কুড়িয়ে পাওয়া শিশুটি আশ্রয় পেল

স্টাফ রিপোর্টার॥ অবশেষে দীর্ঘ দুই মাস পর আশ্রয় পেল কুড়িয়ে পাওয়া সেই শিশুটি উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের খালাগাঁও গ্রামের নি:সন্তান হেপি বেগম (৪৫) এর কাছে।
পুলিশ ও সংশি¬ষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১৩ জানুয়ারী মনসুরনগর ইউনিয়নের বড়কাপন গ্রামের রোকেয়া বেগম (৫০) ক্ষেতে সবজি তুলার সময় বাশের বেড়ায় ঝুলানো একটি (বাজারের) ব্যাগে একটি শিশু দেখতে পান। কোয়াশার পানিতে জুবতুব ফুটফুটে মেয়ে শিশুটি কাঁদছিল। তিনি শিশুটিকে বাড়িতে নিয়ে যান। খবর দেন মৌলভীবাজারে বাসায় থাকা তার দেবর ডিডরাইটারু মখদ্দুস মিয়াকে। খবর পৌঁছে যায় রাজনগর থানায়ও।
রাজনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু মোকসেদ পিপিএম দ্রুত ছুটে যান ঘটনাস্থলে। শিশুটির অবস্থা দেখে তারও চোখে জল এসে যায়। ঠান্ডায় হিম হয়ে যাওয়া শিশুটিকে দ্রুত নিয়ে যান মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতালে। তিনি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এরপর থেকে দীর্ঘ দুই মাস শিশুটি মৌলভীবাজার হাসপাতালের সমাজসেবা বিভাগের তত্বাবধানে হাসপাতালেই ছিল। এদিকে শিশুটিকে দত্তক নিতে অনেকেই আদালতে আবেদন করেন। পরে আদালত গত ১৭ মার্চ হেপি বেগমকে শিশুটি দেয়ার নির্দেশ দিলে তিনি বুধবার বিকালে শিশুটি গ্রহণ করেন। রাজনগর থানার উপপরিদর্শক আবু মোকসেদ পিপিএম বলেন, আদালতের নির্দেশে শিশুটিকে হেপি বেগমের কাছে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি ভালো আছে।



মন্তব্য করুন