জঙ্গি আস্তানার কেয়ারটেকারে সঙ্গে নিয়ে পুলিশের চক্কর

স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার শহরের বড়হাটে তিন দিন ধরে ঘিরে রাখা জঙ্গি আস্তানার চারপাশে ওই বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক জুয়েলকে নিয়ে চক্কর দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
মৌলভীবাজার শহরের বড়হাটে তিন দিন ধরে ঘিরে রাখা জঙ্গি আস্তানার চারপাশে ওই বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক (কেয়ারটেকার) জুয়েল আহমেদকে নিয়ে চক্কর দিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
৩১ মার্চ শুক্রবার অভিযান চলাকালে জুয়েলকে নিয়ে বাড়ির চারপাশ ঘুরে দেখেন সোয়াটসহ পুলিশের কর্মকর্তারা।
এর আগে গত দুদিনেও বাড়িটি রেকি করতে পুলিশকে জুয়েলের সহযোগিতা নিতে দেখা গেছে। গত বুধবার জুয়েল সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, পৌরসভার বড়হাট এলাকায় তাঁর মালিকের আরেকটি বাড়িতে জঙ্গি আস্তানার খোঁজ পাওয়ার পর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালালের নেতৃত্বে এ বাড়িতেও তল্লাশি চালায়। ওই সময় পুলিশ তাঁকে দিয়ে ভাড়াটিয়াদের দরজায় কড়া নাড়ায়।
জুয়েল ভাড়াটিয়াদের জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনারা কি জঙ্গি?’ এ কথা শুনেই ভাড়াটিয়ারা দরজা বন্ধ করে জানালা দিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছুড়ে মারে। এ সময় পুলিশ সুপার সহ আন্যান্যরা অল্পের জন্য রক্ষা পান।
জুয়েল ওই সময়ে আরো জানিয়েছিলেন, তাঁর বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার দত্তগ্রামে। তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে।
এদিকে, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিসিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জুয়েল প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘জুয়েল আমাদের সঙ্গেই আছে। সে অনেক তথ্য দিয়ে আমাদের সহায়তা করেছে। সে জঙ্গি সংগঠন বা মতাদর্শের সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না, তা বলা যাচ্ছে না। তবে তা খতিয়ে দেখা হবে।’
মৌলভীবাজার শহরের বড়হাট ও সদর উপজেলার নাসিরপুরে এলাকায় দুটি বাড়ি গত বুধবার থেকে ঘেরাও করে রাখেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এ বাড়ি দুটির মালিক লন্ডন প্রবাসী সাইফুল ইসলাম।



মন্তব্য করুন