কিওর-এর ‘সেইফ চয়েস, সেইফ স্পেস’ শীর্ষক সচেতনতামূলক সেশন অনুষ্ঠিত

May 7, 2025,

সালেহ আহমদ (স’লিপক) : মৌলভীবাজার সদর উপজেলার দু’টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে  কমিউনিটি ইউনাইটেড ফর রিলিফ অ্যান্ড ইমপাওয়ারমেন্ট (কিওর)-এর উদ্যোগে ‘সেইফ চয়েস, সেইফ স্পেস’ শীর্ষক ভালো ও খারাপ স্পর্শ সম্পর্কে সচেতনতামূলক সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার ৫ মে দুপুর ১২টায় সদর উপজেলার শহিদ জিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিকেল ৩টায় শ্রীনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেড়শতাধিক শিক্ষার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ সেশনে ভালো ও খারাপ স্পর্শ, একান্ত ব্যক্তিগত জায়গাগুলো সম্পর্কে সচেতনতা এবং খারাপ স্পর্শের সম্মুখীন হলে করণীয় ইত্যাদি বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন প্রশিক্ষকরা।

অনুষ্ঠিত সেশনগুলোতে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন কমিউনিটি ইউনাইটেড ফর রিলিফ অ্যান্ড ইমপাওয়ারমেন্ট (কিওর)-এর চেয়ারপার্সন শাহ্ তানভীর আহমেদ রিমন, ভাইস চেয়ারপার্সন ফাতেমা জান্নাত রিয়া, কমিউনিকেশন ডিরেক্টর রাতুল আহমেদ, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর লুৎফুর রাহমান রাসেল, আইসিটি ডিরেক্টর সাব্বির আহমেদ। এসময় ভলান্টিয়ার নাহি আহনাফ, নাফিসা ও আলিফ তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে শহিদ জিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারুল বেগম বলেন, এই ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষিত রাখার চেষ্টা করছি।

অপরদিকে শ্রীনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সালমা আক্তার বলেন, শিশুদের মধ্যে নিজেদের শরীর নিয়ে সচেতনতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আমরা চাই, তারা যেন ভয় না পেয়ে খোলামেলা কথা বলতে শেখে এবং সাহায্য চাইতে পারে। এই সেশন সেই আত্মবিশ্বাসই তৈরি করে।

প্রশিক্ষণ নেয়া শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন, আমরা এখন ভালোভাবে বুঝতে পারছি কোনটি খারাপ স্পর্শ এবং কিভাবে এমন পরিস্থিতিতে সাহায্য চাওয়া যায়। আমরা শিখেছি আমাদের শরীর আমাদের নিজস্ব, কাউকে না চাইলে ধরতে দিতে হয় না। এখন থেকে যদি কিছু খারাপ হয়, মা কিংবা বাবাকে বলবো।

এব্যাপারে কমিউনিটি ইউনাইটেড ফর রিলিফ অ্যান্ড ইমপাওয়ারমেন্ট (কিওর)-এর ভাইস চেয়ারপার্সন ফাতেমা জান্নাত রিয়া জানান, শিশুদের মধ্যে নিজেদের শরীর নিয়ে সচেতনতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আমরা চাই, তারা যেন ভয় না পেয়ে খোলামেলা কথা বলতে শেখে এবং সাহায্য চাইতে পারে। এই সেশনের মাধ্যমে আমরা সেই আত্মবিশ্বাসই তৈরি করার চেষ্টা করছি। পর্যায়ক্রমে আমরা প্রতিটি বিদ্যালয়েই এ কার্যক্রম চালিয়ে যাবো।

প্রশিক্ষণ শেষে দু’টি বিদ্যালয়ের মনোনীত দুইজন শিক্ষককে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এ বিষয়ে দেখাশুনা এবং ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেশনের শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ফটোসেশন আয়োজনের মাধ্যমে কার্যক্রমের সমাপ্তি করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com