যুব সংস্থার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ভিক্ষুকদের কাপড় ও খাবার বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার॥ ভিন্ন আঙ্গিকে সংগঠনের লক্ষ্য ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে কেক না কেঁটে মানবতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে উদযাপন করলো প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সংগঠনটি।
মৌলভীবাজার জেলার সর্ববৃহৎ মাদক, ইভটিজিং ও অসামাজিক কার্যকলাপ বিরোধী প্রতিবাদি সমাজিক সংগঠন জেলা যুব কল্যাণ সংস্থার মৌলভীবাজার এর ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ও মাদক থেকে বাঁচতে তরুণদের চিন্তা ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮ মার্চ সোমবার শহরের রেস্টইন চায়নিজ রেস্টুরেন্ট হল রুমে দুপুর ২ঘটিকায়। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর উদযাপন উপলক্ষে শতাধিক সুবিধা বঞ্চিত ভিক্ষুকদের মাঝে খাবার,বস্ত্র ও উপহার সামগ্রী বিতরণ এবং মাদকের হাত থেকে যুব সমাজকে রক্ষা আমাদের করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভার মাধ্যমে যুব সমাজের উদ্দেশ্য সচেতনা মূলক নানান দিক তুলে ধরা হয়েছে উক্ত অনুষ্ঠানে ।
সুস্থ সমাজ গঠনে শান্তির প্রয়াস” এই স্লোগানকে সামনে রেখে, জেলা যুব কল্যাণ সংস্থা মৌলভীবাজার দীর্ঘ ৪ বৎসর যাবৎ ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছে। মাদক, ইভটিজিং ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে গঠিত এই সামাজিক সংস্থা। পৌর কমিটির সভাপতি, নজমূল ইসলাম আলীর কোরান তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে, সংস্থার সভাপতি আলিম উদ্দিন হালিমের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুল হক ও আইন বিষয়ক সম্পাদক, এড. শফিকুল ইসলামের, যৌথ পরিচালনায়।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান জেলা পরিষদ ও জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মিছবাহুর রহমান।
বিশেষ অতিথি মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মোঃ ফজলুর রহমান সহ অন্যন্যরা।
এ সময় অতিথি বৃন্দ তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে যুব কল্যাণ সংস্থার পূর্বের কাজ এবং বর্তমান সময়ের কাজগুলো নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন । আগামীতে যেনো যুব কল্যাণ সংস্থা এই শহরে মাদক এবং ইভটিজিং কে জিরো ট্রলারেন্সে নামিয়ে মৌলভীবাজারের সামাজিক সংগঠনের রোল মডেল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ।
সংগঠনের বিভিন্ন পদে দায়িত্বশীল স্বেচ্ছাসেবকগণ তাদের বক্তব্যে সমাজের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন । প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আনন্দের দিনে কেক কেটে নিজেদের মধ্যে আনন্দ ভাগাভাগি না করে সমাজের অবহেলিত মানুষদের সাথে সামাজিক বৈষম্য দূরে ঠেলে দিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্যই এই আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেন । তারা তাদের বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাছে একটি আবেদন জানান তা হচ্ছে সমাজ থেকে ভিক্ষাবৃত্তি নামক ব্যাধি দূরীকরণ করার জন্য সঠিক পদক্ষেপ জাতীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা । যারা ভিক্ষাবৃত্তির নামে বাণিজ্য করছে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা এবং দৃশ্যমান সহযোগীতামূলক কাজের মাধ্যমে তাদের পুনর্বাসনের জোড় দাবি জানানো হয় ।



মন্তব্য করুন