(ভিডিওসহ) শ্রীমঙ্গলে চার ধর্মের সম্প্রীতির সংলাপে ধর্মান্ধ ও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রুখে দেয়ার আহবান

বিকুল চক্রবর্তী॥ শ্রীমঙ্গলে ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’ এর আয়োজনে ও উপজেলা প্রশাসন এর সহযোগীতায় সম্প্রীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংলাপে হিন্দু, মুসলিম, বোদ্ধ ও খ্রিষ্ঠান ধর্মের প্রতিনিধিরা একমত পোষন করে বলেন, সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় থাকলে ধর্মান্ধ ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রুখে দেয়া যাবে।
২৪ নভেম্বর রবিবার সন্ধায় শ্রীমঙ্গল জেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সম্প্রীতি সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহবায়ক পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রধান আলোচক ছিলেন সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য মিহির কান্তি ঘোষাল। সংলাপে বক্তব্য রাখেন, সাবেক সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হরিপদ রায়, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আশরাফুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অর্ধেন্দু কুমার দেব,।
এসময় ইসলাম ধর্মের উপর আলোচনা করেন শ্রীমঙ্গল থানা জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস নিজামী, হিন্দু ধর্মের উপর শ্রীমঙ্গল সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর নিখিল ভট্টাচার্য, খৃষ্টান ধর্মের উপর পঙ্কজ খন্দ ও বৌদ্ধ ধর্মের উপর বক্তব্য রাখেন ইপা বড়–য়া।
পরে অনুষ্ঠিত সম্প্রীতির মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ধামাইলে অংশনেন পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়সহ অতিথীরা।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে সব ধর্মের মানুষের সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত। শত বছর ধরে এখানে সব ধর্মের মানুষ একসাথে বসবাস করে আসছে। কোন ধর্মেই লেখা নেই অন্য ধর্মের মানুষের উপর আঘাত করতে। সম্প্রীতি সংলাপে বক্তারা বলেন, ধর্ম-জাতি গোষ্ঠী নির্বিশেষে এদেশের মানুষ সম্প্রীতিতে বসবাস করতে চায়। এজন্য ধর্মান্ধ ও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রুখে দিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।



মন্তব্য করুন