মৌলভীবাজার চেম্বারের নির্বাচন ১৪ ডিসেম্বর : হাসিব হোসেন খাঁন প্যানেলের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

December 9, 2013, এই সংবাদটি ৪১৩ বার পঠিত

মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাট্রির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলছে প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠান। আগামী ১৪ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে কমিশনের দায়িত্ব পালন করছেন মৌলভীবাজার পৌরসভার প্রথম প্যানেল চেয়ারম্যান মনবীর রায় মঞ্জু। নির্বাচনে ২৫০ জন অর্ডিনারি সদস্য এবং ১৮২ জন অ্যাসোসিয়েট সদস্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচনের ১২ জন অর্ডিনারি শ্রেণীর পরিচালক পদে ২৪ জন এবং ৬ জন অ্যাসোসিয়েট শ্রেণীর পরিচালক পদে ১২ জন প্রার্থী পৃথক দুটি প্যানেলে প্রতিদন্ধিতা করছেন। গত ৬ ডিসেম্বর রাতে বেঙ্গল কমিউনিটি সেন্টারে হাসিব হোসেন খাঁন প্যানেলের পরিচিতি সভা আলাউর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুহিবুর রহমান। পরে প্যানেল লিডার হাসিব হোসেন উপস্থিত ভোটারদের মধ্যে ১৮ জন প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদেরকে ভোট দেয়ার আহবায়ন করেন। প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানে অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র ফয়জুল করিম ময়ুন, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আবদুল হামিদ মাহবুব, মৌলভীবাজার চেম্বারের সাবেক সভাপতি ডাঃ এম এ আহাদ, ডাঃ ছাদিক আহমদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মসুদ আহমদ, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর রহমান বাবুল, বিএনপি নেতা মতিন বখস, মোঃ কামরুল ইসলাম কাজী কুতুব উদ্দিন প্রমুখ।
অর্ডিনারি শ্রেণীর পরিচালক পদে প্রার্থীরা হলেনঃ
হাসিব হোসেন খান (বাবু) ম্যানেজিং ডাইরেক্টও সাউথ সিলেট কোং লিমিটেড, মুহিবুর রহমান, স্বত্বাধিকারী ও পরিবেশক- বিকাশ লিমিটেড, মোঃ নাজিম উদ্দিন নজরুল, স্বত্বাধিকারী মেসার্স নাজিম উদ্দিন নজরুল, সৈয়দ হুমায়েদ আলী শাহীন স্বত্বাধিকারী পাতাকুঁড়ি কম্পিউটার এন্ড অফসেট প্রিন্টার্স ও জাহিন হার্ডওয়ার, সৈয়দ মোজাম্মিল আলী (শরীফ) স্বত্বাধিকারী মেসার্স আলী প্রকৌশলী, মোঃ নজমুল হক স্বত্বাধিকারী জেরিন ড্রাগ হাউজ, সেলিম আহমদ স্বত্বাধিকারী মেসার্স আহমদিয়া ফার্মেসী, মোঃ নূরুল ইসলাম কামরান, স্বত্বাধিকারী এম বি কসমেটিক্স এন্ড গিফ্ট, সাইফুল ইসলাম স্বত্বাধিকারী মেসার্স ম্যাক্স ইলেকট্রনিক্স, শেখ রুমেল আহমদ, স্বত্বাধিকারী মেসার্স শেখ মটরস ও নিউ শেখ মটরস, জুবায়ের আহমদ স্বত্বাধিকারী মেসার্স জুবায়ের ট্রেডার্স,সাজ্জাদুর রহমান চৌধূরী (সাজু) স্বত্বাধিকারী মেসার্স এস, এস ট্রেডার্স।
অ্যাসোসিয়েট শ্রেণীর পরিচালক পদে প্রার্থীরা হলেনঃ

গৌতম রঞ্জন দাশ (কটন) স্বত্বাধিকারী মেসার্স দাশ ইলেকট্রনিক্স, জোবের আহমদ স্বত্বাধিকারী হাবিব লাইব্রেরী, মোঃ তাজুল ইসলাম স্বত্বাধিকারী কনিকা এন্টারপ্রাইজ, মোঃ জুনাইদ হোসেন (জুনেদ) স্বত্বাধিকারী মেসার্স নানু এন্ড ব্রাদার্স, সৈয়দ মেহবুব মোর্শেদ (মাহবুব) স্বত্বাধিকারী মেসার্স সেন্ট্রাল নীড, আব্দুল মালিক স্বত্বাধিকারী ইনফটেক (কম্পিউটার বিক্রয় ও মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান)
প্যানেলটি নির্বাচিত হলে ১৬টি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষনা দেন। কর্মপরিকল্পনা গুলো হচ্ছে ঃ-
১। মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র ২০১০-১১ পরিষদ কর্তৃক উত্থাপিত শ্রীমঙ্গলের চা-নিলাম কেন্দ্র স্থাপনের সমুদয় কার্যক্রমের প্রেক্ষিতে এর সম্ভাব্যতা যাচাইপূর্বক সংসদীয় উপ-কমিটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে ইতিবাচক রিপোর্ট পেশ করে। সদাশয় সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ৯ নভেম্বর বড়লেখা উপলোর জনসভায় শ্রীমঙ্গলে চা-নিলামকেন্দ্র বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। আমরা নির্বাচিত হলে শ্রীমঙ্গলে চা-নিলামকেন্দ্রের কার্যকম শুরু করতে সর্বাধিক গুরুত্ব দেব।
২। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চা-বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায় এবং দেশের মোট চা উৎপাদনের প্রায় ৬২ শতাংশ চা এ জেলায় উৎপাদিত হলেও চা-শিল্পের তত্ত্বাবধান ও বিকাশের লক্ষ্যে গঠিত ‘বাংলাদেশ চা বোর্ড’- এর সদর দপ্তর চট্টগ্রামে অবস্থিত। বাংলাদেশ চা বোর্ডের সদর দপ্তর মৌলভীবাজারে স্থানান্তরের লক্ষ্যে আমরা প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করব। আমরা বিশ্বাস করি, এই বোর্ড এ জেলায় সথানান্তরিত হলে আগামী এক দশকের মধ্যে চা উৎপাদন দ্বিগুণ হবে।
৩। মৌলভীবাজার জেলায় বিদ্যমান স্থলবন্দরের জনবল, অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই বেহাল। বিশেষতঃ বটুলি স্থলবন্দরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও উল্লেখিত সুযোগ সুবিধা না থাকায় এ স্থলবন্দরটি মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। আমরা ব্যবসা-বাণিজ্যের দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে স্থলবন্দরগুলোর উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে চাপ দেবে। এর ফলে পূর্বাঞ্চলের ভারতীয় রাজ্যগুলোর সাথে আমাদের বাণিজ্যিক সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাবে এবং পণ্য সরবরাহ সহজত হবে। ফলে এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক গতিশীলতা আসবে।
৪। বিভিন্ন সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ট্যাক্স ও ভ্যাট কতর্ৃৃপক্ষ দ্বারা নানাভাবে হয়রানির শিকার হন। ব্যবসায়ীদের এহেন সমস্যা নিরসনে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গহণ করব। যাতে অহেতুক ও অন্যায়ভাবে ট্যাক্স ও ভ্যাট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবসায়ীরা বিড়ম্বনার শিকার না হন। সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে চেম্বার অব কমার্স কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদেরকে নিয়ে আলাপ-আলোচনা করবে।
৫। সাম্প্রতিককালে ভোক্তা অধিকার আইনের আওতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক ব্যবসায়ীগণ চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েন। ক্ষেত্রবিশেষে নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক অসৌজন্যমূলক আচরণ ও বিব্রতকর অবস্থার সম্মখীন হন। আমরা প্রশাসনের সাথে আলাপ-আলোচনা করে তা নিরসনের উদ্যোগ নেব।
৬। আমরা অঙ্গীকার করছি, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থসংরক্ষণপূর্বক তাদের সাথে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুসরণ করে বাণিজ্যমেলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।
৭। প্রকৃত উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীগণ যাতে সহজে ব্যাংক ঋণ পেতে পারেন সে ব্যাপারে চেম্বার সর্বাত্মক সহযোগীতা করবে এবং এসএমই ঋণপ্রাপ্তির প্রতিবন্ধকতা দূর করতে আমরা বদ্ধপরিকর থাকব।
৮। ক্ষুদ্র ও মাঝারি এবং মহিলা শিল্পোক্তাদের সম্ভাব্য ক্ষেত্রে সহায়তাপূর্বক স্বস্ব ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ দ্বারা ওয়ার্কশপ/সেমিনার/প্রশ্কিষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৯। মৌলভীবাজার শহরে একটি মাত্র ব্যাংকের বৈদেশিক শাখা থাকায় এলসি খুলতে ব্যবসায়ীরা কষ্টের মধ্যে পড়েন। এমতাবস্থায় একাধিক ব্যাংকে বৈদেশিক শাখা খোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করব।
১০। মৌলভীবাজারকে পর্যটন জেলা হিসাবে ঘোষণা করা হলেও অদ্যাবধি সরকারি গেজেট প্রকাশ হয়নি। আমরা বিজয়ী হলে সরকারি এ সিদ্ধান্ত যেন কার্যকরী হয়, সে ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করব।
