জুড়ীতে ভু-সম্পত্তি আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

বড়লেখা প্রতিনিধি॥ জুড়ীতে চাচা বারিক আহমদ চৌধুরী কর্তৃক মৌরসী ভু-সম্পত্তি আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ করেছেন উপজেলার দক্ষিন সাগরনাল গ্রামের মৃত মোবাশ্বির আলী চৌধুরীর ছেলে শায়েস্তা মিয়া চৌধুরী। এব্যাপারে মৌলভীবাজার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে স্বত্ত মামলা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি পৃথক মামলা করেছেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শায়েস্তা মিয়া চৌধুরীর দাদীর মৌরসী সম্পত্তি মৌখিক বন্টন অনুযায়ী তার বাবা, চাচা ও ফুফুসহ ৫ জন ভোগ দখল করছেন। চাচা বারিক মিয়া চৌধুরীর দখলে অতিরিক্ত কিছু জায়গা রয়েছে। ১৯৯৭ ইং থেকে শায়েস্তা মিয়া চৌধুরীসহ ৩ ভাই ও অপর চাচাতো ভাই প্রবাসে অবস্থান করেন। বাড়ীতে তাদের স্ত্রী সন্তানরা বসবাস করেন। পুরুষ লোক বাড়ীতে না থাকার সুযোগে চাচা বারিক আহমদ চৌধুরী অত্যন্ত সুকৌশলে তাদের মৌরসী সূত্রে প্রাপ্ত ভু-সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টায় লিপ্ত হন। জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে তিনি ২.৯২ একর জমির একটি দলিল (নম্বর ৩২০১/৮৩) সৃষ্টি করে তা গোপন রাখেন। সম্প্রতি তিনি জালিয়াতির মাধ্যমে দলিলকৃত ভুমির দখল নেয়ার চেষ্টা চালালে জাল দলিলের বিষয়টি প্রকাশ পায়। উক্ত দলিলে সাবেক ইউপি সচিব আব্দুর রব, স্থানীয় প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক লিয়াকত আলী, ব্যবসায়ী তসলিম মিয়া ও গোলাম মোস্তফা লিটনকে স্বাক্ষী করা হয়। কিন্তু স্বাক্ষীগন দলিলে স্বাক্ষর দেননি বলে জানিয়েছেন। এতে নিশ্চিত হন চাচা বারিক মিয়া চৌধুরী তাদের ভোগ দখলিয় মৌরসী সম্পত্তি জবর আত্মসাতের পায়তারা চালাচ্ছেন। ভু-সম্পত্তি আত্মসাৎ করতে স্ত্রীসহ তিনি নানাভাবে হুমকি-ধমকি ও থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়েও হয়রানী করছেন।
অভিযুক্ত বারিক মিয়া চৌধুরী জানান, তার মা আরবজান বিবি জীবদ্দশায় ১৯৮৩ সালে দানপত্র দলিলের মাধ্যমে ২.৯২ একর ভুমি তাকে দিয়ে গেছেন। ওই ভুমির দখল দিচ্ছে না শায়েস্তা মিয়া চৌধুরী। দানপত্র দলিলের বিষয়টি দীর্ঘ ৩৬ বছর গোপন রাখার কারণ এবং এতদিন উক্ত ভুমি দখলে গেলেন না কেন এমন প্রশ্নের জবাব তিনি এড়িয়ে যান।



মন্তব্য করুন