৩২ বছরেও পেনশনের টাকা পাননি মৃত পুলিশ কনস্টেবলের পরিবার

চৌধুরী ভাস্কর হোম॥ চট্রগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, পুলিশ সুপার সিলেট ও পুলিশ হেডকোয়ার্টাস। এই তিন দপ্তরের চিঠি চালাচালিতেই কেঠে গেছে ৩২ বছর। তবুও সুরাহা হয়নি পুলিশ কনস্টেবল মো: শফি উল্লাহের পেনশনের টাকা প্রধানের বিষয়টি। জীবনের শেষ সময়ে এসে স্বামীর পেনশনের টাকা পেতে প্রধানমন্ত্রীর দৃর্ষ্টি কামনা করলেন মৃত পুলিশ কনস্টেবল মো: শফি উল্লাহের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম। শ্রীমঙ্গলে মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় ধুকে ধুকে দিন যাপন করছেন মনোয়ারা বেগম।
বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর কনস্টেবল মো: শফি উল্লাহ (কনস্টেবল নং-৫০৩)। চট্রগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে চাকুরী করতেন। তাকে বদলীসূত্রে চট্রগ্রাম থেকে সিলেট জেলায় যোগদানের জন্য বিগত ১লা মার্চ ১০৮১ইং সনে তাৎক্ষনিকভাবে কর্মযুক্ত করা হয়। এরই মধ্যে মো: শফি উল্লাহ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার পক্ষে সিলেট যোগদান করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ ৩ বছর একটানা অসুস্থ থাকার পর ২ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৪ ইং সনে তিনি মৃত্যু বরন করেন। মো: শফি উল্লাহের মৃত্যুর ৩২ বছর অতিবাহিত হয়ে গেলেও অদ্যাবধি তার পেনশনের টাকা পায়নি তার পরিবারের লোকজন। পুলিশ হেডকোয়াটারসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন নিবেদন করেও এর কোন সমাধান পাননি মৃত পুলিশ কনস্টেবল মো: শফি উল্লাহের স্ত্রী বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগম। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে স্বামীর পেনশনের টাকা পেতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন শ্রীমঙ্গলের বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগম।
বদলী আর ছুঁটির আইনী বেড়াজালে শুধু ঘোরপাক খাচ্ছে মৃত কনস্টেবল মো: শফি উল্লাহের পেনশনের টাকা। স্বামীর পেনশনের টাকা চেয়ে আবেদন আবেদন আর নিবেদন জানাতে জানাতে বয়সের ভাড়ে একেবারে নুয়ে পড়েছেন মৃত কনস্টেবল মো: শফি উল্লাহের স্ত্রী বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগম। টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় যেমন কষ্ট পাচ্ছেন মনোয়ারা বেগম ঠিক তেমনি অর্থাভাবে জীবন কাঠচ্ছে তার সন্তানদের।
মৃত কনস্টেবল মো: শফি উল্লাহের স্ত্রী অসুস্থ মনোয়ারা বেগম জানান, পুলিশ বিভাগের এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে পত্র যোগাযোগ আর যাতায়াত করতে করতে চলে গেছে দীর্ঘ বছর। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হইনি। হয়েছে শুধু পয়সা খরচ।
বর্তমানে সন্তানদের আর্থিক টানা পুড়নে মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় ধুকে ধুকে দিন যাপন করছেন মনোয়ারা বেগম। প্রধানমন্ত্রীর কাছে মনোয়ারা বেগম আকুল দাবী জানিয়ে বলেন, জীবনের শেষ বয়সে স্বামীর পেনশনের কিছুটা টাকা পেলেও তার চিকিৎসা খরচ যোগানো যেতে পারে। এ ব্যাপারে তিনি প্রধানমন্ত্রীর আশু দৃর্ষ্টি ও সহযোগিতা কামনা করেন।



মন্তব্য করুন