার জন্য চাপ দিতেছে প্রভাবশালীরা। এমনকী পুলিশের সাথে আসামীদের প্রতি নিয়তই উঠাবসা রয়েছে অভিযোগ করেন। বর্তমানে পরিবারের লোকজন প্রাণ ভয়ে পালিয়ে অন্যত্র বসবাস করিতেছে। ভাই হত্যার বিষয়ে কতেক স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় ইতিমধ্যে সংবাদ প্রকাশিত হইয়াছে। কিন্তু আসামীরা ইহাতেও কর্ণপাত না করিয়া আরও খুনের পায়তারা করিতেছে। নিহতের পরিবার বিচার বিভাগসহ প্রশাসনের সকল বাহিনী সহযোগিতার দাবী জানান। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন নিহতের স্ত্রী ঝরনা বেগম, হিহতের সন্তান রাজিব আহমদ, রনি মিয়া, সজিব ও জনি মিয়া ।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নাদামপুর গ্রামের আব্দুল গফফার দয়ালকে দাড়ালো অস্ত্রের আঘাতে প্রতিপক্ষ খুন করেছে। খুনের বিচার চেয়ে মামলা করে তার পরিবার সরকারদলীয় আসামীদের ভয়ে গৃহহীন। এ ঘটনার পর আসামী না ধরে পুলিশ নীরব ভুমিকা পালন করছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ছোট ভাই মোঃ শামীম আহমদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, একই এলাকার মোঃ মনির হোসেন, মীর হোসেন, আব্দুল মুকিদ, নুর হোসেন, সেলাই মিয়া, সাবাজ মিয়া, কুদ্দুছ মিয়া, আকুল মিয়া, বাদশা মিয়া, আবাছ মিয়া, শাহীন মিয়া, মোঃ আশরাফ খান, গোলাম রব্বানী, কাছন মিয়া, নুরুল ইসলাম, শাহাব উদ্দিন, ফখর উদ্দিন, মোঃ গিয়াস মিয়া সহ অরো কয়েকজন জন। উপরে উল্লেখিত ব্যক্তিগণ প্রতি নিয়ত এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সবাই পরস্পর একদলীয় ও এলাকার ত্রাস সৃষ্টিকারী প্রকৃতির লোক। তাদের সাথে পারিবারিক জায়গাজমি নিয়া বিরোধ চলছিল। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগকারী শামীম আহমদ জানান তার ভাই আব্দুল গফ্ফার দয়াল গত ২ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন, যার নং-৭৮। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা থাকার কারণে মৌলভীবাজার মডেল থানা কর্তৃপক্ষ নন এফআইআর মামলা নং- ৭৫/১৩ইং তাং- ২ সেপ্টেম্বর ফৌ.কা.বি. ১০৭/১১৭ (সি) ধারায় কতেক তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন রিপোর্ট দাখিল করিলে, মামলা জানিতে পারিয়া তাদের প্রতি আক্রোশ্বানিত হইয়া উঠে এবং উল্লেখিত ব্যক্তিগণ তাদের ক্ষতি করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হইয়া পড়ে। এই অবস্থায় উপরে উল্লেখিত ব্যক্তিগণ তার ভাই আব্দুল গফ্ফার দয়ালকে গত ২১ সেপ্টেম্বর মারপিট করে মারাত্মক জখম করলে চিকিৎসাধী অবস্থায় মৃত্যুর সাথে ২দিন পাঞ্জালরে গত ২৩ সেপ্টেম্বর সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে নিহতের স্ত্রী ঝরনা বেগম বাদী হইয়া উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জি,আর ২৭৩/১৩ইং মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় আশরাফ গং সহ ৬ জন মহামান্য হাইকোর্ট আদালত হইতে ৪ সপ্তাহের জামিন নেন। উল্লেখিত আসামীরা তার ভাইকে খুন করিয়া ক্রান্ত হয় নাই। তারা তাদের আরও লোকজনকে খুন অথবা গুম করার পায়তারা করিতেছে। এমনকি লোক মূখে প্রচার করিয়া বেড়াইতেছে তাদের পরিবারের লোকজনকে মিথ্যা মামলা মোকদ্দমা দিয়া হয়রানি করিবে ও এলাকা ছাড়াবে। বর্তমানে নিহতের পরিবারের লোকজন আসামীদের ভয়ে গৃহহীন অবস্থায় রয়েছে। হত্যার বিচার চাওয়ার কারণে আসামীগণ পরিবারের লোকজনকে আরো হত্যার হুমকি দিচ্ছেন ও তার স্ত্রী অর্থাৎ হত্যার মামলার বাদীনিকে মামলা উঠাইয়া নেওয়ার জন্য চাপ দিতেছে প্রভাবশালীরা। এমনকী পুলিশের সাথে আসামীদের প্রতি নিয়তই উঠাবসা রয়েছে অভিযোগ করেন। বর্তমানে পরিবারের লোকজন প্রাণ ভয়ে পালিয়ে অন্যত্র বসবাস করিতেছে। ভাই হত্যার বিষয়ে কতেক স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় ইতিমধ্যে সংবাদ প্রকাশিত হইয়াছে। কিন্তু আসামীরা ইহাতেও কর্ণপাত না করিয়া আরও খুনের পায়তারা করিতেছে। নিহতের পরিবার বিচার বিভাগসহ প্রশাসনের সকল বাহিনী সহযোগিতার দাবী জানান। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন নিহতের স্ত্রী ঝরনা বেগম, হিহতের সন্তান রাজিব আহমদ, রনি মিয়া, সজিব ও জনি মিয়া । স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com