মাওলানা আব্দুল ওয়াজিদ কে নিঃশর্তে মুক্তির দাবী- খেলাফত মজলিস

স্টাফ রিপোর্টার॥ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার জেলা শাখার অফিস সম্পাদক মাওলানা আব্দুল ওয়াজিদকে মিথ্যা ষড়যন্ত্র ও হয়রানি মূলক মামলায় গ্রেফতারের তিব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার সদর উপজেলা শাখা।
এক যৌথ বিবৃতিতে নির্বাহী সভাপতি মাওলানা ইসমাইল আলী ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শেখ সাদী বলেন মাওঃ আব্দুল ওয়াজিদ কে গ্রেফতারের মধ্যদিয়ে প্রশাসন আবার প্রমান করল তারা আলেম উলামা প্রেমিক নয়। একজন ইসলামি আন্দোলনের কর্মিকে থানায় ডেকে নিয়ে গ্রেফতার সরকারের হিনমন্যতা ও উলামা বিদোবষি মনো ভাবের বহিঃপ্রকাশ। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় আরো বলেন আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, একদিকে রাষ্ট্র ভিন্নমত দমনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো চরম সমালোচিত এবং কুখ্যাত আইনের অপব্যবহার ব্যবহার করছে, এর ফায়দা নিচ্ছে প্রভাবশালী কুচক্রী মহল তাদের এমনতর কর্মকা-ে শান্তি পূর্ণ সমাজেকে তারা অস্থিরতা করে তুলছে বলে আমরা মনে করি তাই অবিলম্বে ষড়যন্ত্রের শিকার বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার জেলা অফিস সম্পাদক ও সদর উপজেলা শাখার সহ সাধারণ সম্পাদক মাও আব্দুল ওয়াজিদ কে নিঃশর্ত মুক্তি ও হয়রানি মূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি করে নেতৃবৃন্দ বলেন আমরা একাধিক সূত্রে মধ্যে জানতে পারি যে বিগত কিছু দিন যাবত একটি কুচক্রী মহল মাওঃ আব্দুল ওয়াজিদ এর বিরুদ্ধে স্থানীয় ওয়াটসাপ গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে অপপ্রচার করে এলাকায় একটি অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছিল। এমন কি তারা তার বিরুদ্ধে মাধক এর অপবাদ তুলে তাকে সামাজিক বাভে হেয় করার অপচেষ্টা করে অতপর স্থানীয় সালিসে এবং প্রশাসনিক ভাবে প্রমান করতে না পেরে এলাকার অভ্যন্তরীণ এই বিষয় টি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। মাধকের সাথে তার কেনো সংকৃপ্ততা প্রমাণ করতে না পেরে ষড়যন্ত্রকারী কুচক্রী মহল প্রশাসন কে ব্যাবহার করে মাওঃ আব্দুল ওয়াজিদকে মৌলভীবাজার জেলা ডিবি অফিসে ডেকে নিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়। যা অমানবিক এবং জুলুম তাই আমাদের দাবী অবিলম্বে ষড়যন্ত্রের ও হয়রানির শিকার মাওঃ আব্দুল ওয়াজিদ কে মুক্তি দিতে হবে এবং তাকে সামাজিক বাভে হেনস্থা করার জন্য দুঃখপ্রকাশ করতে হবে। এবং সেই কুচক্রী মহলের যে বা যারা ষড়যন্ত্র মূলক কর্মকানন্ড ও প্রতারণা মাধ্যমে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে, এসময় তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো ‘নিপীড়নমূলক’ আইনগুলো বাতিল করে বাকস্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।



মন্তব্য করুন