জুড়ীর হাড়ারগজ সংরক্ষিত বন আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছে বন বিভাগ

November 20, 2013, এই সংবাদটি ২৮৩ বার পঠিত

বিধি ভেঙে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নামে রেকর্ড হওয়া হাড়ারগজ সংরক্ষিত বনের জমি ফিরে পেতে আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছে বন বিভাগ। এদিকে বনের ওই জমিতে চা-বাগান করার উদ্দেশে জমি বন্দোবস্ত চেয়ে একটি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। জুড়ী-১ রেঞ্জের আওতাধীন হাড়ারগজ সংরক্ষিত বনটি দীর্ঘদিন জরিপের বাইরে ছিল। এ অবস্থায় ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ডিজিটাল পদ্ধতিতে বনটি জরিপের উদ্যোগ নেয়। ২০১০ সালে জরিপকাজ শুরু হয়। জরিপ শেষে চলতি বছরের ৪ আগস্ট হাড়ারগজ আরএফ (সংরক্ষিত বন) মৌজায় (জেএল নম্বর-৭৮) জেলা প্রশাসকের নামে দুই হাজার ১৭৪ দশমিক ৩৫ একর জমি রেকর্ড হয়। একই মৌজায় বন বিভাগের নামে রেকর্ড হয় ১১ হাজার ৬৮ দশমিক ৮৯ একর জমি। অথচ ২০০১ সালে প্রণীত ভূমি রেকর্ড ও নকশাবিষয়ক নির্দেশাবলিতে বলা হয়েছে, ১৯২৭ সালের বন আইনের (ফরেস্ট অ্যাক্ট) ২০ ধারা বলে সংরক্ষিত বন হিসেবে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের অন্তর্ভুক্ত সব জমি বন বিভাগের নামে খতিয়ানভুক্ত হবে। এ ছাড়া বন বিভাগ প্রত্যর্পণ না করলে রিজার্ভড, প্রোটেকটেড বা অ্যাকোয়ার্ড হিসেবে চিহ্নিত বনের কোনো জমি কারও নামে রেকর্ড করা যাবে না। ২০০০ সালের দিকে চা-চাষ সম্প্রসারণের জন্য হাড়ারগজ সংরক্ষিত বন মৌজায় দুই হাজার ২০০ একর জমি বন্দোবস্ত পেতে স্থানীয় নিউ সাগরনাল টি কোম্পানির মালিকানাধীন সাগরনাল চা-বাগান কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করে। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) বনের অখ-তা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জনস্বার্থে জমিটি ফেরত পেতে সিলেটের আঞ্চলিক সেটেলমেন্ট কর্মকর্তাকে ৭ অক্টোবর একটি চিঠি দেন। ওই চিঠিতে জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ড হওয়া জমিটি হাড়ারগজ সংরক্ষিত বনের চৌহদ্দির মধ্যে পড়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। সিলেটের ডিএফও আবুল বাশার মিয়া জানান, বিধি ভেঙে জমি রেকর্ডের বিষয়ে সেটেলমেন্ট কার্যালয় ব্যবস্থা নেবে বলে তাঁরা আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু সেটা হয়নি। তাঁদের দেওয়া চিঠির কোনো জবাবও মেলেনি। জমি ফেরত পেতে তাঁরা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সিলেটের আঞ্চলিক সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা ও সুপারিনটেনডেন্ট অব সার্ভে সিরাজুল হক বলেন, ‘জরিপের চূড়ান্ত প্রকাশনার কাজ হয়ে গেছে। সময়মতো বন বিভাগের পক্ষথেকে আপত্তি বা আপিল করা হয়নি। এখন আমাদের করার কিছুই নেই।’ উপজেলা ভূমি কার্যালয় সূত্র জানায়, হাড়ারগজ সংরক্ষিত বন মৌজায় চা-বাগান করার আগ্রহের কথা জানিয়ে দুই হাজার ১৬৯ দশমিক ৭১ একর জমি বন্দোবস্ত চেয়ে সিলেটে নগরের ‘ম্যাকসন ব্রাদার্স বাংলাদেশ লিমিটেড’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মালিক হুমায়ূন ৭ অক্টোবর মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের টি সেল (চা-সংক্রান্ত শাখা) থেকে উপজেলার সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে ২৮ অক্টোবর চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে।
