মধ্যবত্তিরে অসহায় পরবিারে মাঝে রাতে চাল-ডাল নয়িে হাজরি জুড়ীর ইউএনও

জুড়ী প্রতনিধি॥ি মধ্যবত্তিরে কারনে অভাবটা কাউকে বুঝাতে পারছনে না আবার কাউকে বলতে ও পারছনে না। স্থানীয় একটি এনজওিতে ৫’শ টাকা বতেনে চাকরি করে বৃদ্ধ মাকে নয়িে কোনমতে জীবন নর্বিাহ করছনে। মাসরে শষেে যে টাকা পান তা দয়িে সারা মাসরে খরচ করনে কন্তিু করোনার কারনে এ মাসরে বতেন আসতে দরেি হচ্ছে তাই ইউএনও কে ফোন দয়িে খাদ্য সংকটরে কথা জানান। মহলিার এ ফোন পাওয়ার পর ৩ এপ্রলি রাত ৯টায় চাল-ডাল নয়িে হাজরি হোন ইউএনও।
একা বৃদ্ধ মায়রে জন্য এই নারী খাবার সংগ্রহ করতে পারছলিনে না। অগত্যা তনিি সহযোগতিা ননে ইউএনওর।মাকে নয়িে অসহায়ত্বরে কথা তুলে ধরনে ফোন।ে তারপর সারাদনি কাজ শষেে উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা অসীম চন্দ্র বণকি ছুটে যান তার বাড়তি।ে তনিি সখোনে গয়িে নজিইে আবগোপ্লুত হয়ে পড়নে।
জানা যায়,নাম প্রকাশ্যে অনচ্ছিুক ওই নারী জুড়ী উপজলোর উত্তর ভবানীপুর এলাকার বাসন্দিা। একটি এনজওি প্রতষ্ঠিানরে রসিপিশনে চাকরি করে ৫০০০ টাকা বতেন পতেনে। তাই দয়িে চলতো তার সংসার। ছুটরি কারণে টাকা পতেে দরেি হচ্ছ।ে এ কারণে তনিি বকোর হয়ে পড়নে। এর মধ্যইে ঘররে খাবারও শষে হয়ে যায়। উপায়ন্তর না দখেে তনিি ইউএনওর আশ্রয় ননে।
জুড়ী উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা অসীম চন্দ্র বণকি এ বলনে, ‘যতোদনি এ অবস্থা থাকবে ততোদনি আমি অসহায় পরবিারগুলোর খাবার দওেয়ার চষ্ঠো করবো। ওরা লজ্জায় কাউকে বলতে পারনো।এ রকম যাদরে খবর পাবো তাদরে সবার খাবার দওেয়ার ব্যবস্হা করবো।
শুক্রবার দনিে জুড়ী টাউন ক্লাবরে সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমরে পক্ষ থকেে খাদ্য বতিরন করা হয়।সখোন থকেে তনিি কছিু প্যাকটে রখেে দনে।
রাত ৯টায় সইে প্যাকটে থকেে ৫ কজেি চাল ১ কজেি আলু ১ কজেি ডাল ও ১ লটিার তলে একটি সাবান নয়িে ওই বাসায় যান তনি।ি সখোনে গয়িে তনিি দখেতে পান ছোট একটি রুমে বৃদ্ধ মহলিাকে নয়িে থাকনে ঐ ভদ্র নারী।
ইউএনও কে ওই নারী জানান, তারা তনি ভাই এক বোন থাকা সত্বওে কউে তাদরে খোজ নয়ে না।তনিি বৃদ্ধ মাকে নয়িে অনকে কষ্টে এখানে বসবাস করছনে।
আলাপকালে ভদ্র মহলিা এ প্রতবিদেককে জানান, আমি কল্পনাও করনিি ইউএনও স্যার নজিইে আমার বাসায় চাল, ডাল নয়িে আসব,ে তাও এতো দ্রুত সময়।ে আমি তা ভাবতে পারনি।ি



মন্তব্য করুন