দীর্ঘ ২০দিন পর মৌলভীবাজারের ৯২টি বাগান সহ দেশের ১৬৭টি বাগানে পূরোদমে সচল হলো চা শিল্পের সার্বিক কার্যক্রম

স্টাফ রিপোর্টার॥ মজুরী বৃদ্ধির আন্দোলন শেষে দীর্ঘ ২০দিন পর পূরোদমে সচল হলো চা শিল্পের সার্বিক কার্যক্রম। আজ সোমবার থেকে ঘুরছে চা ফ্যাক্টরীর চাকা। একযোগে নেমেছেন জেলার ৯২টি বাগান সহ দেশের ১৬৭টি বাগানের শ্রমিকরা পাতা উত্তোলনে। সোমবার ২৯ আগষ্ট বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা জানান, চায়ের ভরা মৌসুসে দেশের ১৬৭টি চা বাগান নিয়ে গঠিত ৭টি ভ্যালীর চা শ্রমিকদের নতুন মজুরী ১৭০ টাকা ঘোষনা আসার পর সকাল থেকে কাজে যোগ দিয়েছেন।
শনিবার বিকেলে চা বাগান মালিকদের সাথে গণভবনে প্রধান মন্ত্রীর বৈঠক শেষে শ্রমিকদের দৈনিক মজুরী ১৭০ ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বর্ধিত করাসহ প্রধানমন্ত্রী তাদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে শ্রমিকদের সাথে কথা বলবেন। এমন ঘোষণা পেয়ে খুশী হয়ে শ্রমিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রীর ওই ঘোষণা প্রত্যন্ত অঞ্চলের শ্রমিকদের কাছে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় আজ সকাল থেকে উৎফুল হয়ে প্রতিটি বাগানের শ্রমিকরা চা পাতা উত্তোলন ও ফ্যাক্টরি কাজসহ অন্যান্য কাজে যোগদেন।
উল্লেখ্য গতকাল রোববার চা বাগান শ্রমিকদের সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় বেশ কিছু বাগানে নগদ হাজিরার ভিত্তিতে শ্রমিকরা কাজে যোগ দেন।
এদিকে চা শ্রমিক মজুরী বৃদ্ধি করে ১৭০ টাকা করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে রোববার বিকেলে মৌলভীবাজারের চা শ্রমিকরা আনন্দ মিছিল বের করে।
উল্লেখ্য ৩০০ টাকা মজুরীর দাবীতে গত ৯ আগষ্ট থেকে ২ ঘন্টা করে কর্ম বিরতি এবং ১৩ তারিখ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে নামেন চা শ্রমিকরা। দাবী না মানায় মৌলভীবাজারের ৯২টি চা বাগান সহ দেশের ১৬৭টি চা বাগানের শ্রমিকরা টানা ১৯দিন ধর্মঘট পালন করেন ।



মন্তব্য করুন