(ভিডিওসহ) বন্যপ্রাণী বাঁচলে আমরাও বাঁচবো : লোকালয়ে ধরা পড়া বন্যপ্রাণী অবমুক্তকালে-সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি

বিকুল চক্রবতী॥ পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি বলেছেন, ‘বন্যপ্রাণী বাঁচলে আমরাও বাঁচবো। তাই শুধু বন্যপ্রাণী জন্য নয় আমাদের জন্যই বন্যপ্রাণীকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এ সময় বন্যপ্রাণী অবমুক্ত করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, বনই তাদের থাকার জায়গা। এখানেই তাদের থাকা উচিৎ। আর এদের এখানে অবমুক্ত করে তৃপ্তি পাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, আজকে আমারা যা কিছু করি তা ভবিষতের কথা চিন্তা করে করি। অর্থাৎ আমাদের আগামী প্রজন্মের সুন্দর ভবিষতের আশায় প্রাণীকুল ও জীব বৈচিত্রকে রক্ষা করতে হবে।
২৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধায় মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া বনে বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী অবমুক্তকালে তিনি এ কথা বলেন।
বন্য প্রাণী অবমুক্তের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিভাগীয় বন সংরক্ষক আ.ন.ম আব্দুল ওয়াদুদ, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব, শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান, শ্রীমঙ্গল সহকারী বন সংরক্ষক মো. আবু বক্কর, রেঞ্জ কর্মকর্তা মোনায়েম, শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী, অধ্যাপক রজত শুভ্র চক্রবর্তী, সাংবাদিক চৌধুরী ভাস্কর হোম ও বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব।
এ সময় বন্যপ্রণী সেবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে একটি অজগর সাপ, একটি লজ্জাবতি বানর, দুইটি বন বিড়াল, একটি সোনালী বিড়াল, ৬টি বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও বন্য বিভাগ কর্তৃক উদ্বারকৃত দুটি মেছো বাঘ অবমুক্ত করা হয়। পরে তিনি লাউয়াছড়া বনে একটি শতবর্ষী বটবৃক্ষের চারা রোপন করেন।
এ সময় বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব বলেন, বৃহস্পতিবার অবমুক্তকরা বেশ কিছু প্রাণী লোকজনের কাছে ধরা পড়লে সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তীর মাধ্যমে খবর পেয়ে উদ্বার করা হয়। তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় লোকালয়ে বন্যপ্রাণী মানুষের হাতে ধরা পড়লে এভাবে লোকজনের কাছ থেকে এগুলো উদ্বার করে যে গুলো আহত এবং বাচ্চা সে গুলোকে পরিচর্যা করে পরে বনে অবমুক্ত করেন।
পরে এমপি সাবের হোসেন চৌধুরী সিতেশ রঞ্জ দেব এর বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন ঘুরে দেখেন। এ সময় সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি এ সেবা ফাউন্ডেশনের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ এটি একটি বিরল প্রতিষ্ঠান। যারা আহত বন্যপ্রাণীকে উদ্বার করে সেবা যত্ন শেষে আবার বনে অবমুক্ত করেন। তিনি বন্যপ্রাণীর রক্ষার জন্য এ অঞ্চলের গাছপালা ও ঝোপঝাড় না কাটার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।



মন্তব্য করুন