মৌলভীবাজার-১ আসন বড়লেখায় ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া, এজেন্ট বের করে কেন্দ্র দখলের অভিযোগ ২ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ, ১ এজেন্ট গ্রেফতার

বড়লেখা প্রতিনিধি॥ বড়লেখায় সকাল ৮টা থেকে নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিল চোঁখে পড়ার মত। জনসাধারণের মধ্যে ভোটের উৎসব বিরাজ করলেও বেলা বাড়ার সাথে পাল্টে যেতে থাকে ভোট কেন্দ্রের দৃশ্য। কেন্দ্র দখল শুরু হতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ভোটাররা। এ নিয়ে কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। অধিকাংশ কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের বের করে ভিতরে চলে জাল ভোটের মহোৎসব। আ’লীগ-বিএনপির সংঘর্ষে দুইটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হয়। দোহালিয়া প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রের ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট সোহেল আহমদ বটলকে বিকেলে গ্রেফতার করে পুলিশ।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু অভিযোগ করেন বড়লেখার কেছরিগুল প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে ধানের শীষের পোলিং এজেন্টকে ভেতরে প্রবেশ করতেই দেয়া হয়নি। সকাল এগারোটার পর ছোটলেখা দক্ষিণভাগ, ষাটমা, সৎপুর, অজমির, বড়খলা, চান্দগ্রাম, গলগজা সহ অধিকাংশ ভোট কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে শাসক দলের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে নৌকায় সিল মেরেছে। সাড়ে এগারোটার দিকে পৌরশহরের ষাটমা প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রের ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দিলে কেন্দ্রের বাহিরে সড়কে বিএনপি ও আ’লীগের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এজেন্ট বের করে দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির ও আ’লীগের কর্মী-সমর্থকের মধ্যকার সংঘর্ষের কারণে পাকশাইল ও বর্নি কেন্দ্রে দুপুর ১২টা থেকে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হয়।
পাইকশাইল কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আশরাফুল ইসলাম ও বর্নি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার শহীদুল ইসলাম ভোট গ্রহণ বন্ধ রাখার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
জুড়ী : জুড়ী উপজেলার চম্পকলতা, সায়পুর, নয়াগ্রাম, মনতৈল, কাশীনগর, জাঙ্গীরাই, বেলাগাও, রতœা, বটুলিসহ কয়েকটি ভোট কেন্দ্রের ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের বের করে কেন্দ্র দখলে নিয়ে আওয়ামী, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জাল ভোট মেরেছে। দুপুর ১২টার পর থেকে ধানের শীষের কোন ভোটারকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেয়া হয়নি। সায়পুর ভোট কেন্দ্রের ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীর এক পোলিং এজেন্টকে ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়।



মন্তব্য করুন