হাকালুকি হাওরে বাড়ছে পানি ঃ দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশংকা

June 19, 2018,

আব্দুর রব॥ হাকালুকি হাওরে অব্যাহতভাবে ঢলের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতিমধ্যে জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় রাস্তাঘাট ও বাড়ি ঘরে পানি উঠেছে। সোনাই নদী, জুড়ী নদী ও কন্ঠিনালা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার ৫ ইউনিয়নে দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশংকা রয়েছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, সোনাই, জুড়ী ও কন্ঠিনালা নদী দিয়ে গত কয়েক দিন ধরে বিপদ সীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এসব নদী দিয়ে ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের ভারি বর্ষণ ও ঢলের পানি প্রবাহিত হয়ে তা হাকালুকি হাওরে পতিত হয়। হাকালুকির পানি সুরমা ও কুশিয়ারা নদী দিয়ে বের হয়ে থাকে। কিন্তু সুরমা ও কুশিয়ারা নদী যখন হাকালুকি হাওরের অতিরিক্ত পানি ধারণ করতে না পারে তখনই উজানের গ্রামগুলো প¬াবিত করে। গত ১ সপÍাহ ধরে হাকালুকি হাওরের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সোমবার সকালে দেখা গেছে, হাকালুকি হাওরপারের দাসেরবাজার ভায়া আজিমগঞ্জ-বাছিরপুর এলজিইডি রাস্তার ৪ স্থান বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। জুড়ী উপজেলা কমপ্লে¬ক্সের সামনের সড়ক ও জনপথের রাস্তা ও জুড়ী চৌমুহনী রাস্তায় পানি উঠেছে। ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করলেও অব্যাহত পানি বৃদ্ধির কারণে যে কোন সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ হতে পারে। জুড়ী উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ও জায়ফরনগর ইউনয়ন এবং বড়লেখা উপজেলার সুজানগর, তালিমপুর ও বর্নি ইউনিয়নে স্থায়ী বন্যার আশংকা রয়েছে।বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, মনু নদীর প্রতিরক্ষা রাঁধ ভেঙ্গে কুলাউড়া ও রাজনগর উপজেলার বিভিন্ন স্থান গড়িয়ে বন্যার পানি হাকালুকি হাওরে প্রবেশ করছে। কিন্ত দ্রুত এ পানি নামতে পারছে না। এতে বড়লেখার নিম্নাঞ্চলের ইউনিয়নগুলো তলিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। বন্যা কবলিত কিছু এলাকা তিনি পরিদর্শন করেছেন।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com