মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষকদের ৩দিন ব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ

স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মো: তোফায়েল ইসলাম বলেছেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা চর্চা করতে হবে। শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেলে কুসংস্কার ও অনৈতিকতা দূর হবে। শিক্ষার ভালো দিক গ্রহণ করতে হবে। ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। মানুষ সামাজিক জীব। কেউ সাহায্য না করলে একা একা একজন মানুষ বাঁচতে পারবে না। পৃথিবীতে অন্যান্য প্রাণীগুলো রয়েছে, তার মধ্যে মানুষ শ্রেষ্ঠ। সেই প্রেক্ষাপটে আমাদের শিক্ষার প্রয়োজন। শিক্ষা ছাড়া অজানাকে জানা যাবে না। মানুষ যখন জন্ম নেয় তখন তার পরিচয় নেই, সে শিশু। সমাজ তাকে পরিচয় করিয়ে দেয় তুমি ছেলে বা মেয়ে। তারপর পরিচয় দেয় তুমি এই ধর্মাবলম্বী। অতএব আমরা মানুষ হিসাবে শিক্ষার দিকে অগ্রসর হতে হবে। শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষাই জাতির মেরুদ-।
জেলা প্রশাসক শনিবার ৬ এপ্রিল সকাল ১০টায় মৌলভীবাজার এম সাইফুর রহমান অডিটোরিয়ামে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্ট কর্তৃক পরিচালিত মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম মৌলভীবাজার এর শিক্ষকগণের ৩দিন ব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারি প্রকল্প পরিচালক নিলাদ্রি সরকার এর সভাপতিত্বে ও ফিল্ড সুপারভাইজার আজিজুল হক সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের উপ-পরিচালক মো: সিরাজুল ইসলাম, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো: জসিম উদ্দিন, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পংকজ রায় মুন্না, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. জিল্লুল হক। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমলকুঁড়ি পত্রিকার সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ, ফিল্ড সুপারভাইজার আব্দুল লতিফ, মিধু রানী মন্ডল প্রমুখ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরে প্রশিক্ষণের লক্ষ্য উদ্দেশ্য, গুরুত্ব, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, শিক্ষা উপকরণ কি ? পাঠদান আর্কষণীয় করণে শিক্ষা সহায়ক উপকরণের ভূমিকা, স্বল্পবুদ্ধাসম্পন্ন, শিখনে অনগ্রসরশিশুদের শিক্ষাদানে শিক্ষকদের করণীয়, আদর্শ শিক্ষকদের গুণাবলীসহ ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
৩দিন ব্যাপী শিক্ষগণের বুনিয়াদি এ প্রশিক্ষণে মৌলভীবাজার সদর, কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল ও রাজনগর উপজেলার আংশিক মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৫ম পর্যায়ের) কেন্দ্রের শতাধিক শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।



মন্তব্য করুন