মৌলভীবাজারে রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভা চালসহ নিত্যপণ্যের মূল্য কমানো ও রেশনিং চালুর দাবি

চাল, ডাল, তেল, লবন, পিয়াজসহ নিত্যপণ্যে মুল্য কমানো ও রিকশা শ্রমিকসহ শ্রমজীবী জনগণের জন্য রেশনিং চালু করার দাবি জানিয়েছে মৌলভীবাজার জেলা রিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং চট্টঃ ২৪৫৩।
শুক্রবার ১৮ আগষ্ট সন্ধ্যায় শহরের চৌমুহনাস্থ কার্যালয়ে জেলা রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভা থেকে এই দাবি জানানো হয়। জেলা রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সোহেল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির প্রচার সম্পাদক ও মৌলভীবাজার জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং চট্টঃ ২৩০৫ এর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহিন মিয়া। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ দুলাল আহমেদ, সদস্য মোঃ জসিমউদ্দিন, কালেঙ্গা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সহ-সভাপতি গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, যুবনেতা জাবেদ মিয়া, জসিম মিয়া, ওসমান মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান, আসাদুজ্জামান মিয়া প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির উপর চলতি বছর কয়েক দফা বন্যায় চাল-পিয়াজসহ নিত্যপণ্যের মূল্যও সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এমতাবস্থায় বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে আমরা মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছি। সেই সাথে যথাযথ ভাড়া নির্ধারণ না করায় যাত্রী সাধারণের সাথে ভাড়া নিয়ে বাদানুবাদ লেগেই থাকে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে আমাদের শাররিক লাঞ্চনারও শিকার হতে হয়। তাছাড়া কোন কোন যাত্রী যাত্রা পথে এক মিনিটের কথা বলে রিকশা থামিয়ে সময় ক্ষেপন করলেও সেই অনুপাতে ন্যায্য ভাড়া পরিশোধ করেন না। একশ্রেণীর যাত্রীর জোরপূর্বক রিকশায় উঠা, এক জায়গার কথা বলে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত যাত্রী বহনে বাধ্য করা ইত্যাদি সহ্য করে আমাদের চলতে হয়। ট্রাফিক পুলিশ কর্র্তৃক অন্যায়ভাবে মারধোর, হাওয়া ছেড়ে দেওয়াসহ অন্যান্য পরিবহণের শ্রমিক, দোকানদার, পথচারীদের সাথে কোন ঘটনা ঘটলেই ন্যায়-অন্যায় বিচার না করে রিকশা শ্রমিকদের উপর জুলুম নির্যাতন সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বক্তারা শ্রমিকদের হয়ে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে সকল অন্যায় অত্যাচার বন্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভা থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমানো, বর্তমান বাজারদরের সাথে সংগতিপূর্ণভাবে ন্যায্য ভাড়ার তালিকা প্রদান, শহরের সুবিধাজনক স্থানে স্থায়ী স্ট্যান্ড স্থাপন, রিকশা শ্রমিকদের উপর জুলুম অত্যাচার বন্ধ, স্বল্পমূল্যে রেশনিং চালু, বন্যা কবলিত হাওর এলাকাকে দূর্গত এলাকা ঘোষণা ও পর্যাপ্ত ত্রাণ প্রদান, শ্রীমঙ্গলে স্থায়ী শ্রম আদালত ও যুগ্ম-শ্রম পরিচালকের কার্যালয় স্থাপন করার দাবি জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি॥



মন্তব্য করুন