১১। মৌলভীবাজর জেলার আগর শিল্প অবহেলায় পড়ে আছে। আবার মান্দাতার আমরলের উৎপাদন প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রতি বছর প্রায় ১শ’ কোটি টাকার আগর ও আতর রপ্তানি হয়। কিন্তু তার সিংহভাগ টাকা আসে হুন্ডির মাধ্যমে। ফলে অর্থনৈতিক সমীক্ষায় এ শিল্পে রপ্তানির কোন চিত্র পাওয়া যায় না। যে কারণে এই শিল্প বৈষম্যের শিকার। এই প্যানেল জয়ী হলে আগর শিল্পে প্রণোদনার নিমিত্ত্বে ও বৈদেশিক মুদ্রা লেদেনের পথ সুগম করতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পদকেষপ নেব।
১২। শেরপুরে প্রস্তাবিত ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব এবং প্রবাসীদে বিনিয়োগ করতে সেমিনার-সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা।
১৩। মৌলভীবাজারের বাঁশ-বেত-লৌহ ও মণিপুরী হস্তলিল্প বিকাশের লক্ষ্যে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
১৪। বিসিক শিল্প নগরী মৌলভীবাজারে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের শিল্প কারখানার গড়ে তুলতে সহায়তা প্রদান করব। অন্যদিকে শ্রীমঙ্গলে প্রস্তাবিত বিসিক শিল্প নগরী গড়ে তুলতে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
১৫। চেম্বার অব কমার্স থেকে ব্যবসা সংক্রান্ত বুলেটিন প্রকাশ করব। উল্লেখ্য যে, পূর্বে চেম্বার থেকে বুলেটিন প্রকাশ হলেও বর্তমানে তা বন্ধ আছে। এবং বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশপূর্বক আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করব।
১৬। ২০১১ সালে মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র িি.িসড়ঁষারনধুধৎপযধসনবৎ.পড়স নামে একটি ওয়েবসাই খোলা হয়েছিল্ কিন্তু দুঃখের বিষয়, অবাধ তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এই ওয়েবসাইটটিও বন্ধ রয়েছে। আমরা নির্বাচিত হলে ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালু করব।
উল্লেখ্য গত ২৯ নভেম্বর একই স্থানে চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্যানেল পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাট্রির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলছে প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠান। আগামী ১৪ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে কমিশনের দায়িত্ব পালন করছেন মৌলভীবাজার পৌরসভার প্রথম প্যানেল চেয়ারম্যান মনবীর রায় মঞ্জু। নির্বাচনে ২৫০ জন অর্ডিনারি সদস্য এবং ১৮২ জন অ্যাসোসিয়েট সদস্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচনের ১২ জন অর্ডিনারি শ্রেণীর পরিচালক পদে ২৪ জন এবং ৬ জন অ্যাসোসিয়েট শ্রেণীর পরিচালক পদে ১২ জন প্রার্থী পৃথক দুটি প্যানেলে প্রতিদন্ধিতা করছেন। গত ৬ ডিসেম্বর রাতে বেঙ্গল কমিউনিটি সেন্টারে হাসিব হোসেন খাঁন প্যানেলের পরিচিতি সভা আলাউর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুহিবুর রহমান। পরে প্যানেল লিডার হাসিব হোসেন উপস্থিত ভোটারদের মধ্যে ১৮ জন প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদেরকে ভোট দেয়ার আহবায়ন করেন। প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানে অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র ফয়জুল করিম ময়ুন, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আবদুল হামিদ মাহবুব, মৌলভীবাজার চেম্বারের সাবেক সভাপতি ডাঃ এম এ আহাদ, ডাঃ ছাদিক আহমদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মসুদ আহমদ, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর রহমান বাবুল, বিএনপি নেতা মতিন বখস, মোঃ কামরুল ইসলাম কাজী কুতুব উদ্দিন প্রমুখ।
অর্ডিনারি শ্রেণীর পরিচালক পদে প্রার্থীরা হলেনঃ
