বড়লেখায় তহসিলদারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

June 4, 2026,

আব্দুর রব : বড়লেখার দক্ষিণভাগ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভারপ্রাপ্ত তহসিলদার আশীষ কুমার সরকারের বিরুদ্ধে খাজনা আদায়ে অনলাইনে বেশি টাকা এন্ট্রি দিয়ে পরে উৎকোচে কম টাকার রশিদ প্রদানসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত কার্যক্রম বৃহস্পতিবার সকালে ইউএনও’র কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগের স্বপক্ষে ১৬ জন ভুক্তভোগির বক্তব্য গ্রহণ করেন ইউএনও মাহবুবুল আলম মাহবুব।

জানা গেছে, দক্ষিণভাগ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভারপ্রাপ্ত তহসিলদার আশীষ কুমার সরকার খাজনা আদায়, নামজারি ও ভূমি সংক্রান্ত অন্যান্য সেবা প্রদানে ভূমি মালিকদের নানাভাবে হয়রানি করেন। এই অফিসের আওতাধীন এলাকার ভূমি মালিকগণ বিগত বছরের জমির খাজনা তহসিল অফিসে গিয়ে যতটুকু ভোগদখলে ততটুকুরই খাজনা পরিশোধ করতেন। ইদানিং খাজনা পরিশোধে তারা নানা বিড়ম্বনা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তহসিলদার আশীষ সরকার আগের পরিশোধিত খাজনা রশিদ ভূয়া ও জাল বলে প্রত্যাখ্যান করে অনেকের ১৩৭৯ইং সন থেকে অনলাইনে বকেয়া ধরে সব টাকা পরিশোধের চাপ দেন। আইডিতে ২০-৩০-৫০ হাজার, ১ লাখ টাকা এন্ট্রি দিয়ে রাখেন। বড় অঙ্কের খাজনা দেখে যোগাযোগ করলে ১০/২০ হাজার টাকা নিয়ে ১১২ টাকার রশিদ দেন।

ভুক্তভোগি মতিলাল দাস বলেন, খাজনা দিতে গেলে তিনি প্রথমে তাকে ৩,৮৩,৩৯০ টাকা খাজনার হিসাব দেন। পুরাতন রশিদ দেখালে সেটি ভূয়া বলে অনলাইনে সম্পূর্ণ খাজনা পরিশোধ করতে বলেন। খাজনা কমানোর সুযোগ আছে কি-না জানতে চাইলে বলেন, সব মিলিয়ে ১,২৫০০০ টাকা দিবেন, রশিদ পাবেন ৫০ হাজার টাকার।

ইউএনও মাহবুব আলম মাহবুব জানান, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে বৃহস্পতিবার লিখিত অভিযোগটির তদন্ত করেন। তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুনানীতে অংশ নিয়ে অভিযোগের স্বপক্ষে ১৬ জন ভুক্তভোগি তাদের বক্তব্য দিয়েছেন। এসময় অভিযুক্তেরও বক্তব্য নিয়েছেন। কার্যক্রম শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন জমা দিবেন। তিনিই (জেলা প্রশাসক) পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com