জুড়ীতে জরাজীর্ণ একটি রাস্তার জন্য এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগ

August 22, 2020,

আব্দুর রব॥ জুড়ী উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের একটি গ্রামীণ রাস্তার ভাঙ্গাচুরা বেহাল অবস্থার কারণে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ দীর্ঘদিন থেকে মারাত্মক ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী রাস্তাটি দ্রুত রোড ইনভেন্টরীতে অর্ন্তভুক্তির মাধ্যমে উন্নয়নের উদ্যোগ নেয়ার দাবী জানিয়েছেন।

জানা গেছে, জুড়ী-গোয়ালবাড়ি রাস্তার নয়াবাজারের পিছন থেকে বড়ধামাই গ্রামের একটি রাস্তা রয়েছে। উক্ত রাস্তাটি পূর্বজুড়ী ইউপির ঈদগাহ সংযুক্ত রাটোছড়ার পাশ দিয়ে বড়ধামাই গ্রামের আজিম উদ্দিন, আসুক আহমদের বাড়িতে সংযুক্ত হয়েছে। প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তাটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ। প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার মানুষ এ রাস্তার গর্ত, কাদা আর পচা পানি ডিঙিয়ে চলাচল করেন। এছাড়া গ্রামের শিক্ষার্থীরা স্কুল ও কলেজে যাতায়াত করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ে।

সরেজমিনে গেলে এ রাস্তায় চলাচলকারী ডাক্তার সামছুদ্দীন আহমেদ, গৃহবধু সুকেদা বেগম, নাজিম হোসেন, আকমল হোসেন, সেলিম উদ্দিন, অজয় কুমার দে, বীরেশ রুদ্র পাল প্রমুখ জানান, এ রাস্তায় পুর্বজুড়ী, পশ্চিম জুড়ী ও দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউপির ব্যাপক লোকজন চলাচল করেন। বৃষ্টির মৌসুমে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠে। যানবাহন চলাচলতো দুরের কথা পায়ে হেটেও চলাচল মুশকিল হয়ে উঠে। কয়েক বছর পূর্বে সামান্য অংশ ইটসলিং হয়েছিল। কিন্তু এখন এগুলোও উঠে গেছে। রাস্তাটি রোড ইনভেন্টরীতে অর্ন্তভুক্তির মাধ্যমে উন্নয়নের ব্যবস্থা নিতে আমরা গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে গত ১৮ মার্চ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট আবেদন করেছি।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাশ জানান, বড়ধামাই গ্রামের এ রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ। দীর্ঘদিন থেকে লোকজন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। দ্রুত রাস্তাটি পাকাকরণের ব্যবস্থা নিতে তিনিও সুপারিশ করেছেন।

উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মতিন জানান, রোড ইনভেন্টরীতে অর্ন্তভুক্তি ছাড়া কোন গ্রামীণ রাস্তার উন্নয়ন (পাকাকরণ) প্রকল্প নেয়ার নিয়ম নেই। রোড ইনভেন্টরীতে অর্ন্তভুক্তির জন্য এলাকাবাসী নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট দরখাস্ত করেছেন। অর্ন্তভুক্ত হওয়ার পর রাস্তাটির প্রয়োজনীয় সংস্কারের ব্যবস্থা নিবেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com