সবার আগে বাংলাদেশ!

January 12, 2026,

মোস্তফা সালেহ লিটন : জাতীয় সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদ সংস্থা এবং অনলাইন মিডিয়ার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যটি আমার কাছে সত্যিই ব্যতিক্রমী ও অসাধারন মনে হয়েছে। তাঁর কথায় ছিল না কোনো কৃত্রিমতা ছিল না কথার ফুলঝুরি, ছিল গভীর চিন্তা, বাস্তবতা ও দেশের প্রতি নিখাঁদ ভালোবাসা। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সাধারণ জনগণ যদি তারেক রহমানকে সহযোগীতার হাত প্রসারিত করে এবং তিনি যদি তাঁর পরিকল্পনা গুলো বাস্তবায়নের সুযোগ পান, তাহলে একটি স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, গুম ও হত্যার রাজনীতি থেকে দেশকে মুক্ত করে ইনসাফ ভিত্তিক রাজনীতির পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার সদিচ্ছা ও সক্ষমতা তাঁর মধ্যে দেখতে পাচ্ছি। বাংলাদেশের শান্তি, ঐক্য ও সাম্যের রাজনীতির যে রূপরেখা তিনি তুলে ধরেছেন, তা ছিল তার পরিকল্পনা ও চিন্তা চেতনার অসাধারন ধারাবাহিক একটা অংশ। তার এই রাষ্ট্রভাবনা আমাকে নতুন করে আশাবাদী করে তুলেছে। সহজ, সরল ও প্রাণবন্ত ভাষায় রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তার পরিকল্পনার কথাগুলো ছিল সাবলীল, স্বাভাবিক এবং কোথাও কোনো কৃত্রিমতা চোখে পড়েনি। মনে হয়েছে দীর্ঘদিন প্রবাসে নির্বাসিত থাকার পর পশ্চিমা দেশের নিয়মনীতির সুষ্পষ্ট ধারনা থেকেই আগামীর বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তার গভীরতা তার কথাগুলোতে উঠে এসেছে। এই অনুভূতিই তো প্রকৃত দেশপ্রেম যা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের লালিত স্বপ্নের প্রতিফলন। জনগণের উচিত এসব বিষয় গভীরভাবে উপলব্ধি করা। আজকের মিডিয়ার সাথে মত বিনিময়ে আবারও প্রমানীত হয়েছে, তারেক রহমান এই দেশকে প্রকৃত অর্থেই সেবা দেওয়ার জন্য সম্পূর্নভাবে প্রস্তুত। এখন সময় এসেছে, তাঁর এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের সুযোগ করে দেওয়ার। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে একজন দেশপ্রেমিক নেতার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসই হতে পারে আগামীর বাংলাদেশ। সবার আগে বাংলাদেশ আর সেই স্বপ্নের বাংলাদেশে নতুন প্রজন্মের জন্য অপেক্ষা একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও আলোকিত রাষ্ট্র।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com