বড়লেখায় বেড়ে গেছে লোডশেডিং, প্রচন্ড গরমে অন্তহীন ভোগান্তি

স্টাফ রিপোর্টার॥ বড়লেখায় হঠাৎ যেন বেড়ে গেছে পল্লীবিদ্যুতের লোডশেডিং। কয়েকদিন ধরে দিনে ও রাতে ৫-৭ বার দীর্ঘসময় লোডশেডিং করা হচ্ছে। সেপ্টেম্বর থেকে দেশে কোন লোডশেডিং থাকবে না সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের বরাতে এমন খবর জানা গেলেও বড়লেখায় ভিন্ন চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যেন হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে লোডশেডিংয়ের মাত্রা। প্রচন্ড গরমে বিদ্যুৎহীন হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। জনজীবনে নেমেছে চরম ভোগাšি। পল্লীীবিদ্যুতের মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে সবচেয়ে বেশি বিপাকে ডিগ্রী ফাইনাল ইয়ারের পরিক্ষার্থীরা। রাতের বেলা হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ফলে মোমের আলোয় পড়তে হচ্ছে তাদের।
সেপ্টেম্বর মাসে কোন লোডশেডিং না থাকার কথা জানা গেলেও গত এক সপ্তাহের বেশি সময় থেকেই বড়লেখায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়ে গেছে। দিন কিংবা রাত ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে। মানা হচ্ছে না কোন সিডিউল। জেলার অন্যান্য উপজেলার তুলনায় বড়লেখায় বেশি লোডশেডিং হচ্ছে বলে অভিযোগ গ্রাহকদের। তাদের অভিযোগ তীব্র গরমের মধ্যে বড়লেখা পল্লীবিদ্যুৎ হুটহাট বিদ্যুৎ নিচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ নিলে ১ থেকে ৩ ঘন্টার আগে আসে না। এতে তারা দুর্বিষহ সময় পার করছেন।
এ ব্যাপাওে ডিগ্রী ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষার্থী আফরোজা রহমান জানান, ‘ধামার ডিগ্রী ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা চলছে। কিন্তু বড়লেখায় কিছুদিন থেকে যে হাওে লোডশেডিং করা হচ্ছে এতে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে। রাতের বেলা বিদ্যুৎ না থাকায় তীব্র গরমে মোমের আলোতে পড়তে হচ্ছে।’
ব্যবসায়ী নজমুল ইসলাম বাবলু জানান, জুলাই ও আগষ্ট মাসে সরকারিভাবে ঘোষণা দিয়ে লোডশেডিং করা হয়েছে। দিনে প্রায় ১২ ঘন্টাই বিদ্যুত থাকতো না। এরপর ধীওে ধীওে বিদ্যুত সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। খবওে দেখলাম সেপ্টেম্বর মাস থেকে কোন লোডশেডিং থাকবে না। কিন্তু গত কিছুদিন থেকে ফের লোডশেডিং বেড়ে গেছে। তীব্র গরমে দিন ও রাতে অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ থাকছেনা।’
বড়লেখা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহা ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী (ডিজিএম) সুহেল রানা চৌধুরী বলেন, ‘বড়লেখায় চাহিদার বিপরীতে অর্ধেকও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে না। যে কারণে দিনে এবং রাতে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সরবরাহ না পাওয়ায় বিদ্যুতের সিডিউলও মানা সম্ভব হচ্ছে না।



মন্তব্য করুন