সমাজকে আলোকিত করতে যুব সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : ডক্টর মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল

এহসান বিন মুজাহির : সমাজকে আলোকিত করতে যুব সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করে কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠায় যুবকদেরই অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহবান জানিয়েছেন খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব ও ইসলামী যুব মজলিসের প্রতিষ্ঠাকালীন আহবায়ক ডক্টর মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল।
শুক্রবার ৩১ জুলাই বিকেলে ইসলামী যুব মজলিস বড়লেখা উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডক্টর মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠীই তরুণ ও যুবক। তারাই উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রকৃত কারিগর। এই যুব সমাজ বিভিন্ন ঘটনায় পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসাবে কাজ করেছে। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজকে আলোকিত করতে এই যুব সমাজের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে যুব সমাজের অংশগ্রহণ কখনো কখনো আমাদের উদ্বিগ্ন করে, কারণ আমরা সমাজের কল্যাণকর কাজের পাশাপাশি আমরা দেখতে পাই যুবসমাজ নানা ধরনের ঘৃণ্য অপকর্মের সাথে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় যুবসমাজ নেশায় আসক্ত হয়ে পরিবার সমাজ এবং রাষ্ট্রের জন্য বোঝা হয়ে তৈরি হচ্ছে। এটি আমাদের জন্য কখনোই কাম্য নয়, কাম্য ছিলও না।
ইসলামী যুব মজলিসের বড়লেখা উপজেলা সভাপতি মাওলানা আবুল হাসান সাদীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি এনামুল হক এর সঞ্চালনায় যুব সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ শাহিন, মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি প্রিন্সিপাল মোঃ এহসানুল হক, খেলাফত মজলিস মৌলভীবাজার জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল খালিক, সহসাধারণ সম্পাদক এম এম আতিকুর রহমান, বড়লেখা উপজেলা সভাপতি মাওলানা কাজী মাওলানা এনামুল হক।
সভায় আরও বক্তব্য দেন, ইসলামী যুব মজলিস মৌলভীবাজার জেলা সহ-সভাপতি এম খসরু, জেলা অর্থ সম্পাদক আহমেদ রেজা, জেলা প্রচার সম্পাদক নুহ বিন হোসাইন, খেলাফত মজলিস বড়লেখা উপজেলা সহ-সভাপতি মাওলানা এখলাছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ফয়ছল আলম স্বপন, বড়লেখা পৌর সভাপতি লুৎফুর রহমান, শ্রমিক মজলিসের বড়লেখা উপজেলা সভাপতি মাওলানা আতিকুর রহমান, ইসলামী ছাত্র মজলিসের বড়লেখা উপজেলা সভাপতি উবায়দুল হক আবিদ প্রমুখ।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রভাষক মাইদুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমানে এক শ্রেণির যুব সমাজের মধ্যে কুলুষিত রাজনৈতিক দীক্ষা আর রাজনৈতিক ক্ষমতাকে অপব্যবহারের মাধ্যমে বিত্ত-বৈভব কুক্ষিগত করার নগ্ন মানসিকতা ঠাঁই পেয়েছে। দেশের সম্ভাবনাময় যুবসমাজকে কেউ যেন ভুল পথে ধাবিত করতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। কারণ আজকের এই যুবসমাজই আগামী দিনে এদেশের কর্ণধার হবেন। রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন। নেতৃত্বের পরিবর্তন আনতে হলে আমাদের যুবসমাজকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে হবে।
ইসলামই পারে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি কল্যাণকর সমাজ গঠন করতে। সুতরাং সম্ভাবনার বাংলাদেশ গড়তে হলে যুব সমাজকেই সবচেয়ে বেশি ত্যাগ শিকার করতে হবে।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সব আন্দোলন-সংগ্রাম ও অগ্রগতির পথে এ দেশের যুব সমাজের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। মহান ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা সংগ্রাম, সর্বশেষ জুলাই গণঅভুত্থ্যানে সাফল্য এনেছেন যুবরা। মাদক, নৈতিক অবক্ষয়, চাঁদাবাজি, লুটপাট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুবকদের ঐকবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে।
হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৪র্থ ধাপে রামপাশা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন।
পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজ বাংলাদেশ গঠন এবং সদকায়ে জারিয়ার মহৎ উদ্দেশ্যে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৩য় ধাপের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
কর্মসূচির আওতায় কমলগঞ্জ পৌর এলাকার আজ ৩১ -০৭ ২০২৬ ইং পবিত্র বরকতময় জুমা বাদ আসর রামপাশা বালক সরকারী বিদ্যালয়ে ও জনসাধারণের ফলের গাছের চারা রোপণ করা হয়।
ফাউন্ডেশনের সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সমাজসেবকগন এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় সদস্যবৃন্দরা বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষাই নয়, বরং এটি একটি মহৎ ইবাদত ও সদকায়ে জারিয়া।
একটি গাছ মানুষের উপকারে আসা পর্যন্ত এর সওয়াব অব্যাহত থাকে। তাই প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করা।
ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রথম ধাপ। পর্যায়ক্রমে আরও বিভিন্ন এলাকায়, মসজিদ, মাদ্রাসা, রাস্তার পাশে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে । পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও আগামী
প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।
হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৪র্থ ধাপে রামপাশা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন।
পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজ বাংলাদেশ গঠন এবং সদকায়ে জারিয়ার মহৎ উদ্দেশ্যে হযরত শাহ আজম (রহ.) দরগাহ্ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৩য় ধাপের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
কর্মসূচির আওতায় কমলগঞ্জ পৌর এলাকার রামপাশা বালক সরকারী বিদ্যালয়ে ও জনসাধারণের ফলের গাছের চারা রোপণ করা হয়।
ফাউন্ডেশনের সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সমাজসেবকগন এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় সদস্যবৃন্দরা বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষাই নয়, বরং এটি একটি মহৎ ইবাদত ও সদকায়ে জারিয়া।
একটি গাছ মানুষের উপকারে আসা পর্যন্ত এর সওয়াব অব্যাহত থাকে। তাই প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করা।
ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রথম ধাপ। পর্যায়ক্রমে আরও বিভিন্ন এলাকায়, মসজিদ, মাদ্রাসা, রাস্তার পাশে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও আগামী
প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।



মন্তব্য করুন