বড়লেখা চান্দগ্রাম ডিগ্রী মাদ্রাসার অধ্যক্ষের চেয়ার দখল

বড়লেখা প্রতিনিধি॥ বড়লেখার চান্দগ্রাম আনোয়ারুল উলুম ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার অধ্যক্ষের চেয়ারে বসে অফিস করেন গভর্ণিংবডির সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রহিম ! তিনি নিয়মিত মাদ্রাসায় গিয়ে যেভাবে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে ঢুকে অধ্যক্ষের চেয়ার জুড়ে বসেন তাতে অনেকেই তাকে অধ্যক্ষ মনে করেন। তার এমন আচরণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহল ক্ষুব্দ ও বিব্রত।
জানা গেছে, উপজেলার চান্দগ্রাম আনোয়ারুল উলুম ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার গভর্নিংবডির নির্বাচনের ভোটার তালিকা অনুমোদনের নির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়ে চলিত বছরের ১৮ জানুয়ারী মাদ্রাসায় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ৪২জন ব্যক্তির কেউই ভোটার নন অথচ তালিকায় অর্šÍভুক্ত করতে অধ্যক্ষ মোস্তাক আহমদ চৌধুরীকে চাপ প্রয়োগ করা হলে তিনি তা বিধিসম্মত নয় জানালে গভর্নিংবডির সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হক থানা পুলিশ ডেকে পুলিশের উপস্থিতিতে সভার রেজুলেশন বইসহ জরুরী কাগজপত্র ছিনিয়ে নেন। নিজেই উক্ত ৪২ জনকে তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করে বে-আইনিভাবে রেজুলেশন লিখে অধ্যক্ষ মোস্তাক আহমদ চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেন। বিগত ২৩ ফেব্রুয়ারী গভর্নিংবডির মেয়াদ শেষ হয়েছে। অদ্যাবধি ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় নতুন কোন কমিটির অনুমোদন দেয়নি। ৩০ জুলাই সোমবার দুপরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গভর্নিংবডির সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রহিম অধ্যক্ষের চেয়ারে বসে অফিস করছেন যেন তিনিই অধ্যক্ষ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাদ্রাসার গভর্নিংবডির সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রহিম জানান, তিনি অধ্যক্ষের চেয়ারে বসেননি। সামনের নরম্যাল চেয়ারে বসে কমিটি সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখভাল করেন। অধ্যক্ষের চেয়ারে বসে কাজ করার ছবি সাংবাদিকের নিকট সংরক্ষিত রয়েছে বললে তিনি জানান, কেউ হয়ত শত্রুতা করেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাওলাদার আজিজুল ইসলাম জানান, গভর্নিংবডির কোন সদস্য অধ্যক্ষের চেয়ারে বসলে তা মোটেও সুন্দর দেখায় না।



মন্তব্য করুন