হাসিব হোসেন খান (বাবু) ম্যানেজিং ডাইরেক্টও সাউথ সিলেট কোং লিমিটেড, মুহিবুর রহমান, স্বত্বাধিকারী ও পরিবেশক- বিকাশ লিমিটেড, মোঃ নাজিম উদ্দিন নজরুল, স্বত্বাধিকারী মেসার্স নাজিম উদ্দিন নজরুল, সৈয়দ হুমায়েদ আলী শাহীন স্বত্বাধিকারী পাতাকুঁড়ি কম্পিউটার এন্ড অফসেট প্রিন্টার্স ও জাহিন হার্ডওয়ার, সৈয়দ মোজাম্মিল আলী (শরীফ) স্বত্বাধিকারী মেসার্স আলী প্রকৌশলী, মোঃ নজমুল হক স্বত্বাধিকারী জেরিন ড্রাগ হাউজ, সেলিম আহমদ স্বত্বাধিকারী মেসার্স আহমদিয়া ফার্মেসী, মোঃ নূরুল ইসলাম কামরান, স্বত্বাধিকারী এম বি কসমেটিক্স এন্ড গিফ্ট, সাইফুল ইসলাম স্বত্বাধিকারী মেসার্স ম্যাক্স ইলেকট্রনিক্স, শেখ রুমেল আহমদ, স্বত্বাধিকারী মেসার্স শেখ মটরস ও নিউ শেখ মটরস, জুবায়ের আহমদ স্বত্বাধিকারী মেসার্স জুবায়ের ট্রেডার্স,সাজ্জাদুর রহমান চৌধূরী (সাজু) স্বত্বাধিকারী মেসার্স এস, এস ট্রেডার্স।
অ্যাসোসিয়েট শ্রেণীর পরিচালক পদে প্রার্থীরা হলেনঃ

গৌতম রঞ্জন দাশ (কটন) স্বত্বাধিকারী মেসার্স দাশ ইলেকট্রনিক্স, জোবের আহমদ স্বত্বাধিকারী হাবিব লাইব্রেরী, মোঃ তাজুল ইসলাম স্বত্বাধিকারী কনিকা এন্টারপ্রাইজ, মোঃ জুনাইদ হোসেন (জুনেদ) স্বত্বাধিকারী মেসার্স নানু এন্ড ব্রাদার্স, সৈয়দ মেহবুব মোর্শেদ (মাহবুব) স্বত্বাধিকারী মেসার্স সেন্ট্রাল নীড, আব্দুল মালিক স্বত্বাধিকারী ইনফটেক (কম্পিউটার বিক্রয় ও মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান)
প্যানেলটি নির্বাচিত হলে ১৬টি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষনা দেন। কর্মপরিকল্পনা গুলো হচ্ছে ঃ-
১। মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র ২০১০-১১ পরিষদ কর্তৃক উত্থাপিত শ্রীমঙ্গলের চা-নিলাম কেন্দ্র স্থাপনের সমুদয় কার্যক্রমের প্রেক্ষিতে এর সম্ভাব্যতা যাচাইপূর্বক সংসদীয় উপ-কমিটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে ইতিবাচক রিপোর্ট পেশ করে। সদাশয় সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ৯ নভেম্বর বড়লেখা উপলোর জনসভায় শ্রীমঙ্গলে চা-নিলামকেন্দ্র বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। আমরা নির্বাচিত হলে শ্রীমঙ্গলে চা-নিলামকেন্দ্রের কার্যকম শুরু করতে সর্বাধিক গুরুত্ব দেব।
২। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চা-বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায় এবং দেশের মোট চা উৎপাদনের প্রায় ৬২ শতাংশ চা এ জেলায় উৎপাদিত হলেও চা-শিল্পের তত্ত্বাবধান ও বিকাশের লক্ষ্যে গঠিত ‘বাংলাদেশ চা বোর্ড’- এর সদর দপ্তর চট্টগ্রামে অবস্থিত। বাংলাদেশ চা বোর্ডের সদর দপ্তর মৌলভীবাজারে স্থানান্তরের লক্ষ্যে আমরা প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করব। আমরা বিশ্বাস করি, এই বোর্ড এ জেলায় সথানান্তরিত হলে আগামী এক দশকের মধ্যে চা উৎপাদন দ্বিগুণ হবে।
৩। মৌলভীবাজার জেলায় বিদ্যমান স্থলবন্দরের জনবল, অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই বেহাল। বিশেষতঃ বটুলি স্থলবন্দরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও উল্লেখিত সুযোগ সুবিধা না থাকায় এ স্থলবন্দরটি মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। আমরা ব্যবসা-বাণিজ্যের দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে স্থলবন্দরগুলোর উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে চাপ দেবে। এর ফলে পূর্বাঞ্চলের ভারতীয় রাজ্যগুলোর সাথে আমাদের বাণিজ্যিক সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাবে এবং পণ্য সরবরাহ সহজত হবে। ফলে এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক গতিশীলতা আসবে।
৪। বিভিন্ন সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ট্যাক্স ও ভ্যাট কতর্ৃৃপক্ষ দ্বারা নানাভাবে হয়রানির শিকার হন। ব্যবসায়ীদের এহেন সমস্যা নিরসনে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গহণ করব। যাতে অহেতুক ও অন্যায়ভাবে ট্যাক্স ও ভ্যাট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবসায়ীরা বিড়ম্বনার শিকার না হন। সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে চেম্বার অব কমার্স কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদেরকে নিয়ে আলাপ-আলোচনা করবে।
৫। সাম্প্রতিককালে ভোক্তা অধিকার আইনের আওতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক ব্যবসায়ীগণ চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েন। ক্ষেত্রবিশেষে নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক অসৌজন্যমূলক আচরণ ও বিব্রতকর অবস্থার সম্মখীন হন। আমরা প্রশাসনের সাথে আলাপ-আলোচনা করে তা নিরসনের উদ্যোগ নেব।
৬। আমরা অঙ্গীকার করছি, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থসংরক্ষণপূর্বক তাদের সাথে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুসরণ করে বাণিজ্যমেলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।
৭। প্রকৃত উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীগণ যাতে সহজে ব্যাংক ঋণ পেতে পারেন সে ব্যাপারে চেম্বার সর্বাত্মক সহযোগীতা করবে এবং এসএমই ঋণপ্রাপ্তির প্রতিবন্ধকতা দূর করতে আমরা বদ্ধপরিকর থাকব।
৮। ক্ষুদ্র ও মাঝারি এবং মহিলা শিল্পোক্তাদের সম্ভাব্য ক্ষেত্রে সহায়তাপূর্বক স্বস্ব ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ দ্বারা ওয়ার্কশপ/সেমিনার/প্রশ্কিষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৯। মৌলভীবাজার শহরে একটি মাত্র ব্যাংকের বৈদেশিক শাখা থাকায় এলসি খুলতে ব্যবসায়ীরা কষ্টের মধ্যে পড়েন। এমতাবস্থায় একাধিক ব্যাংকে বৈদেশিক শাখা খোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করব।
১০। মৌলভীবাজারকে পর্যটন জেলা হিসাবে ঘোষণা করা হলেও অদ্যাবধি সরকারি গেজেট প্রকাশ হয়নি। আমরা বিজয়ী হলে সরকারি এ সিদ্ধান্ত যেন কার্যকরী হয়, সে ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করব।
১১। মৌলভীবাজর জেলার আগর শিল্প অবহেলায় পড়ে আছে। আবার মান্দাতার আমরলের উৎপাদন প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রতি বছর প্রায় ১শ’ কোটি টাকার আগর ও আতর রপ্তানি হয়। কিন্তু তার সিংহভাগ টাকা আসে হুন্ডির মাধ্যমে। ফলে অর্থনৈতিক সমীক্ষায় এ শিল্পে রপ্তানির কোন চিত্র পাওয়া যায় না। যে কারণে এই শিল্প বৈষম্যের শিকার। এই প্যানেল জয়ী হলে আগর শিল্পে প্রণোদনার নিমিত্ত্বে ও বৈদেশিক মুদ্রা লেদেনের পথ সুগম করতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পদকেষপ নেব।
১২। শেরপুরে প্রস্তাবিত ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব এবং প্রবাসীদে বিনিয়োগ করতে সেমিনার-সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা।
১৩। মৌলভীবাজারের বাঁশ-বেত-লৌহ ও মণিপুরী হস্তলিল্প বিকাশের লক্ষ্যে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
১৪। বিসিক শিল্প নগরী মৌলভীবাজারে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের শিল্প কারখানার গড়ে তুলতে সহায়তা প্রদান করব। অন্যদিকে শ্রীমঙ্গলে প্রস্তাবিত বিসিক শিল্প নগরী গড়ে তুলতে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
১৫। চেম্বার অব কমার্স থেকে ব্যবসা সংক্রান্ত বুলেটিন প্রকাশ করব। উল্লেখ্য যে, পূর্বে চেম্বার থেকে বুলেটিন প্রকাশ হলেও বর্তমানে তা বন্ধ আছে। এবং বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশপূর্বক আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করব।
১৬। ২০১১ সালে মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র িি.িসড়ঁষারনধুধৎপযধসনবৎ.পড়স নামে একটি ওয়েবসাই খোলা হয়েছিল্ কিন্তু দুঃখের বিষয়, অবাধ তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এই ওয়েবসাইটটিও বন্ধ রয়েছে। আমরা নির্বাচিত হলে ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালু করব।
উল্লেখ্য গত ২৯ নভেম্বর একই স্থানে চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্যানেল পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্টাফ রিপোর্টর॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •