দুর্যোগ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাহায্য অব্যাহত থাকবে-কুলাউড়ায় ত্রাণমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি॥ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম এমপি বলেছেন, যে পর্যন্ত এই দুর্যোগ শেষ না হবে, ততদিন পর্যন্ত আপনাদের সাহায্য অব্যাহত থাকবে। আপনারা ৪ মাস পানির সাথে লড়াই করেছেন, কিন্তু মনোবল ভাঙেনি। আধা পেট খেয়ে, আবার না খেয়ে থাকেন কিন্তু কারো কাছে হাত পাতেন না। আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। এজন্য বিশ্বের কাছে দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশের আলাদা সুনাম রয়েছে। আর যেখানে শেখ হাসিনার মত নেতা আছে, তিনি আমাদের খাবারের ব্যবস্থা করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই হাকালুকি হাওরের এবং কুলাউড়া ও মৌলভীবাজারের মানুষের খোঁজ খবর রাখেন। এই এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে এবং শিলাবৃষ্টিতে যাদের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়েছে, তাদের ঘর করে দেয়া হবে। আপনারা কেউ হতাশ হবেন না। দেশে খাদ্যের অভাব নাই। বাংলাদেশের মানুষ ১২ মাসের মধ্যে ৯ মাস বাঁচার জন্য লড়াই করে।
তিনি আরও বলেন, শীতের সময় শীত নাই, বৃষ্টির সময় বৃষ্টি নাই। আগাম বন্যা হয়। ফসল নিয়ে যায়। প্রকৃতিক এসব দুর্যোগ মোকাবেলায় আমাদের আরও সচেতন হতে হবে। পরিকল্পনা করে কৃষি ক্ষেতে ফসল লাগাতে হবে।
বিএনপি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দুর্যোগের সময় সব দলের লোক আগাইয়া আসে। কিন্তু খালেদা জিয়ার লোকজন পাশে নাই তারা শুধু ঢাকায় বসে ফাঁকা আওয়াজ দেন।

৪ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে কুলাউড়া উপজেলার ভুকশিইল ইউনিয়নের ঘাটেরবাজারে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শণ শেষ দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
আব্দুল মতিন এমপি’র সভাপতিত্বে এবং উপজেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সিপার উদ্দিন আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ্ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ইয়াজ আহমদ, কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন ও কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আ স ম কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আজিজুর রহমান, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ তোফায়েল ইসলাম, মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোঃ শাহজালাল, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নেছার আহমদ, মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান, কুলাউড়া পৌরসভার মেয়র শফি আলম ইউনুছ প্রমুখ।



মন্তব্য করুন