কমলগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ॥ সুষ্টু বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন

December 17, 2013, এই সংবাদটি ৪৭৭ বার পঠিত

একটি ডায়গনষ্টিক সেন্টার থেকে ভূল রিপোর্ট বের করে চিকিৎসা দিয়ে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুষ্ঠু বিচার চেয়ে গতকাল ৮ ডিসেম্বর রোববার রোগীর ছেলে জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের বৃন্দাবনপুর গ্রামে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার বৃন্দাবনপুর গ্রামের আব্দুল করিম আনসারী (৫৮) অসুস্থ্য বোধ করলে গত ১৫ আগষ্ট ২০১৩ইং তারিখে মৌলভীবাজারস্থ ডা. মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তার রোগীকে পরীক্ষা নিরিক্ষার পর টেষ্ট করার জন্য মৌলভীবাজারস্থ দি পপুলার সিটিস্ক্যান এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডা: সোহেল রানার কাছে পাঠান। ডা.সোহলে রানা টেস্ট গুলো করে আল্ট্রাসনগ্রাফী রিপোর্টে রোগীর উভয় কিডনী নরমাল, আকার আকৃতি ও অবস্থান ঠিক আছে বলে উল্লেখ করেন। রিপোর্ট গুলো দেখে ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন কিছু ঔষধ লিখে দিলে রোগীর অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে থাকে। রোগীর শারিরীক অবস্থা ডাক্তারকে বার বার অবহিত করার পরও এবং ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা বললেও তার কাছেই রোগী সুস্থ্য হওয়ার আশ্বাস দেন। এক পর্যায়ে রোগীর অবস্থা শোচনীয় হয়ে পরলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালের কিডনী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা.শামিম আহমেদের তত্ত্বাবধানে ল্যাব এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনগ্রাফী করালে রোগীর উভয় কিডনী মারাত্বক ছোট ও ৯৫% অকেজ ধরা পরে। রিপোর্ট দেখে ডা. শামিম আহমেদ রোগীর অবস্থা আশংকাজনক উল্লেখ করে দ্রুত ডায়ালাইস্সি করার পরামর্শ দেন। কিন্তু রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে ডায়ালাইস্সি সম্ভব না হওয়ায় মুমূর্ষ অবস্থায় রোগীকে বাড়ীতে নিয়ে আসা হয়। গত ২২ নভেম্বর ২০১৩ইং রোগী তীব্র মৃত্যু যন্ত্রনায় চটফট করে মারা যান। মৃত আব্দুল করিম আনসারী ছেলে আব্দুল আহাদ আনসারী বলেন, পিতার মৃত্যুর পর মৌলভীবাজারে দি পপুলার সিটিস্ক্যান এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যোগাযোগ করে কর্তৃপক্ষকে তাদের ভুল রিপোর্ট সম্পর্কে অবহিত করি। কর্তৃপক্ষ সমঝোতার প্রস্তাব দিলে তিনি নাকচ করে দেন। এ ব্যাপারে আব্দুল আহাদ আনসারী ডা: সোহেল রানা, ডা মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী ও দি পপুলার সিটিস্ক্যান এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্তৃপক্ষের বিচারের দাবী জানিয়ে গতকাল ৮ ডিসেম্বর রবিবার মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেন। যার অনুলিপি মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য পঃ পঃ কর্মকর্তা, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব ও মৌলভীবাজার বিএমএ বরাবরে অনুলিপি প্রদান করেছেন। নোট: ছবি সংযুক্ত।
একটি ডায়গনষ্টিক সেন্টার থেকে ভূল রিপোর্ট বের করে চিকিৎসা দিয়ে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুষ্ঠু বিচার চেয়ে গতকাল ৮ ডিসেম্বর রোববার রোগীর ছেলে জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের বৃন্দাবনপুর গ্রামে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার বৃন্দাবনপুর গ্রামের আব্দুল করিম আনসারী (৫৮) অসুস্থ্য বোধ করলে গত ১৫ আগষ্ট ২০১৩ইং তারিখে মৌলভীবাজারস্থ ডা. মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তার রোগীকে পরীক্ষা নিরিক্ষার পর টেষ্ট করার জন্য মৌলভীবাজারস্থ দি পপুলার সিটিস্ক্যান এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডা: সোহেল রানার কাছে পাঠান। ডা.সোহলে রানা টেস্ট গুলো করে আল্ট্রাসনগ্রাফী রিপোর্টে রোগীর উভয় কিডনী নরমাল, আকার আকৃতি ও অবস্থান ঠিক আছে বলে উল্লেখ করেন। রিপোর্ট গুলো দেখে ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন কিছু ঔষধ লিখে দিলে রোগীর অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে থাকে। রোগীর শারিরীক অবস্থা ডাক্তারকে বার বার অবহিত করার পরও এবং ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার কথা বললেও তার কাছেই রোগী সুস্থ্য হওয়ার আশ্বাস দেন। এক পর্যায়ে রোগীর অবস্থা শোচনীয় হয়ে পরলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালের কিডনী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা.শামিম আহমেদের তত্ত্বাবধানে ল্যাব এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনগ্রাফী করালে রোগীর উভয় কিডনী মারাত্বক ছোট ও ৯৫% অকেজ ধরা পরে। রিপোর্ট দেখে ডা. শামিম আহমেদ রোগীর অবস্থা আশংকাজনক উল্লেখ করে দ্রুত ডায়ালাইস্সি করার পরামর্শ দেন। কিন্তু রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে ডায়ালাইস্সি সম্ভব না হওয়ায় মুমূর্ষ অবস্থায় রোগীকে বাড়ীতে নিয়ে আসা হয়। গত ২২ নভেম্বর ২০১৩ইং রোগী তীব্র মৃত্যু যন্ত্রনায় চটফট করে মারা যান। মৃত আব্দুল করিম আনসারী ছেলে আব্দুল আহাদ আনসারী বলেন, পিতার মৃত্যুর পর মৌলভীবাজারে দি পপুলার সিটিস্ক্যান এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যোগাযোগ করে কর্তৃপক্ষকে তাদের ভুল রিপোর্ট সম্পর্কে অবহিত করি। কর্তৃপক্ষ সমঝোতার প্রস্তাব দিলে তিনি নাকচ করে দেন। এ ব্যাপারে আব্দুল আহাদ আনসারী ডা: সোহেল রানা, ডা মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী ও দি পপুলার সিটিস্ক্যান এন্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্তৃপক্ষের বিচারের দাবী জানিয়ে গতকাল ৮ ডিসেম্বর রবিবার মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেন। যার অনুলিপি মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য পঃ পঃ কর্মকর্তা, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব ও মৌলভীবাজার বিএমএ বরাবরে অনুলিপি প্রদান করেছেন। নোট: ছবি সংযুক্ত। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •