অর্থ সংকটে কমলগঞ্জের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো

December 19, 2013, এই সংবাদটি ৩৫১ বার পঠিত

১৮ দলীয় জোটের আহ্বানে চলমান অবরোধ কর্মসূচিতে চরমভাবে অর্থ সংকটে পড়েছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক। ব্যাংক হিসেবে অর্থ থাকার পরও প্রয়োজনে টাকা উত্তোলন করতে না পেরে গ্রাহকরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। জানা যায়, ১৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া অবরোধের পর ১৮ দলের ডাকা ৭২ ঘন্টার অবরোধ শেষে বিজয় দিবসকে উপলক্ষ করে বিরোধী দল কোন কর্মসূিচ না দিলেও মঙ্গলবার থেকে নতুন করে শুরু হয়েছে ৭২ ঘন্টার অবরোধ। এ অবস্থায় জেলার আঞ্চলিক শাখাগুলো থেকে কমলগঞ্জ উপজেলার সোনালী ব্যাংকের দুইটি শাখা, পূবালী ব্যাংকের তিনটি শাখা, জনতা, অগ্রনী, কৃষি ও রুপালী ব্যাংক শাখায় চাহিদামত অর্থ সরবরাহ করা হয়নি। ফলে মঙ্গলবার কমলগঞ্জের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো চরমভাবে অর্থ সংকটে পড়েছে। গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় টাকা উত্তোলন করতে ব্যাংক শাখাগুলোতে ভিড় করেন। গ্রাহকদের চাপের মুখে চাহিদামত অর্থ দিতে পারছে না ব্যাংক। ব্যাংক হিসেবে টাকা জমা থাকার পরও প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যাংক দিতে পারছে না বলে গ্রাহকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সরেজমিন সোনালী ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক শমশেরনগর শাখায় গিয়ে দেখা যায়, গ্রাহকদের চাহিদামত টাকা না দেয়ায় অনেক গ্রাহক শাখা ব্যবস্থাপকদের সাথে তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। পূবালী ব্যাংক শমশেরনগর শাখা ব্যবস্থাপক মো. শহিদুল ইসলাম, সোনালী ব্যাংক শমশেরনগর শাখা ব্যবস্থাপক হরিমোহন সিংহ, জনতা ব্যাংক কমলগঞ্জ শাখা ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দীন বলেন, টানা অবরোধে এমনিতেই ব্যাংকের ভোল্টে টাকা সংকট আছে। মঙ্গলবার থেকে নতুন করে ৭২ ঘন্টার অবরোধের কারণে ব্যাংকের আঞ্চলিক শাখা থেকে চাহিদামত অর্থ সরবরাহ করা যায়নি। এ অবস্থায় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার উর্দ্ধের চেকের টাকা দিতে পারছেন না গ্রাহকদের। গ্রাহকরা নিজ হিসাব থেকে টাকা উত্তোলন করে নিতে না পেরে ব্যাংক ব্যবস্থাপকদের সাথে এ ধরনের ঝগড়ায় লিপ্ত হলেও গ্রাহকদের বোঝানো ছাড়া আর কিছুই করার নেই বলে ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপকরা জানান।
১৮ দলীয় জোটের আহ্বানে চলমান অবরোধ কর্মসূচিতে চরমভাবে অর্থ সংকটে পড়েছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক। ব্যাংক হিসেবে অর্থ থাকার পরও প্রয়োজনে টাকা উত্তোলন করতে না পেরে গ্রাহকরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। জানা যায়, ১৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া অবরোধের পর ১৮ দলের ডাকা ৭২ ঘন্টার অবরোধ শেষে বিজয় দিবসকে উপলক্ষ করে বিরোধী দল কোন কর্মসূিচ না দিলেও মঙ্গলবার থেকে নতুন করে শুরু হয়েছে ৭২ ঘন্টার অবরোধ। এ অবস্থায় জেলার আঞ্চলিক শাখাগুলো থেকে কমলগঞ্জ উপজেলার সোনালী ব্যাংকের দুইটি শাখা, পূবালী ব্যাংকের তিনটি শাখা, জনতা, অগ্রনী, কৃষি ও রুপালী ব্যাংক শাখায় চাহিদামত অর্থ সরবরাহ করা হয়নি। ফলে মঙ্গলবার কমলগঞ্জের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো চরমভাবে অর্থ সংকটে পড়েছে। গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় টাকা উত্তোলন করতে ব্যাংক শাখাগুলোতে ভিড় করেন। গ্রাহকদের চাপের মুখে চাহিদামত অর্থ দিতে পারছে না ব্যাংক। ব্যাংক হিসেবে টাকা জমা থাকার পরও প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যাংক দিতে পারছে না বলে গ্রাহকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সরেজমিন সোনালী ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক শমশেরনগর শাখায় গিয়ে দেখা যায়, গ্রাহকদের চাহিদামত টাকা না দেয়ায় অনেক গ্রাহক শাখা ব্যবস্থাপকদের সাথে তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। পূবালী ব্যাংক শমশেরনগর শাখা ব্যবস্থাপক মো. শহিদুল ইসলাম, সোনালী ব্যাংক শমশেরনগর শাখা ব্যবস্থাপক হরিমোহন সিংহ, জনতা ব্যাংক কমলগঞ্জ শাখা ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দীন বলেন, টানা অবরোধে এমনিতেই ব্যাংকের ভোল্টে টাকা সংকট আছে। মঙ্গলবার থেকে নতুন করে ৭২ ঘন্টার অবরোধের কারণে ব্যাংকের আঞ্চলিক শাখা থেকে চাহিদামত অর্থ সরবরাহ করা যায়নি। এ অবস্থায় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার উর্দ্ধের চেকের টাকা দিতে পারছেন না গ্রাহকদের। গ্রাহকরা নিজ হিসাব থেকে টাকা উত্তোলন করে নিতে না পেরে ব্যাংক ব্যবস্থাপকদের সাথে এ ধরনের ঝগড়ায় লিপ্ত হলেও গ্রাহকদের বোঝানো ছাড়া আর কিছুই করার নেই বলে ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপকরা জানান। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •