বড়লেখায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়ী কলিমের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

আব্দুর রব : বড়লেখায় শিক্ষা কার্যক্রম গতিশীল ও সহজীকরণে ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন প্রবাসী ব্যবসায়ী, সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও দাসেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুহিবুর রহমান কলিম। তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব অর্থায়নে সৌন্দর্য বর্ধনে ফুয়ারা, শ্রেণিকক্ষ সংস্কার, অভ্যন্তরীন রাস্তা পাকাকরণ, ফটোকপি মেশিন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতার উদ্যোগ নিয়েছেন।
এরই অংশ হিসেবে রোববার ১৯ জুলাই উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রীবাস রঞ্জন দাসের হাতে ফটোকপি মেশিন হস্তান্তর করেন শিক্ষানুরাগি মুহিবুর রহমান কলিম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ফখরুল ইসলাম, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি মো. শাহাব উদ্দিন, অভিভাবক আবুল কালাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনিশিয়ান সাহজান সিরাজ, সাংবাদিক মোহাম্মদ মস্তফা উদ্দিন, সাবেক শিক্ষার্থী মামুন হোসেন, অভিভাবক শাহাজাহান আহমদ, সমাজসেবক রফিক উদ্দিন, ব্যবসায়ী জুবের আহমদ, শিক্ষক আতিকুর রহমানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় দাতা মুহিবুর রহমান কলিম বলেন, শিক্ষার উন্নয়নে সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসীদের আরও বেশি এগিয়ে আসা প্রয়োজন। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় উপকরণ নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পাঠদান কার্যক্রম আরও সহজ ও কার্যকর হয়। ভবিষ্যতেও শিক্ষার মানোন্নয়নে তিনি সবসময় পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অতিথিবৃন্দরা বলেন, শিক্ষানুরাগী মুহিবুর রহমান কলিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শিক্ষা, সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকান্ডে নীরবে অবদান রেখে চলেছেন। তিনি প্রচারের জন্য নয়, সমাজের কল্যাণের কথা চিন্তা করে কাজ করেন। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী যেমন উপকৃত হবে, তেমনি এলাকার অন্যান্য বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রবাসীরাও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত হবেন।
বিদ্যালয় ও এলাকার পক্ষ থেকে মুহিবুর রহমান কলিমের এই মহৎ উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। উপস্থিত শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আশা প্রকাশ করেন, তাঁর এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং এতে সমাজের অন্যান্য বিত্তবান ও প্রবাসীরাও শিক্ষার উন্নয়নে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত হবেন।



মন্তব্য করুন