বিধি ভেঙে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নামে রেকর্ড হওয়া হাড়ারগজ সংরক্ষিত বনের জমি ফিরে পেতে আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছে বন বিভাগ। এদিকে বনের ওই জমিতে চা-বাগান করার উদ্দেশে জমি বন্দোবস্ত চেয়ে একটি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। জুড়ী-১ রেঞ্জের আওতাধীন হাড়ারগজ সংরক্ষিত বনটি দীর্ঘদিন জরিপের বাইরে ছিল। এ অবস্থায় ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ডিজিটাল পদ্ধতিতে বনটি জরিপের উদ্যোগ নেয়। ২০১০ সালে জরিপকাজ শুরু হয়। জরিপ শেষে চলতি বছরের ৪ আগস্ট হাড়ারগজ আরএফ (সংরক্ষিত বন) মৌজায় (জেএল নম্বর-৭৮) জেলা প্রশাসকের নামে দুই হাজার ১৭৪ দশমিক ৩৫ একর জমি রেকর্ড হয়। একই মৌজায় বন বিভাগের নামে রেকর্ড হয় ১১ হাজার ৬৮ দশমিক ৮৯ একর জমি। অথচ ২০০১ সালে প্রণীত ভূমি রেকর্ড ও নকশাবিষয়ক নির্দেশাবলিতে বলা হয়েছে, ১৯২৭ সালের বন আইনের (ফরেস্ট অ্যাক্ট) ২০ ধারা বলে সংরক্ষিত বন হিসেবে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের অন্তর্ভুক্ত সব জমি বন বিভাগের নামে খতিয়ানভুক্ত হবে। এ ছাড়া বন বিভাগ প্রত্যর্পণ না করলে রিজার্ভড, প্রোটেকটেড বা অ্যাকোয়ার্ড হিসেবে চিহ্নিত বনের কোনো জমি কারও নামে রেকর্ড করা যাবে না। ২০০০ সালের দিকে চা-চাষ সম্প্রসারণের জন্য হাড়ারগজ সংরক্ষিত বন মৌজায় দুই হাজার ২০০ একর জমি বন্দোবস্ত পেতে স্থানীয় নিউ সাগরনাল টি কোম্পানির মালিকানাধীন সাগরনাল চা-বাগান কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন করে। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) বনের অখ-তা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জনস্বার্থে জমিটি ফেরত পেতে সিলেটের আঞ্চলিক সেটেলমেন্ট কর্মকর্তাকে ৭ অক্টোবর একটি চিঠি দেন। ওই চিঠিতে জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ড হওয়া জমিটি হাড়ারগজ সংরক্ষিত বনের চৌহদ্দির মধ্যে পড়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। সিলেটের ডিএফও আবুল বাশার মিয়া জানান, বিধি ভেঙে জমি রেকর্ডের বিষয়ে সেটেলমেন্ট কার্যালয় ব্যবস্থা নেবে বলে তাঁরা আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু সেটা হয়নি। তাঁদের দেওয়া চিঠির কোনো জবাবও মেলেনি। জমি ফেরত পেতে তাঁরা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সিলেটের আঞ্চলিক সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা ও সুপারিনটেনডেন্ট অব সার্ভে সিরাজুল হক বলেন, ‘জরিপের চূড়ান্ত প্রকাশনার কাজ হয়ে গেছে। সময়মতো বন বিভাগের পক্ষথেকে আপত্তি বা আপিল করা হয়নি। এখন আমাদের করার কিছুই নেই।’ উপজেলা ভূমি কার্যালয় সূত্র জানায়, হাড়ারগজ সংরক্ষিত বন মৌজায় চা-বাগান করার আগ্রহের কথা জানিয়ে দুই হাজার ১৬৯ দশমিক ৭১ একর জমি বন্দোবস্ত চেয়ে সিলেটে নগরের ‘ম্যাকসন ব্রাদার্স বাংলাদেশ লিমিটেড’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মালিক হুমায়ূন ৭ অক্টোবর মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের টি সেল (চা-সংক্রান্ত শাখা) থেকে উপজেলার সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে ২৮ অক্টোবর চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। এইচ ডি রুবেল ॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •