বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করেছে

বিকুল চক্রবর্তী: ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বইয়ের আলোয় আলোকিত করার লক্ষ্যে বিকাশের সহায়তায় শ্রীমঙ্গলের দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উদয়ন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করেছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।
বুধবার ১৯ দুপুরে শ্রীমঙ্গলের মহসিন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক ও অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ। এ সময় লেখক ও অভিনেতা খায়রুল ইসলাম সবুজ বলেন, পৃথিবীতে দুই ধরণের মানুষ আছেন, যারা বই পড়েন আর যারা বই পড়েন না। তফাৎটা কিন্তু বিশাল। বই পড়লে মানুষের মন সবচেয়ে বিকশিত হয়, আলোকিত হয়। আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে আগামী প্রজন্মের মধ্যে সেই বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে যে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও বিকাশ, তা সত্যিই অসাধারণ।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যুগ্ম-পরিচালক (প্রোগ্রাম) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিকাশের হেড অব রেগুলেটরি এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স হুমায়ুন কবির, ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অয়ন চৌধুরী, কলামিষ্ট আমিরুজ্জামান ও শ্রীমঙ্গল উদয়ন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা আব্দুল মালেকসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ‘দেশ ভিত্তিক উৎকর্ষ কার্যক্রম’-এর বইপড়া কর্মসূচিতে ২০১৪ সাল থেকে যুক্ত আছে দেশের বৃহত্তম মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ। এ পর্যন্ত সারাদেশের প্রায় ২৫০০ স্কুলের শিক্ষার্থীরা এই কার্যক্রমের আওতায় আড়াই লাখেরও বেশি বইপড়ার সুযোগ পেয়েছে। গত পাঁচ বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কার্যক্রমে ৪০ হাজার বই দেয়ার কথা জানিয়েছেন বিকাশের হেড অব রেগুলেটরি এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স হুমায়ুন কবির। এ সময় তিনি আরো বলেন, বইপড়ায় উৎসাহিত করার মত একটা কার্যক্রমের অংশ হতে পেরে বিকাশ আনন্দিত। মানুষ ও দেশের উন্নয়নে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেধা ও মননের বিকাশের মাধ্যেমে তারা পাশে থাকবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, বইপড়া কর্মসূচি ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পরিচালিত হয়। প্রতি বছর ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।



মন্তব্য করুন