কমলগঞ্জে এক কিশোরকে হাত পা বেঁধে নির্যাতনে অভিযোগ

July 29, 2018,

প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ॥ কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামে শফাত আলী (১৪ )  এক কিশোরকে হাত,পা বাঁধা ও মুখে কস্টেপ মোড়ানো অবস্থায় ধানি জমি থেকে উদ্ধার করার ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামের হামিদ মিয়ার ছেলে সফাত মিয়াকে (১৪) একই গ্রামের বাসিন্দা চাঁন মিয়ার ছেলে লিটন নানা প্রলোভন দেখিয়ে এক সপ্তাহ পূর্বে চট্্রগ্রাম নিয়ে যায়। সেখানে কাজ করতে না পেরে সফাত একাই বাড়িতে ফিরে আসে। এর কারনে লিটন গংরা সফাতের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। ক্ষোভের জের ধরে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০ টায় মধ্যভাগ বাজার থেকে ফেরার পথে সফাতকে লিটন গংরা আতর্কিত ভাবে ধরে নিয়ে মারধর করে সফাত এর  নানা তরিক মিয়ার বাড়ির পাশে হাত পা বাঁধা মুখে কসটেপ মুড়ানো অবস্থায় ধানি জমিতে ফেলে যায়।  এ সময় ঐ পথে চলাচলকারী পথচারীরা গোংড়ানোর শব্দ শুনে তাকে উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে সফাতের বাবা হামিদ মিয়া বলেন, একই গ্রামের চাঁন্দু মিয়ার ছেলে লিটন এর সাথে রাজমিস্ত্রির কাজ করতে চট্টগ্রাম যায় শফাত। সেখানে সে কাজ সহ্য করতে না পারলে বাড়ি চলে আসে। তাদের ফেলে বাড়ি চলে আসার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে  লিটন, আরিক, লিটনের মা আবজান  বিবি, বোন রেশমা  গংরা হয়ে এরেঙ্গা ধানী জমিতে তার হাত পা বেঁধে মুখে কচস্টেপ পেঁচিয়ে প্রাণে মারা উদ্দেশ্যে পার্শ্ববর্তী ধলাই নদীতে নিয়ে যাওয়ার সময় মানুষের আনাগোনা দেখে তার নানার বাড়ির কাছে ফেলে রেখে যায়। রাত দেড়টায়  আহত লিটনকে উব্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সফাত মিয়ার পিতা হামিদ মিয়া বাদী ২৮ জুলাই শনিবার দুপুরে ৪ জনের নাম উলে¬খ করে আরো ২/৩ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কমলগঞ্জ থানার ওসি মোঃ আব্দুল মোকতাদির পিপিএম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তক্রমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com